বালিয়াটি জমিদার বাড়ি || বালিয়াটি প্রাসাদ || বালিয়াটি জমিদার বাড়ি মানিকগঞ্জ|| Baliati Jomidar Bari
Salim chowdhury
0:00 / 0:00
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি || বালিয়াটি প্রাসাদ || বালিয়াটি জমিদার বাড়ি মানিকগঞ্জ|| Baliati Jomidar Bari
469 просмотров · 11 дн. назад
Salim chowdhury
110 подписчиков
469 просмотров · 11 дн. назад
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি || বালিয়াটি প্রাসাদ || বালিয়াটি জমিদার বাড়ি মানিকগঞ্জ || Baliati Jomidar Bari
বালিয়াটি প্রাসাদ: বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত মানিকগঞ্জ জেলার সদর থেকে আনুমানিক আট কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ঢাকা জেলা সদর থেকে পয়ত্রিশ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের ১৯ শতকে নির্মিত অন্যতম প্রাসাদ। একে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা বালিয়াটি প্রাসাদ বলেও ডাকা হয়।
মোট সাতটি স্থাপনা নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। এই বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা প্রাসাদটির সবগুলো ভবন একসাথে স্থাপিত হয় নি। এই প্রাসাদের অন্তর্গত বিভিন্ন ভবন জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে স্থাপিত হয়েছিল। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্লকটি যাদুঘর। এই প্রাসাদটি বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ও পরিচালিত।
ইতিহাস: “গোবিন্দ রাম সাহা” বালিয়াটি জমিদার পরিবারের গোড়াপত্তন করেন। ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি লবণের বণিক ছিলেন। জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকারের মধ্যে “কিশোরীলাল রায় চৌধুরী, রায়বাহাদুর হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী তৎকালীন শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ঢাকার জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিশোরিলাল রায় চৌধুরীর পিতা এবং যার নামানুসারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়।
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত, এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ। এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে জমিদার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহৃত হত ব্যবসায়িক কাজে। এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল যেখানে বসবাস করত তারা।
কিভাবে যাবেন: ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে আরিচা বা মানিকগঞ্জগামী যে সব বাস সাটুরিয়া হয়ে যায় সেইসব বাসে করে যেতে পারবেন। ভালো হয় গাবতলী থেকে সাটুরিয়া গামী এস বি লিংক পরিবহণে গেলে। সাটুরিয়া পার হয়ে সাটুরিয়ার জিরো পয়েন্টে নেমে যেতে হবে। বাসের সুপারভাইজারকে বালিয়াটি জমিদার বাড়ির কথা বললেই নামিয়ে দিবে। ঢাকা থেকে বাসে সাটুরিয়া জিরো পয়েন্ট যেতে সাধারণত ২ ঘন্টার চেয়ে একটু বেশি সময় লাগে। তবে জ্যামের কথা মাথায় রেখেই আপনাকে রওনা দিতে হবে। জিরো পয়েন্ট সেখানে থেকে জমিদার বাড়ির দূরত্ব ১ কিলোমিটার। ইজিবাইক বা সিএনজি দিয়ে ২০-৩০ টাকা ভাড়া দিয়েই যেতে পারবেন বালিয়াটি প্যালেসে। এছাড়া সাটুরিয়া বাস স্ট্যান্ডে নেমেও সিএনজি/ইজিবাইক দিয়ে যেতে পারবেন ৫০-৬০ টাকা ভাড়ায়।
ঢাকার উত্তরা থেকে যেতে চাইলে আব্দুল্লাপুর হয়ে নবীনগর যাবেন। স্মৃতিসৌধের সামনে থেকে বাস পাবেন সাটুরিয়ার। ভাড়া নিবে ৪০-৫০ টাকা নেবে। সাটুরিয়া থেকে উপরে উল্লেখিত উপায়ে যেতে পারবেন। এছাড়া দেশের অন্য কোন জায়গা থেকে আসতে চাইলে প্রথমে মানিকগঞ্জ এসে স্থানীয় পরিবহনে যেতে পারবেন যে কোন জায়গায়।
আশেপাশের দর্শনীয় স্থান: মানিকগঞ্জ জেলার আরও যেসব দর্শনীয় স্থান দেখতে পারেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো : তেওতা রাজবাড়ি, আরিচা ঘাট, শাহ রুস্তমের মাজার, ঈমামপাড়া জামে মসজিদ, নবরত্ন মন্দির, ধানকরা জমিদার বাড়ি, ইব্রাহিম শাহের মাজার ইত্যাদি।
সময় সূচী: - বালিয়াটি জমিদার বাড়ি সাপ্তাহিক বন্ধ রবিবার এবং সোমবার অর্ধ দিবসের জন্য বন্ধ থাকে। গ্রীষ্মকালীন খোলার সময়: সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ০৬টা পর্যন্ত। শীতকালীন খোলার সময়: সকাল ০৯টা থেকে বিকেল ০৫টা পর্যন্ত। বিরতি:- প্রতিদিন দুপুর ০১টা থেকে ০১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। শুক্রবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
প্রবেশমূল্য: জমিদার বাড়িতে প্রবেশের জন্য টিকেটের মূল্য জনপ্রতি দেশি দর্শনার্থী ২০ টাকা, সার্কভুক্ত দর্শনার্থী ১০০ টাকা এবং বিদেশি দর্শনার্থী ২০০ টাকা।
If you like my video, don't forget to press thumbs up and subscribe my channel for more. Here is the channel link:
/ @salimchowdhury2419
Thanks for the visit.
Engr. Salim Chowdhury
B.Sc. in EEE
Diploma in Computer Engineering