Перейти к содержимому

ছেলের অবহেলার মোক্ষম জবাব দিলেন মা: এক আত্মমর্যাদাশীল মায়ের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প।। Arafat Voice

Arafat Voice

0:00 / 0:00

ছেলের অবহেলার মোক্ষম জবাব দিলেন মা: এক আত্মমর্যাদাশীল মায়ের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প।। Arafat Voice

214 948 просмотров · 4 месяца назад
Arafat Voice
9,7 тыс. подписчиков
214 948 просмотров · 4 месяца назад
সাঙ্গলীর এক বনেদি পরিবারের গল্প এটি। সুমিত্রা বাঈ এবং আনন্দ রাও পাতিলের ৪৫ বছরের সাজানো সংসার ছিল সুখে ভরা। আনন্দ রাও ছিলেন দূরদর্শী মানুষ। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে সময়ের সাথে সাথে মানুষের মন বদলাতে পারে, এমনকি নিজের সন্তানেরও। তাই তিনি জীবদ্দশায় তার স্ত্রী সুমিত্রার ভবিষ্যতের জন্য কিছু অর্থ এবং সম্পত্তির ব্যবস্থা আলাদা করে করে যান, যা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় দূরদর্শিতা। ​আনন্দ রাওয়ের মৃত্যুর পর সুমিত্রা বাঈয়ের জীবনে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হয়। তার ছেলে রণজিৎ এবং ছেলের বউয়ের কাছে তিনি হয়ে ওঠেন এক বোঝা। রণজিৎ তাকে অপমান করে বলতে শুরু করে যে তিনি বিনা পরিশ্রমে বা "ফোকটে" খেয়ে যাচ্ছেন। নিজের জন্মদাত্রী মায়ের প্রতি ছেলের এমন অকৃতজ্ঞ আচরণ সুমিত্রা বাঈকে ভীষণভাবে মর্মাহত করে। ​কিন্তু সুমিত্রা বাঈ ভেঙে না পড়ে তার স্বামী রেখে যাওয়া সেই সম্পদ আর নিজের আত্মমর্যাদাকে পুঁজি করে এক কঠিন সিদ্ধান্ত নেন। তিনি প্রমাণ করে দেন যে মা হিসেবে তিনি যেমন স্নেহময়ী, তেমনি নিজের সম্মানের প্রশ্নে তিনি আপসহীন। ছেলের বাড়ি ছেড়ে তিনি নিজের নতুন পথ বেছে নেন এবং দেখিয়ে দেন যে বৃদ্ধ বয়সেও একজন মা কারো ওপর নির্ভর না করে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারেন। এটি কেবল একটি গল্প নয়, বরং বর্তমান সমাজের এক নগ্ন বাস্তবতা এবং প্রতিটি বাবা-মায়ের জন্য একটি বড় শিক্ষা।