Перейти к содержимому

উপবাস না করেও একাদশীর ফল? 😱 পার্শ্ব একাদশী 2026 এর আসল শাস্ত্রীয় রহস্য! #sotterpothe

সত্যের পথে

0:00 / 0:00

উপবাস না করেও একাদশীর ফল? 😱 পার্শ্ব একাদশী 2026 এর আসল শাস্ত্রীয় রহস্য! #sotterpothe

79 просмотров · 7 дней назад
সত্যের পথে
18 подписчиков
79 просмотров · 7 дней назад
নমস্কার বন্ধুরা,আগামী ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (মঙ্গলবার) পালিত হতে চলেছে অত্যন্ত পবিত্র পার্শ্ব একাদশী (যা পরিবর্তিনী বা বামন একাদশী নামেও পরিচিত)। কিন্তু আমরা অনেকেই একাদশী ব্রতের আসল তত্ত্ব ও উদ্দেশ্য জানি না। অনেকেই মনে করেন শুধু না খেয়ে থাকলেই একাদশী হয়।আজকের ভিডিওতে আমরা গোরক্ষপুর গীতা প্রেসের "শ্রীমদভাগবত মহাপুরাণ" এবং সঠিক যুক্তির আলোতে আলোচনা করেছি যে—কীভাবে উপবাস না করেও আপনি একাদশীর সম্পূর্ণ ফল লাভ করতে পারেন! এছাড়া রাজা বলি ও ভগবান বামনদেবের গল্পের অন্তর্নিহিত আসল রহস্য এবং একাদশী নিয়ে প্রচলিত আসল বনাম নকল ধারণার পার্থক্য সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।📌 ২০২৬ সালের পার্শ্ব একাদশী ও পারণের সময়সূচী (ভারতীয় সময়):ব্রত পালনের তারিখ: ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (মঙ্গলবার)পারণের সময় (উপবাস ভাঙার সময়): ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বুধবার) সকাল ০৬:১০ মিনিট থেকে সকাল ০৮:৩৫ মিনিটের মধ্যে (কলকাতার জন্য সকাল ০৫:২৫ থেকে ০৯:২৭ মিনিট)।ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক করুন, বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং এই ধরণের তথ্যপূর্ণ ভিডিও আরও দেখতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। হরে কৃষ্ণ!#ParshvaEkadashi2026 #EkadashiVrat #SrimadBhagavatam #VamanaAvatar #GitaPress #একাদশী২০২৬ #পার্শ্ব_একাদশী ভিডিওতে উল্লেখিত তথ্যের আসল শাস্ত্রীয় প্রমাণ ও গ্রন্থ সূত্র (References):আমাদের সনাতন ধর্মের শাস্ত্র অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত ও গভীর। ভিডিওতে যে সমস্ত তাত্ত্বিক কথা বলা হয়েছে, তার মূল প্রমাণ নিচে দেওয়া হলো। আপনারা চাইলে নিজেরাও এই গ্রন্থগুলো মিলিয়ে দেখে নিতে পারেন:১. একাদশীর আসল উদ্দেশ্য (পেট শুকানো বনাম মনের উপবাস):গ্রন্থ সূত্র: গোরক্ষপুর গীতা প্রেস প্রকাশিত ‘শ্রীমদভাগবত মহাপুরাণ’ — একাদশ স্কন্ধ, দ্বাদশ অধ্যায়, শ্লোক ১-২ [১.২.৩]।তত্ত্ব: এখানে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ উদ্ধবকে বলেছেন যে, বাহ্যিক কঠোর তপস্যা বা তীব্র উপবাসের চেয়ে মনের শুদ্ধ ভক্তি ও সৎসঙ্গই আমাকে লাভ করার আসল উপায় [১.২.৩]।২. রাজা বলির অহংকার মুক্তি ও পূর্ণ আত্মনিবেদন তত্ত্ব:গ্রন্থ সূত্র: গোরক্ষপুর গীতা প্রেস প্রকাশিত ‘শ্রীমদভাগবত মহাপুরাণ’ (বই কোড: ২০) — অষ্টম স্কন্ধ, অধ্যায় ১৯, ২০, ২১ এবং ২২ [১.২.৭]।প্রধান শ্লোক: অধ্যায় ১৯, শ্লোক ২১ (ইন্দ্রিয় সংযমের শিক্ষা) [১.২.৪, ১.২.৫] এবং অধ্যায় ২২, শ্লোক ২-৫ (নিজের মস্তক অর্পণ করে অহংকার ত্যাগের কাহিনী) [১.২.৬]।৩. পার্শ্ব পরিবর্তন ও ছাতা-জুতো-কলসি দানের বাহ্যিক নিয়ম:গ্রন্থ সূত্র: গোরক্ষপুর গীতা প্রেস প্রকাশিত ‘একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য’ (বই কোড: ১১৬২) — "পার্শ্ব (পরিবর্তিনী) একাদশী ব্রত কথা" অধ্যায় [১.৩.৬]।মূল পুরাণ: এই বিধানটি মূলত ‘পদ্ম পুরাণ’ ও ‘ভবিষ্য পুরাণ’ থেকে সংকলিত হয়েছে, যেখানে ব্রতের সামাজিক ও ব্যবহারিক নিয়মাবলী বর্ণিত আছে [১.৩.৩, ১.৩.৪]।