Перейти к содержимому

ধর্ষণ মামলায় মেডিক্যাল ও ডিএনএ ম্যাসিং না হলে আসামী কী খালাস পাবে? Medical or DNA Report। Lawtipsbd

LAW TIPS BD

0:00 / 0:00

ধর্ষণ মামলায় মেডিক্যাল ও ডিএনএ ম্যাসিং না হলে আসামী কী খালাস পাবে? Medical or DNA Report। Lawtipsbd

3 809 просмотров · 7 мес. назад
LAW TIPS BD
125 тыс. подписчиков
3 809 просмотров · 7 мес. назад
ধর্ষণ মামলায় মেডিক্যাল ও ডিএনএ ম্যাসিং না হলে আসামী কী খালাস পাবে? Medical or DNA Report। Lawtipsbd বন্ধুরা আজ আলোচনা করব মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ও ডিএনএ টেষ্ট’র গুরুত্ব সম্পর্কে। যদি মেডিক্যালে ধর্ষণের প্রমাণ না মেলে কিংবা ডিএনএ টেষ্টে ভিকটিম ও আসামীর ম্যাসিং না করে তাহলে আসামী খালাস পাবে, না পারিপার্শ্বিক সাক্ষী ও বাস্তবতার নিরিখে আসামীর জেল হবে? এ বিষয়ে আমাদের প্রচলিত আইন ও বাস্তবতা কি বলে-তা নিয়ে কথা বলতে আমি--। কোন স্ত্রীলোকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার সাথে যৌন সংগম করা হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত স্ত্রীলোকের দেহের বা শরীরের কোন না কোন অংশে জখম বা আঘাতের চিহ্ন থাকবে এবং এটা মেডিক্যাল রিপোর্ট দ্বারা সমর্থিত হবে নতুবা তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না বলে মহামান্য হাইকোর্ট সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, যা ১৮ ডিএলআর ৯১ পাতায় উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ধর্ষিতার মেডিক্যাল রিপোর্ট না থাকলে প্রসিকিউশন কেস সন্দেহজনক হবে বলে ৯ বিএলডি, ৩১৪ পৃষ্ঠায় একটি সিদ্ধান্ত রয়েছে। আমাদের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী ৩২এ সংযোজন করা হয়েছে, ভিকটিমের পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও মেডিকেল পরীক্ষা করাতে হবে। হাইকোর্ট বিভাগ ২৫ বিএলসি ৬৫৯ পৃষ্ঠায় নির্দেশনা দেন, ধর্ষণ কিংবা সেক্্রসুয়াল এ্যাসাল্ট সম্পর্কিত মামলায় ডিএনএ টেষ্ট বাধ্যতামূলক। ধর্ষণের মামলায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ডিএনএ নমুনা পাওয়া যায় না, কেননা মামলা হয়তো করা হয় অপরাধ ঘটার অনেক পরে বা আলামতগুলো হয়তো জানার ঘাটতির কারণে ভিকটিম নষ্ট করে ফেলে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের সময় অপরাধী নিজেও ডিএনএ নমুনাগুলো মুছে ফেলার চেষ্টা করতে পারে বা আলামত নষ্ট করার জন্য ভিকটিমকে বাধ্য করতে পারে। পাশাপাশি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ একটি জটিল বিষয়ও বটে। সঠিকভাবে না করা গেলে ডিএনএ নমুনা দূষিত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাতে ফলাফল সঠিক আসবে না। অনিয়ম হোক আর অদক্ষতাই হোক, ডিএনএ পরীক্ষার ফল যদি নির্ভুল না আসে, তাহলে তা যেমন একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে ফাঁসিয়ে দিতে পারে, তেমনই একজন অপরাধীকেও সহজেই সাজামুক্ত করতে পারে। ব্যতিক্রম সম্পর্কে একটি কেস স্টাডি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করছি। খুলনায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অপরাধে স্থানীয় ট্রাইব্যুনাল আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদ-, সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদ-াদেশ দেন। রায়ের বিরুদ্ধে আসামি মহামান্য হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল দায়ের করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে হাইকোর্ট আসামির সাজা বহাল রেখে আবেদনটি খারিজ করে দেন। আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, ধর্ষণ মামলায় মেডিক্যাল রিপোর্ট মুখ্য নয়, ভুক্তভোগীর মৌখিক ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য দ্বারা আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার ভিত্তিতে আসামিকে সাজা প্রদান করা যেতে পারে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা না করানোর বিষয় তুলে ধরে রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছেন, ২০০৬ সালের ১৫ এপ্রিল ঘটনা ঘটে। আর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদেশ দেন ওই বছরের ১৭ মে। অর্থাৎ ৩২ দিন পর। দীর্ঘদিন পর পরীক্ষা করার কারণে ধর্ষণের কোনো আলামত না পাওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল। শুধু ডাক্তারি পরীক্ষা না করার কারণে প্রসিকিউশন পক্ষের মামলা অপ্রমাণিত বলে গণ্য হবে না। সেইসাথে ভুক্তভোগী দেরিতে মামলা করলেও তা মিথ্যা নয় বলেও রায়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট। কাজেই মেডিক্যাল রিপোর্ট ও ডিএনএ টেষ্ট প্রমাণিত না হলে আসামী যেমন খালাস পেতে পারে, তেমনি পারিপার্শ্বিক সাক্ষী ও বাস্তবতার নিরিখে মাননীয় আদালত আসামীকে সাজাও দিতে পারেন। এ বিষয়ে আপনাদের যদি আরও কিছু জানার দরকার হয় বিশেষ করে ধর্ষণ মামলায় আসামী পক্ষে জেরা, যুক্তিতর্ক, উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত কিংবা রিলেটেড অন্য কিছু তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ভিডিও’র স্কিনে মোবাইল নম্বর, ইমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর দেয়া আছে। আমরা উপযুক্ত সম্মানী প্রাপ্তির মাধ্যমে আপনাদের আইনী পরামর্শ #MedicalReport #DNATest #RapeCase #ForensicScience #JusticeForSurvivors #CriminalJustice #VictimSupport #EvidenceMatters #LegalAwareness #SexualAssaultPrevention #TruthUncovered #SpeakOut #SurvivorRights #MedicalEvidence #CrimeVictims #SupportSurvivors #AwarenessCampaign #LegalAid #RapeVictimAssistance #law_tips_bd #seraj_pramanik #rape