Перейти к содержимому

সন্তান নেয়ার আগে যা অবশ্যই মানতে হবে | How To Get Pregnant Fast | কিভাবে প্রেগন্যান্ট হওয়া যায়

MediTalk Digital

0:00 / 0:00

সন্তান নেয়ার আগে যা অবশ্যই মানতে হবে | How To Get Pregnant Fast | কিভাবে প্রেগন্যান্ট হওয়া যায়

724 828 просмотров · 3 года назад
MediTalk Digital
1,45 млн подписчиков
724 828 просмотров · 3 года назад
ACME'S Gynocare নিবেদিত নারী স্বাস্থ্য বিষয়ক এ ভিডিও বার্তায় সন্তান নেয়ার আগের প্রস্তুতি নিয়ে বলেছেন ডাঃ পুষ্পিতা শারমিন স্ত্রী , প্রসূতি ও বন্ধ্যাত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (অবস এন্ড গাইনী) বন্ধ্যাত্ব রোগ ও টেস্ট টিউব চিকিৎসা পদ্ধতিতে উচ্চতর প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত কনসালটেন্ট, আইভিএফ স্পেশালিস্ট ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড রিসার্চ সেন্টার লিমিটেড, ঢাকা চেম্বার: ০১ ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড রিসার্চ সেন্টার,৪৪/৭, সিটি টাওয়ার,পান্থপথ (লিফ্ট-১০) রবি, মঙ্গল, বুধবার যোগাযোগঃ ০১৯৪০৩৩৩৭৭০, ০১৮৯৪৮৯২৮৮৭ চেম্বার: ০২ ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড রিসার্চ সেন্টার, ৫/১৩, হুমায়ুন রোড, ব্লক-বি, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। শনি,সোম ও বৃহস্পতিবার। যোগাযোগ : 01798608168 Powered by: Folix & Fezol Media Parter - MediTalk Digital এই ভিডিওটি সন্তান ধারণের বিষয়ে একটি নির্দেশিকা, যেখানে স্বাভাবিক উপায়ে দ্রুত গর্ভধারণের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে [00:08]। ভিডিওতে গর্ভধারণের জন্য সঠিক সময়, মাসিকের চক্র, ডিম্বস্ফুটনের লক্ষণ এবং ডিম্বস্ফুটনের সময় গণনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। গর্ভধারণের জন্য সঠিক সময়: ভিডিওটি ব্যাখ্যা করে যে ডিম্বস্ফুটন বা ওভুলেশন হলো সেই সময় যখন ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হয় [01:35], এবং এই সময়টি গর্ভধারণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত [01:40]। ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে বের হওয়ার পর প্রায় ২৪ ঘণ্টা বেঁচে থাকে [06:08], এবং শুক্রাণু ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে [06:13]। মাসিকের চক্র এবং ডিম্বস্ফুটনের সময়: মাসিকের চক্র সাধারণত ২৮ দিনের হয় [02:26], তবে এটি ২৪ থেকে ৩৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে [02:32]। মাসিকের চক্রের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী ডিম্বস্ফুটনের সময় পরিবর্তিত হয় [02:37]। ডিম্বস্ফুটনের সম্ভাব্য দিন মাসিকের চক্রের শেষ দিন থেকে ১৪ দিন বাদ দিয়ে গণনা করা যায় [03:26]। উদাহরণস্বরূপ, ২৮ দিনের চক্রে ১৪তম দিনে, ২৪ দিনের চক্রে ১০ম দিনে এবং ৩৫ দিনের চক্রে ২১তম দিনে ডিম্বস্ফুটন হয়। ডিম্বস্ফুটনের লক্ষণ: ডিম্বস্ফুটনের কিছু সাধারণ লক্ষণও ভিডিওতে উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন - হালকা জ্বর জ্বর ভাব [02:46], শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি [02:48], তলপেটে ব্যথা [02:50], এবং যোনি স্রাবের পরিবর্তন [02:52]। সহবাসের সময় ও পরীক্ষা: গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ানোর জন্য ডিম্বস্ফুটনের আগের চার দিন, ডিম্বস্ফুটনের দিন এবং পরের দুই দিন সহবাস করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে [03:52]। সপ্তাহে ২-৩ বার সহবাস করা উচিত [04:00]। ডিম্বস্ফুটনের সময় বোঝার জন্য টিবিএস (ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসাউন্ড) [04:10] এবং ওভুলেশন কিট ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে [04:15]। স্ট্রেস কমানো: ভিডিওতে জোর দেওয়া হয়েছে যে স্ট্রেস এবং উদ্বেগ গর্ভধারণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে [04:25], তাই স্ট্রেস না নিয়ে নিয়মিত সহবাস করা উচিত [04:30]। ভিডিওটি শেষ হয় এই বলে যে, এই নির্দেশিকা অনুসরণ করে স্বাভাবিক উপায়ে দ্রুত গর্ভধারণ সম্ভব [04:35]। বাচ্চা নেওয়ার নিয়ম,বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি,সন্তান নেয়ার নিয়ম,মাসিকের কতদিন পরে মিলন করলে বাচ্চা হবে,সহবাসের নিয়ম পদ্ধতি,বাচ্চা নিতে চাইলে করণীয় কি,বাচ্চা নিতে হলে কি করতে হবে,বাচ্চা নেওয়ার উপায়,বাচ্চা নেওয়ার কৌশল,বাচ্চা নেওয়ার সঠিক বয়স,মাসিক অনিয়মিত হলে বাচ্চা নেওয়ার উপায়,বাচ্চা নেওয়ার সঠিক সময় কোনটি,কত বছর বয়সে বাচ্চা নেয়া উচিত,কিভাবে বাচ্চা নেওয়া যায়,বাচ্চা নেওয়ার আগের প্রস্তুতি,ছেলে বাচ্চা নেওয়ার নিয়ম