দুই মুহাম্মাদের দেশ সৌদি আরব যেখানে কুরআন বিরোধী আইন প্রয়োগের ফলে দুই বাংলাদেশীদের শিরচ্ছেদ
On the way to Quran and Kaaba(কুরআন এবং কাবার পথে)
0:00 / 0:00
দুই মুহাম্মাদের দেশ সৌদি আরব যেখানে কুরআন বিরোধী আইন প্রয়োগের ফলে দুই বাংলাদেশীদের শিরচ্ছেদ
5 685 просмотров · 20 ч назад
On the way to Quran and Kaaba(কুরআন এবং কাবার পথে)
99,3 тыс. подписчиков
5 685 просмотров · 20 ч назад
গত ৬ মাসে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা।
অর্থাৎ, প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠাচ্ছেন আমাদের প্রবাসীরা।
এই টাকায় দেশের অর্থনীতি সচল থাকে, দেশের রিজার্ভ শক্তিশালী হয়, আমদানি ব্যয় মেটানো হয়
অর্থাৎ এককথায় বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেকটাই নির্ভরশীল এই প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর। অথচ, এই প্রবাসীদের কোন মূল্যই নাই এই রাষ্ট্রের কাছে!
একদিকে রাজনৈতিক শুয়োরেরা দেশটাকে লুটেপুটে খাচ্ছে, অন্যদিকে প্রবাসীরা নিজেদের রক্ত, শ্রম ও ঘাম দিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখছেন।
একবার ভাবুন, বিদেশের মাটিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়ে গেল, অথচ তাঁদের নিজ দেশের দূতাবাস নাকি এ বিষয়ে কিছুই জানে না!
প্রায় দুই দিন পার হয়ে গেল, অথচ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতিই দেওয়া হয়নি!
নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কি সরকার কোনো যোগাযোগ করেছে?
প্রবাসীরা কি শুধু টাকা পাঠানোর জন্যই বাংলাদেশের নাগরিক?
দেশের প্রয়োজনে তাঁরা কোটি কোটি টাকা পাঠাবেন, বিদেশের মাটিতে কষ্ট করবেন, পরিবার থেকে দূরে থাকবেন। অথচ বিপদে পড়লে নিজ দেশের সরকার তাঁদের চিনবেও না!
সংযুক্ত আরব আমিরাতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় বাংলাদেশিকে ৯৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্লাডমানি দিয়ে মুক্ত করে আনা হয়েছিল শেখ হাসিনার আমলে।
অর্থাৎ, চাইলে একটি সরকার তার নাগরিকদের দুঃসময়ে রক্ষা করতে পারে, সেটা গরীব কিংবা ধনী যে কোন দেশেরই হোক!
কিন্তু আমাদের বর্তমান কূটনীতি শুধু বিদেশিদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা আর আনুষ্ঠানিক বৈঠক করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
বিদেশের মাটিতে নিজের দেশের নাগরিক বিপদে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানো, তাঁদের অধিকার রক্ষা করা এবং প্রয়োজনে অন্য দেশের কাছে জবাব চাওয়া এসবও যে কূটনীতির অংশ, তা আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভুলেই গেছে?
সকল প্রবাসীর উচিত এই নপুংসক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের কাছে জবাব চাওয়া।
প্রয়োজনে আবারও কয়েক মাসের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ রাখার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।
প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর সময় বাংলাদেশের নাগরিক? বিদেশের মাটিতে বিপদে পড়লে তাঁরা বাংলাদেশের নাগরিক না? তাঁদের জীবন, অধিকার ও সম্মান রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব না?
যে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে দেশের অর্থনীতি সচল থাকে, সেই প্রবাসীদের বিপদের সময় রাষ্ট্র কেন নীরব থাকবে?