Перейти к содержимому

অফ সিজনে বিক্রি করে ১৮ লাখ টাকা আয় । বারোমাসি টক কুল । kalaroa ‪@farukraz‬

Faruk Raz

0:00 / 0:00

অফ সিজনে বিক্রি করে ১৮ লাখ টাকা আয় । বারোমাসি টক কুল । kalaroa ‪@farukraz‬

4 513 просмотров · 9 мес. назад
Faruk Raz
18,1 тыс. подписчиков
4 513 просмотров · 9 мес. назад
অফ সিজনে বারোমাসি টক কুল চাষে সাফল্য, ১০৩ গাছে ১৮ লাখ টাকার সম্ভাবনা। সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার ব্রজবাকসা গ্রামের কৃষক ও নার্সারি মালিক আব্দুল মাজেদ অসময়ের বারোমাসি টক কুল চাষে পেয়েছেন আশাতীত সাফল্য। তার নার্সারিতে বর্তমানে রয়েছে ১০৩টি বারোমাসি টক কুল গাছ। মৌসুমের বাইরে ফলন পাওয়ায় ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে। ১৯৯৫ সাল থেকে নার্সারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আব্দুল মাজেদ শুরুতে দর্জির কাজও করতেন। তবে গত সাত বছর আগে বাড়ির আঙিনায় থাকা এক টক কুল গাছ থেকেই তিনি গবেষণা শুরু করেন। দুই বছর আগে কলম সংগ্রহ করে সাতটি চারা রোপণ করেন এবং সেখান থেকে সফল হয়ে বর্তমানে একশ তিনটি গাছে এই জাতের চাষ করছেন। আব্দুল মাজেদ বলেন, আমার নার্সারিতে বর্তমানে ১০৩টি বারোমাসি টক কুল গাছ রয়েছে। এ অফ সিজনে শুধুমাত্র ফল বিক্রির মাধ্যমেই আমি প্রায় ১৮ লাখ টাকা আয় করতে পারব বলে আশা করছি। প্রতি গাছে গড়ে ১৭-১৮ হাজার টাকার মতো ফলন আসছে। এছাড়া প্রতিটি চারা ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, দেশের নানা প্রান্ত থেকে কৃষকরা এসে চারা সংগ্রহ করছেন। এই জাতের কুল বছরে তিনবার ফলন দেয়, এজন্য এটি কৃষকদের জন্য অনেক বড় সম্ভাবনা।” বর্তমানে অফ সিজনে কুল অনলাইনে ৩০০ টাকা কেজি দরে পাইকারি এবং খুচরা বাজারে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে করে চাহিদা যেমন বাড়ছে, তেমনি কৃষকদের আগ্রহও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম এনামুল হক বলেন, আব্দুল মাজেদের গবেষণা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। অসময়ে কুল ফলন হওয়ায় তিনি বেশি দামে বিক্রি করতে পারছেন। তবে বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য এই জাতটির বৈজ্ঞানিক গবেষণা খুবই জরুরি। আমরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে তাকে সব ধরনের টেকনিক্যাল সহায়তা দেব। এদিকে, চারা কিনতে আসা কৃষকরা জানাচ্ছেন, আগে বল সুন্দরী বা অন্যান্য জাতের কুল বছরে একবার ফলন দিত। কিন্তু এই কুল বছরে তিনবার ফলন দিচ্ছে এবং দামও অনেক বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এজন্য তারা বাণিজ্যিকভাবে চাষে আগ্রহী। তরুণ উদ্যোক্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, আমার চাষ করা কুল বছরে একবার ফলন দেয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগে এক মৌসুম নষ্ট হলে অনেক ক্ষতি হয়। কিন্তু বারোমাসি টক কুল বছরে তিনবার ফল দেয়, তাই একবার ক্ষতি হলেও অন্য দুই মৌসুম থেকে লাভ করা সম্ভব। এজন্য আমি এই জাতের কুল চাষ করার পরিকল্পনা নিয়েছি। মৌসুমের বাইরে গাছে সাদা ফুল ও সবুজ গুটি দেখে কৃষকরা বিস্মিত হচ্ছেন। হলুদ হয়ে আসা ফল বাগানে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।