Перейти к содержимому

Surah Al-Kahf ; Ali Abdulsalam Al-Yousuf ‪@Ali-asy‬

Aayat

0:00 / 0:00

Surah Al-Kahf ; Ali Abdulsalam Al-Yousuf ‪@Ali-asy‬

13 398 просмотров · 4 года назад
Aayat
12,6 тыс. подписчиков
13 398 просмотров · 4 года назад
❝ আবু সাঈদ খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন: مَنْ قَرَأَ سُورَةُ الْكَهْفَ كَمَا أُنْزِلَتْ ، ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الدَّجَّالِ لَمْ يُسَلَّطْ عَلَيْهِ أَوْ : لَمْ يَكُنْ لَهُ عَلَيْهِ سَبِيلٌ ” . (المستدرك : 4/557 حديث رقم : 8562 قال الذهبي قي التلخيص : صحيح) “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ যেভাবে নাযিল হয়েছে সেভাবে তেলাওয়াত করবে অতঃপর দাজ্জালের জন্য বাহির হবে তার উপর দজ্জাল কোন প্রভাব ফেলতে পারবে না অথবা তার উপর দাজ্জালের (প্রভাব ফেলার) কোন পথ থাকবে না।” (মুস্তাদরাক আলস সাহীহাইন ৪/৫৫৭, হা/৮৫৬২, ইমাম যাহাবী তালখীস গ্রন্থে বলেন: সহীহ। মুহাদ্দিসদের মতে এটি মারফু হাদিস হুকুমে) ❝ من قرأ عشر آيات من سورة الكهف عصم من فتنة الدجال صحيح ابن حبان : 3/65 حديث رقم : 785 قال شعيب الأرنؤوط : إسناده صحيح على شرط مسلم – سنن النسائي الكبرى : 5/15 حديث رقم : 8025 ، 6/235حديث رقم : 10785 وعند النسائي بإسناد آخر “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের দশটি আয়াত পাঠ করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে সংরক্ষিত থাকবে।“ (সহীহ ইবনে হিব্বান ৩/৫৬, হা/৭৮৫, শুআইব আরনাউত বলেন, সহিহ মুসলিম এর শর্তানুযায়ী এর সনদ সহিহ) ❝ প্রখ্যাত সাহাবী নাওয়াস বিন সামআন রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ففَمَنْ أَدْرَكَهُ مِنْكُمْ فَلْيَقْرَأْ عَلَيْهِ فَوَاتِحَ سُورَةِ الْكَهْفِ “এরপর তোমরা যারা তার (দাজ্জালের) দেখা পাবে, সে যেন লক্ষ করে সূরা কাহাফের প্রথম দিকের আয়াতগুলি পাঠ করে।” (সহিহ মুসলিম, অধ্যায়: ফিতনা সমুহ ও কিয়ামতের নিদর্শনা বলী, অনুচ্ছেদ: দজ্জাল এর বর্ণনা, তার পরিচয় এবং তার সাথে যা থাকবে, হা/৭২৬৩) ❝ আবুদ দারদা রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: من قرأ عشر آيات من آخر الكهف عصم من فتنة الدجال مسند أحمد 6/ 446حديث رقم : 27556 قال شعيب الأرنؤوط : إسناده صحيح رجاله ثقات رجال الشيخين غير معدان بن أبي طلحة اليعمري فمن رجال مسلم واللفظ له – صحيح ابن حبان : 3/66 حديث رقم : 786 قال شعيب الأرنؤوط : إسناده صحيح -سنن النسائي الكبرى : 6/235 حديث رقم : 10784 “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের শেষ দিক থেকে দশটি আয়াত পাঠ করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে সংরক্ষিত থাকবে।“ (মুসনাদ আহমদ ৬/৪৪৬, হাদিস নং ২৭৫৫৬, সনদ সহিহ) – প্রখ্যাত সাহাবী আবু সাঈদ খুদরী রা. হতে বর্ণিত হয়েছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: وَمَنْ قَرَأَ بِعَشْرِ آيَاتٍ مِنْ آخِرِهَا ، ثُمَّ خَرَجَ الدَّجَّالُ لَمْ يَضُرَّهُ “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে দজ্জাল বের হলেও তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।“ (মুসনাদে হাকিম-তিনি এটিকে সহিহ বলেছেন। বায়হাকী, আল মুজামুল আওসাত-ত্বাবারানী প্রমূখ) ❝ আবুদ দারদা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছে: مَنْ حَفِظَ عَشْرَ آيَاتٍ مِنْ أَوَّلِ سُورَةِ الْكَهْف عُصِمَ مِنَ الدَّجَّالِ ‘‘যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দিক থেকে দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দজ্জালের (ফিতনা) থেকে পরিত্রাণ পাবে।’’ (সহীহ মুসলিম ১/৫৫৫, হা/৮০৯, ২৫৭) আবু দাউদে একই সাহাবী থেকে সহীহ সনদে হুবহু অনুরূপ হাদিস বর্ণিত। ❝ সহীহ মুসলিমে প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করার হাদিস বর্ণনার পরক্ষণেই বলা হয়েছে যে, অন্য বর্ণনায় রয়েছে: «مِنْ آخِرِ الْكَهْفِ» ‘কাহফ সূরার শেষ দিক থেকে।“ অর্থাৎ যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের শেষ দশ আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে সংরক্ষিত থাকবে।“ (সহীহ মুসলিম, হা/ ৮০৯) আবু দাউদ (রহঃ) প্রথম দশ আয়াত এর কথা বর্ণনা করার পর বলেন: হিশাম দাসতাওয়ারী রহ. কাতাদা রা. থেকে বর্ণনা করেছেন যে, مَنْ حَفِظَ مِنْ خَوَاتِيمِ سُورَةِ الْكَهْفِ “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের শেষ দিক থেকে (দশ আয়াত) মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাবে।” ‘শুবা (রহঃ) বলেছেন: مِنْ آخِرِ الْكَهْف “সূরা কাহাফের শেষ দিক থেকে (যার দশটি আয়াত মুখস্থ থাকবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাবে।)” [সুনান আবু দাউদ, হাদিস নম্বরঃ [4272], অধ্যায়ঃ ৩২/ যুদ্ধ-বিগ্রহ (كتاب الملاحم) (ই.ফা., হাদিসটি সহীহ] • উল্লেখ্য যে, সূরা কাহাফের প্রথম তিন আয়াত পাঠ সংক্রান্ত হাদিসটিকে আল্লামা আলবানী ‘শায’ হিসেবে যঈফের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ❝ আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) বলেন, "যে ব্যক্তি জুমআর রাতে সূরা আল-কাহফ পাঠ করবে, তার এবং প্রাচীন গৃহের (কাবা) মধ্যে একটি আলো প্রসারিত হবে।" (আল-দারিমী ৩৪০৭ দ্বারা বর্ণিত। এই হাদীছটিকে শাইখ আল-আলবানী ছহীহ আল-জামি, ৬৪৭১ এ সহীহ হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করেছেন) "যে ব্যক্তি জুমআর দিনে সূরা আল-কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য এক জুমআর থেকে পরের জুমা পর্যন্ত আলোকিত হবে।" (আল-হাকিম দ্বারা বর্ণিত, ২/৩৯৯; আল-বায়হাকী, ৩/২৪৯। এটিকে শাইখ আল-আলবানী সহীহ আল-জামি, ৬৪৭০-এ সহীহ হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করেছেন) ❝ Abu Sa’eed al-Khudri (May Allah be pleased with him) said, “Whoever reads Surah al-Kahf on the night of Jumu’ah, will have a light that will stretch between him and the Ancient House (the Ka’bah).” (Narrated by al-Daarimi 3407. This hadeeth was classed as saheeh by Shaykh al-Albaani in Saheeh al-Jaami, 6471) “Whoever reads Surah Al-Kahf on the day of Jumu’ah, will have a light that will shine from him from one Friday to the next.” (Narrated by al-Haakim, 2/399; al-Bayhaqi, 3/249. It was classed as saheeh by Shaykh al-Albaani in Saheeh al-Jaami’, 6470) সুতরাং আমরা চেষ্টা করব, সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করার এবং তিলাওয়াত করার পাশাপাশি সেগুলো মমার্থ উপলদ্ধি করত সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার। সেই সাথে যদি শেষ দশ আয়াতও মুখস্থ করা হয় তাহলে আরও উত্তম হয়। আর যদি পূরো সূরাটাই মুখস্থ করা হয় তাহলে সবচেয়ে উত্তম। Surah Al-Kahf ; Ali Abdulsalam Al-Yousuf Bangla Translation #علي_عبدالسلام_اليوسف #surahalkahf