চালু হলো শতবর্ষী প্যাডেল স্ট্রীমার|Paddle steamer.Paddle steamer of bangladesh.@ToTheFocus
To The Focus
0:00 / 0:00
চালু হলো শতবর্ষী প্যাডেল স্ট্রীমার|Paddle steamer.Paddle steamer of bangladesh.@ToTheFocus
46 068 просмотров · 1 год назад
To The Focus
9,15 тыс. подписчиков
46 068 просмотров · 1 год назад
আবারও চালু হচ্ছে শতবর্ষী কমলা রকেট স্টিমার।বৃট্রিশ আমলের কমলা প্যাডেল স্টিমার|Paddle steamer in bangladesh@ToTheFocus
🔴আপডেটঃ (প্যাডেল স্টিমার)
✅আগামী ১৫ নভেম্বর জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের জন্যে উদ্ভোধন করা হবে প্যাডেল স্টিমারের সার্ভিস।
✅সপ্তাহের শুক্রবার ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং শনিবারে বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে।
--------------
নদীমাতৃক বাংলাদেশের যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে প্রায় দেড়শ বছর ধরে চলা স্টিমারগুলো গতিতে ছিল দুর্বার। তাই একে বলা হত রকেট স্টিমার। আবার এর গাঢ় বর্ণের জন্য কমলা রকেট নামেও পরিচিত। তবে নৌযানটির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নাম হলো— প্যাডেল স্টিমার। কারণ, এর দুই পাশে দুটি দৈত্যাকার পাডেল পানি কাটতে কাটতে সামনে দিকে এগিয়ে যায়।
ইংরেজ আমলে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোয় স্টিমার চলাচল শুরু হয়। খুলনা ও বরিশালের মধ্যে নিয়মিত এর যাতায়াত শুরু হয় ১৮৮৪ সালে। ফলে দক্ষিণাঞ্চলের বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে বরিশালের গুরুত্ব বাড়ে। সরাসরি কলকাতার সঙ্গে নৌপথে যোগাযোগ স্থাপিত হয়। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলেও যাতায়াত সহজসাধ্য হয়ে ওঠে। স্টিমার স্টেশনে পরিণত হয় বরিশাল। সরাসরি স্টিমার চলতে শুরু করে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও মাদারীপুরের মধ্যে। বরিশালের স্টিমার সার্ভিস চালুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে জেমস জনস্টনের নাম। ১৮২৯ সালে তাকে মেরিন বোর্ডের অধীন বাংলার নদীগুলোতে চলাচলকারী সব নৌযানের অস্থায়ী নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৮৩০ সালের দিকে তিনি কোম্পানি সরকারকে ভারতীয় নদীগুলোতে চলাচলের উপযোগী স্টিমার নির্মাণ ও নকশা তৈরির পরামর্শ দেন। তখন গঙ্গা নদীতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কিছু স্টিমার চলত। ১৮৪৪ সালে ব্রিটিশ ব্যক্তিমালিকানাধীন দ্য ইন্ডিয়ান জেনারেল স্টিম নেভিগেশন কোম্পানি এ অঞ্চলে কাজ শুরু করে। ১৮৭৩ সালে রিভার স্টিম নেভিগেশন কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ৮০’র দশকে স্টিমার চলাচল শুরু হয়। প্রথম পর্বে স্টিমার চলাচলের পথ ছিল নানা দিকে ছড়িয়ে। কেবল বাইরে নয়, জেলার অভ্যন্তরেও স্টিমার চলাচল করত। জেলার উত্তরাংশে এবং বরিশালের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করত টর্কি নদীপথের স্টিমার সার্ভিস। আরেকটি স্টিমার সার্ভিস সাকিপুর ও নয়াভাঙানি নদীপথে ঢাকায় যেত। পথটি ছিল পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকারী। সাতচল্লিশে দেশভাগের পর ব্রিটিশ সরকারের রেখে যাওয়া স্টিমারগুলো নিয়ে গঠিত হয় পাকিস্তান স্টিমার্স সার্ভিস। গাজী, অস্ট্রিচ, টার্ন, কিউই, শেলা, লালী, সান্দ্রা, মেঘলা, মাহসুদ, লেপচা নামে ১০টি স্টিমার ছিল এ সংস্থার অধীনে। স্বাধীনতার পর ৫টি স্টিমারে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে রাষ্ট্রায়ত্ত অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন বিআইডব্লিউটিএ। ১৯৬১ সালে ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এই নৌযানে চড়েন। এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাত্মা গান্ধী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মৃতি রয়েছে এ বাহনে চড়ার। স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান মার্শাল টিটো বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে এই স্টিমারে নৌবিহার উপভোগ করেন। শুরুর দিকে এসব স্টিমারে জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহার করা হতো। নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে এক কয়লার ডিপোও ছিল। আশির দশকের শুরুতে এগুলো ডিজেল ইঞ্জিনে রূপান্তর করা হয়। নদীপথে স্টিমার কীভাবে চলত সেটা জানালেন ইঞ্জিন অপারেটর সোহাগ হোসেনের কাছ থেকে। স্টিমারের দুই পাশে দুটি প্যাডেল থাকে। ঠিক যেভাবে সাইকেলে প্যাডেল করলে এগোতে থাকে, কয়লার স্টিমারও তেমন। পানি কাটতে কাটতে এগিয়ে যায়। অন্যান্য নৌযানের চেয়ে এটি নিরাপদ। স্টিমারগুলোতে শীতাতপ নিয়স্ত্রিত কেবিন আছে। প্রতি কেবিনে দুই জন থাকতে পারেন। এ ছাড়া আছে দ্বিতীয় শ্রেণির কেবিন। সেগুলো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নয়। আর তৃতীয় শ্রেণির হলো ডেক। এখাসে উন্নতমানের খাবারেরও সু-ব্যবস্থা ছিল।
স্টিমারের কর্মীদের এখন অলস সময় কাটে। এখন তাদের দায়িত্ব কেবল, দেখভাল করা। ¬¬তবে তারা এভাবে থাকতে চান না। তাদের চাওয়া, স্টিমারগুলো যেন আবার চালু হয়।
প্যাডেল স্টিমারগুলো আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু এই নৌযান আর কখনও ভেঁপু বাজিয়ে নদীর বুক চিরে চলতে দেখা যাবে না। তাই আমার মতো যারা এতে ভ্রমণ করেননি, তাদের আফসোস থেকেই যাবে।
---------------
paddle steamer,rocket paddle steamer banglades,rocket paddle steamer bangladesh,rocket paddle steamer,bangladesh,bangladeshi paddle rocket,rocket paddle steamer in bangladesh,paddle steamer travel,rocket steamer,paddle steamers,dhaka to khulna by paddle steamer,rocket steamer bangladesh,paddle steamer bangladesh,paddle steamer of bangladesh,steamer,cruise ship in bangladesh,the paddle steamer of bangladesh,paddle stemer bangladesh,
Biggest Cruise Ships, cruise ship, discovery, cruise ship tour, Dhaka to Khulna by Paddle Steamer, cruise ship in bangladesh, প্যাডেল স্টিমার বাংলাদেশ, রকেট স্টিমার ভ্রমণ, rocket paddle steamer, যাত্রী পরিবহন, রকেট, বাংলাদেশের নদীপথে যাত্রা, স্টিমার, Paddle Steamer, Rocket Steamer, Rirvers of Bangladesh, Rocket Cruise, Morelganj, Dhaka, Khulna, Launch, The Business Standard, traveler of bangladesh, ভ্রমণ,paddle steamer, steamer, paddle, paddle steamer (ship type), steam, abandoned paddle steamer, power of paddle steamer, paddle steamers, waverley paddle steamer, rocket paddle steamer bangladesh, full specification of paddle rocket steamer, paddle steamer preservation society, steamboat, steam engine, river, dhaka khulna steamer, paddle wheel steamship, bangladeshi paddle rocket, extreme launch lover,Rocket Cruise, Rocket Steamer, Rirvers of Bangladesh, Paddle Steamer@Tothefocus
----------------------
#Paddlesteamer
#Rocketsteamer
#Heritage
#প্যাডেলস্টিমারবাংলাদেশ
#কমলারকেটস্টিমারবাংলাদেশ
#Paddlesteamerbangladesh