মুক্তির মন্দির সোপান তলে (MUKTIRO MONDIRO SOPANO TOLE) || জাগরণের গান - দেশের গান
MUSIC WORLD
0:00 / 0:00
মুক্তির মন্দির সোপান তলে (MUKTIRO MONDIRO SOPANO TOLE) || জাগরণের গান - দেশের গান
3 151 712 просмотров · 8 л. назад
MUSIC WORLD
65,7 тыс. подписчиков
3 151 712 просмотров · 8 л. назад
মুক্তির মন্দির সোপানতলে
কত প্রাণ হল বলিদান,
লেখা আছে অশ্রুজলে ।।
কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,
বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙ্গা
তাঁরা কি ফিরিবে আজ সু-প্রভাতে,
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।।
যাঁরা স্বর্গগত তাঁরা এখনও জানেন
স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভুমি
এসো স্বদেশ ব্রতের মহা দীক্ষা লভি
সেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি।
যাঁরা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা,
মৌন মলিন মুখে জোগালো ভাষা
আজি রক্ত কমলে গাঁথা মাল্যখানি
বিজয় লক্ষ্মী দেবে তাঁদেরই গলে।
মুক্তির মন্দির সোপান তলে, কত প্রাণ হলো বলিদান, লেখা আছে অশ্রুজলে কত বিপ্লবি বন্ধুর রক্তে রাঙা, বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙা তাঁরা কি ফিরবে না আর? তাঁরা কি ফিরবে এই সুপ্রভাতে- যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে৷ গানটি কে লিখেছেন কেউ কি জানেন?
এই গানের রচয়িতা ও সুরকারের নাম বলার আগে বাংলার ইতিসের কিছু ধারাবাহিকতা আলোচনা করা যাক। বাংলাদেশ এমনই এক দেশ যা কিনা ২৫ বছরের কম সময়ের মধ্যে দুই দুই বার স্বাধীন হয়েছে। বায়ান্ন সালে বুকের তাজা রক্তে শাসকের হাত থেকে ভাষাকে স্বাধীন করতে হয়েছে। তারপর ৬২, ৬৭, ৬৯, ৭০, ৭১ একের পর এক রক্ত আর রক্ত দিতে হয়েছে। বিনিময়ে এল স্বাধীনতা। স্বাধীন হবার পরের চিত্র হয়ে গেল ভিন্ন। শুরু হল ক্ষমতার লোভ। এই পর্বে চলল হত্যা আর খুনের মহাকাল – বংগবন্ধুর, কর্নেল তাহেরের, নুর হোসেন ডঃ মিলনের মত হাজারো বাঙালির রক্তে রঞ্জিত হল স্বৈরাচারের হাত। এত কিছুর পরও শান্তি কি এল? কথায় আছে স্বাধীন হলেও মুক্তি সর্বদা মিলে না। আমাদের অবস্থাও তাই হয়েছে।
গনতন্ত্রের মুখশে এল স্বৈরাচার আর সামরিকের বেহায়া প্রজন্ম। বাঙালিকে ঘুম পাড়িয়ে লুটে নেয়া সম্পদে পাহাড় গড়ে তুলল সেই লোপটরা। আবার হরতাল মিছিল জ্বালাও পোড়াও মার মানুষ। এল গনতন্ত্রের মানষ কন্যা। কিন্তু ততদিনে দেশের রাজনৈতিক নৈতিকতার বেহাল দশা। লুটেরা, তোষামোদিরা চারিদিকে ঘিরে ফেলেছে। এদের বাদ দিয়ে না চালানো যায় রাজনীতি না চালানো যায় দেশ। বাঙালির কপালে দুর্গতি আর অপয়া নিয়তি হতে মুক্তি নাই। মৌলবাদের দোসর হয়ে আবার ফিরে এল স্বৈরাচারি সামরিক গোয়াল ঘর থেকে উদ্ভুদ্ধ দল। রক্তে যাদের দোষ থাকে তাদের কি সুস্থ হবার কোন উপায় আছে? তা না হলে ক্যান্টনমেন্ট থেকে উঠে আসা একটি দল কি করে মৌলাবাদের কাধে ভর করে?
যাক, গতবারের নির্বাচন থেকে শিক্ষা পেয়ে আমরা বুঝেছি গনতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে, প্রতিষ্টিত করতে হলে একটা পদ্ধতি চালু করা দরকার। সেই পদ্ধতি হতে হবে এমনি নিখুত নিচ্ছিদ্র যার ফাক ফোকড় দিয়ে কোন সামরিক জান্তা আবার না ঢুকে পরতে পারে। কিন্তু সেটাও সম্ভব হচ্ছে না। রক্ত আর রক্ত দিয়ে এটাকে রুখতে মানুষের কাছে আহ্বাবান জানানো হচ্ছে। আবারও ধাপ্পা দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে লুটে নিচ্ছে জান। যেন আমাদের জন্মই হয়েছে মৃত্যুর জন্য। এত রক্ত কেন দিতে হচ্ছে? কেন এর কোন স্থায়ী সমাধান নাই। আমাদের জীবন কি এইতই মুল্যহীন যে, যে চাইবে তাকেই দিয়ে দিতে হবে!! আর বেশি বলতে গেলে খেয় হারিয়ে গালিগালাজ চলে আসতে পারে। তার চেয়ে বরং গানের শেষ অংশা পড়ি।
যারা স্বর্গগত তারা এখনো জানে, স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভূমি এসো স্বদেশ ব্রতের মহা দীক্ষা লভি সেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি যারা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা, মৌন মলিন মুখে জাগালো ভাষা আজ রক্তকমলে গাঁথা আজ রক্তকমলে গাঁথা মাল্যখানি, বিজয়লক্ষী দেবে দেরি গলে মুক্তির মন্দির সোপান তলে... লেখা আছে অশ্রুজলে৷ শ্রী মোহিনী চৌধুরীর লেখা আর মান্না দের চাচা কৃষ্ণ চন্দ্র (কে সি) দে সুর করা মুক্তির সোপান তলে আর কোন রক্ত দেখতে চাইনা। চাই গনতন্ত্র তথা মানুষের মুক্তি – চাই ব্যাবসা সম্বল রাজনীতির অবসান, চাই সত্যিকারে একজন অকুতভয় নেতা যিনি বংগবন্ধুর মত স্বাধীনতার কথা বলতে পারবেন।
Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.