Перейти к содержимому

সড়কপথে চা-বাগান ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ভ্রমণ

Explopedia By Habib

0:00 / 0:00

সড়কপথে চা-বাগান ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ভ্রমণ

1 004 просмотра · 6 л. назад
Explopedia By Habib
2,31 тыс. подписчиков
1 004 просмотра · 6 л. назад
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে রয়েছে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এই সম্পদ একদিকে যেমন বৈচিত্র্যময় অন্যদিকে পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে অনন্য ও বৈশিষ্ট্যমন্ডিত। নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, প্রবাল দ্বীপ, সমুদ্রসৈকত, হাওর-বাঁওড়, চা বাগান, ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, পুরাকীর্তিসহ আরও অনেক পর্যটনের উপাদান নিয়ে আমাদের এই দেশ। বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চল তেমনি এক অসাধারণ পর্যটন স্থান। সিলেটকে বলা হয়ে থাকে দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ। মূলত বিস্তীর্ণ সবুজ মনোরম চা বাগানের জন্য এই উপাধি পেয়েছে সিলেট। এই অঞ্চলের যে দিকে চোখ যাবে সেদিকে চোখ জুড়াবে সবুজে ঘেরা চা বাগান। এ ছাড়া ছোট-বড় পাহাড়-টিলা, হাওর, নদী, বনাঞ্চল, ঝরনার অপরূপ সমারোহ নিয়ে পর্যটকদের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে সিলেট অঞ্চল। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত সিলেট বিভাগ । রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ১৩০ কিলোমিটার দূরে সিলেটের প্রবেশপথ মাধবপুরের অবস্থান।মূলতঃ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের শুরু এখান থেকই। সিলেটে রয়েছে উপমহাদেশের সর্বপ্রথম চা বাগান মালনীছড়া ও সর্ববৃহৎ সুরমা চা বাগান । এ অঞ্চলে আসা পর্যটকদের মন জুড়ায় সৌন্দর্যের রানী খ্যাত জাফলং,চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, নীলনদ খ্যাত স্বচ্ছ জলরাশির লালাখাল, পাথর জলের মিতালিতে বয়ে যাওয়া বিছনাকান্দির নয়নাভিরাম সৌন্দর্য, ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর, পাহাড় ভেদ করে নেমে আসা পাংথুমাই ঝরনা, সোয়াম্প ফরেস্ট রাতারগুল, ‘মিনি কক্সবাজার’ হাকালুকি এবং কানাইঘাটের লোভাছড়া,মাধবকুন্ডের জলপ্রপাত, মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সদরদপ্তর তেলিয়াপাড়া, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সৌন্দর্য। চারপাশে সবুজের সমারোহ, নীল আকাশের নিচে সবুজ গালিচা পেতে আছে সজীব প্রকৃতি সঙ্গে উঁচু-নিচু টিলা এবং টিলাঘেরা সমতলে সবুজের চাষাবাদ। এই সবুজ গালিচাই হলো সিলেটের চা বাগান। বিশ্বজুড়ে সিলেটের চা বাগানের খ্যাতি রয়েছে। দেশের মোট চায়ের ৯০ শতাংশই উৎপন্ন হয় সিলেটে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ হলেও প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে অন্যরকম ভালো লাগার ধারক হয়ে আছে সিলেটের চা বাগান। বাংলাদেশের মোট ১৬৩টি চা বাগানের মধ্যে ১৩৫টি রয়েছে বৃহত্তর সিলেটে। চা বাগানে বসে একটি দিন প্রকৃতির সঙ্গে কীভাবে কেটে যাবে তা টেরই পাওয়া যাবে না।আজকে আমরা ভিডিও ধারণ করেছি সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর-চুনারুঘাট পুরাতন ঢাকা রোডে।সড়কপথের সৌন্দর্য কত সুন্দর হতে পারে তারই অসাধারণ চিত্রায়ণ এটি।ঢাকা সিলেট হাইওয়ের মাধবপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্ত্বর থেকে কিছুদূর গেলেই আপনি হারিয়ে যাবেন সবুজের সমারোহে।ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ১৪০ কিলোমিটার। দিগন্ত জোড়া উঁচু নিচু পাহাড় টিলা বেষ্টিত চা বাগান। চোখে পড়বে আদিবাসী চা শ্রমিকদের কর্মমূখর জীবন। চা পাতা সংগ্রহ এবং চা গাছের পরিচর্যায় কাটে তাদের সিংহভাগ সময়।রাস্তার পাশেই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত প্রথম সদরদপ্তর। আপনি ভাববেন এ পথ যেনো শেষ না হয়।নাগরিক ব্যস্ততার পাশাপাশি একঘেয়েমি কাটিয়ে উঠতে এ পথে ভ্রমণ হতে পারে আপনার সতেজতার মূল টনিক।পথিমধ্যে পাবেন সবুজের আধার নান্দনিক সৌন্দর্যের এক লীলাভূমি সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। একটু বৃষ্টি হলে বনের সৌন্দর্য বেড়ে যায় বহুগুণ। বনের ভেতরে বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ।কানে আসবে বনমোরগের ডাক। চোখে ধরা পড়বে বানর ও চশমাপরা হনুমানের গাছে ছোটাছুটি। দৃশ্যমান সবকিছু আপনাকে দারুণভাবে শিহরণ জাগাবে। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানটি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়ে। উদ্যানের কাছাকাছি নয়টি চা- বাগান আছে। উদ্যানের পশ্চিমে সাতছড়ি এবং পূর্ব দিকে চাকলাপুঞ্জি চা-বাগান অবস্থিত। প্রিয় জনসহ এই পথে সিলেট ভ্রমণের শখ পূরণ করে একদিনেই ঢাকা ফিরতে পারবেন অনায়সে। বেশি বেশী ভ্রমণ করুন-জানুন প্রিয় মাতৃভূমিকে। আর ও হ্যা এটি আমাদের নতুন ইউটিউব চ্যানেল।ভালো লাগলে লাইক,সাবস্ক্রাইব, শেয়ার,কমেন্টস করুন।আপনার মূল্যবান মতামত বহুগুণ প্রেরণা জোগাবে আমাদের। ধন্যবাদ প্রিয় ভিউয়ার।