এটা আবার কেমন কথা || শাহ মোহছেন আউলিয়ার মাজার || #travel #চট্টগ্রাম #bangladesh
Tahazib Vlog
0:00 / 0:00
এটা আবার কেমন কথা || শাহ মোহছেন আউলিয়ার মাজার || #travel #চট্টগ্রাম #bangladesh
570 просмотров · 1 год назад
Tahazib Vlog
103 подписчика
570 просмотров · 1 год назад
শাহ্ মোহছেন ইয়েমেনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তাঁর পিতা ও পরিবারের কাছ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন এবং পরবর্তীতে উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তাসাউফ ও আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জনের পর তিনি পরিবারের সাথে তাঁর মামা, প্রখ্যাত পীর হযরত শাহ সূফী সৈয়দ বদর শাহ্ (রহ.)-এর সঙ্গে দিল্লি আসেন। কিছুদিন পর তাঁরা বাংলার রাজধানী গৌড়ে গমন করেন।
জনশ্রুতি অনুযায়ী, হযরত মোহছেন আউলিয়া (রহ.) এবং হযরত বদর শাহ্ (রহ.) আনোয়ারার ইছাখালী গ্রামে অবতরণ করেন। কথিত আছে, তিনি এক পাথরকে বাহন বানিয়ে সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রামে আসেন। এরপর ইসলাম প্রচার শুরু করেন এবং বহু মানুষ তাঁর মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করেন।[১] (উইকিপিডিয়া)
#কবরে মোমবাতি জ্বালানো ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ। এটি একটি কুসংস্কার এবং বিদআত হিসেবে বিবেচিত হয়।
ইসলামে, কবরস্থানে মোমবাতি জ্বালানো বা অন্য কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা বৈধ নয়। এটি মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য করা হলেও, এটি ইসলামের শিক্ষা এবং রীতিনীতির পরিপন্থী।
কিছু সংস্কৃতিতে, কবরে মোমবাতি জ্বালানো বাতি বা আলোর মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির আত্মার পথ প্রদর্শনের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। তবে, ইসলামে এ ধরনের বিশ্বাসের কোনো ভিত্তি নেই।
ইসলামে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করা এবং তাদের জন্য সদকা করার কথা বলা হয়েছে। কবরস্থানে গিয়ে কবর জিয়ারত করা এবং সেখানে কুরআন তেলাওয়াত করাও একটি ভালো কাজ।
অতএব, কবরে মোমবাতি জ্বালানো বা অন্য কোনো ধরনের কুসংস্কারমূলক কাজ পরিহার করে ইসলামের সঠিক পথে চলাই বাঞ্ছনীয়।