Перейти к содержимому

কারবালাতে রোল পড়িলো - দেওয়ান আরিফ ও রিমা কাঙ্গালিনী জারি গান Rima kangalini karbalar jari 2022

MB Gallery Folk

0:00 / 0:00

কারবালাতে রোল পড়িলো - দেওয়ান আরিফ ও রিমা কাঙ্গালিনী জারি গান Rima kangalini karbalar jari 2022

37 434 просмотра · 4 г. назад
MB Gallery Folk
204 тыс. подписчиков
37 434 просмотра · 4 г. назад
Karbalar New Duet Jari Gan 2022 Karbalate rull porilo কারবালাতে রোল পড়িলো Singer: Dewan Arif & Rima Kangalini (দেওয়ান আরিফ ও রিমা কাঙ্গালিনী) Lyrics: Collected সংগৃহিত Music: Team MB Gallery টিম এমবি গ্যালারি Mix Master: Mostaque Bahar মোস্তাক বাহার DOP : Juyel Islam জুয়েল ইসলাম Edit & Color: Md Raju এমডি রাজু Direction: Mostaque Bahar মোস্তাক বাহার Production: MB Gallery Production House - এমবি গ্যালারি প্রোডাকশন হাউজ। MB Gallery Production Official Song #jarigaan #jarigan #জারি_গান Any Query: Cell: 01767 661288 Email: mbgallerylink@gmail.com আল-হ়াসান ইবনে ʿআলী ইবনে ʾআবী ত়ালিব ছিলেন ইসলামের পয়গম্বর মুহম্মদের দৌহিত্র, আলী ও ফাতিমার জ্যেষ্ঠপুত্র এবং হোসাইনের জ্যেষ্ঠভ্রাতা। সুন্নি ইসলাম অনুসারে তিনি হলেন পঞ্চম রাশিদুন খলিফা। শিয়া ইসলাম অনুসারে তিনি দ্বিতীয় ইমাম। মুসলমানরা তাঁকে আহল আল-বাইত এবং আহল আল-কিসার একজন সদস্য হিসাবে শ্রদ্ধা করে থাকে। হাসান তাঁর পিতা আলী ইবনে আবী তালিবের মৃত্যুর পর খলিফা হিসেবে নির্বাচিত হন, তবে ছয় বা সাত মাস শাসনকার্য পরিচালনার পর প্রথম ফিতনার অবসানের লক্ষ্যে তিনি শর্তসাপেক্ষে ক্ষমতাভার মুয়াবিয়া ইবনে আবী সুফিয়ানের নিকট হস্তান্তর করেন। হাসানের পদত্যাগের পর মুয়াবিয়ার মাধ্যমে খিলাফত রাজতন্ত্রে পরিণত হয়। আল-হাসান তাঁর অনুদান, দরিদ্র ও দাস-দাসীদের প্রতি করুণা, জ্ঞান, সহনশীলতা ও সাহসিকতার জন্য খ্যাত ছিলেন। কুফা থেকে শাসনভার পরিত্যাগের পর জীবনের বাকি সময় তিনি মদীনাতে অতিবাহিত করেন। বনু উমাইয়া দ্বারা প্ররোচিত স্বীয় স্ত্রী জাদা বিনতুল আশআস কর্তৃক বিষপ্রয়োগে মাত্র ৪৫ বছর বয়সে আল-হাসান মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে জান্নাতুল বাকিতে সমাহিত করা হয়। কারবালার কাহিনী বাংলা কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিষ্টাব্দ বর্তমান ইরাকের কারবালা নামক প্রান্তরে সংগঠিত হয়েছিল। এই যুদ্ধটি ইসলামের নবী মুহাম্মদ (স) এর নাতি হোসাইন ইবন আলী এর অল্প কিছু সমর্থক-আত্মীয় এবং উমাইয়া খলিফা প্রথম ইয়াজিদ, যার বৈশ্যতা স্বীকার করতে হোসাইন অস্বীকার করেন, তার বিশাল সেনাবাহিনীর মধ্যে সংগঠিত হয়। এই যুদ্ধে হোসাইন এবং তার ছয় মাস বয়সী শিশুপুত্র আলী আল-আসগর ইবন হোসেইনসহ সকল সমর্থক নিহত হয় ও নারী এবং শিশুরা বন্দি হন। মুসলমানদের মতানুসারে নিহতদের সকলে 'শহীদ' হিসেবে অভিহিত হন এবং এই যুদ্ধ শিয়া মতাবলম্বীদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কেন্দ্রস্থলে অবস্থান করে।