Testing & tasting a new Dhak, which belongs to Rahul. 😇
Soumyajyoti 😈
0:00 / 0:00
Testing & tasting a new Dhak, which belongs to Rahul. 😇
411 просмотров · 5 мес. назад
Soumyajyoti 😈
75 подписчиков
411 просмотров · 5 мес. назад
Rahul Das এর ঢাক এর কাজ পরশু রাত একটায় সম্পন্ন হোলো। পরশু বাজিয়ে দেখার সুযোগ হয় নি। তাই গতকাল দুপুরে মাথার ওপর প্রায় মধ্য গগনে সূর্য কে নিয়ে,ঢাক টি বাজিয়ে আওয়াজ এর গুণমান দেখা হচ্ছিলো। প্রায় তিন বছর আগে রাহুল বলেছিল, "বাবান দা, টাকা জমিয়ে তোমার মত ঢাক করবো।" বলেছিলাম আজ থেকেই জমাতে শুরু কর। ধীরে ধীরে একটা একটা করে অঙ্গ জোগাড় করে করে শেষে সব কিছু জুড়ে (assemble) নেওয়া যাবে। সেই মত প্রচেষ্টায় একটু একটু করে প্রায় দেড় বছরে ওকে সাথে নিয়ে যন্ত্রের কাঠামোর কারখানা থেকে শুরু করে চামড়ার আড়ত পর্যন্ত সমস্ত জায়গায় ঘুরে আজ ওর ঢাক আজ সম্পূর্ণ রূপ পেলো। এখন শুধু নতুন ছোট্ (গরুর চামড়া নির্মিত ফিতা) আর নতুন ছাউনী পুরোপুরি ছড়ানো( streached) পর্যন্ত অপেক্ষা করে তারপর মোক্ষম টান দেওয়ার পরে রাহুল এর নতুন ঢাক কে নতুন পরিচ্ছদ পরানোর কাজ টাই বাকী আছে।
এই বিষয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ গুলো কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাবার, তারা হলেন
১) Asit Das দাদা আর তাঁর কারখানার সমস্ত কারিগর রা, যথা Narayan Das কাকা, অমিত দা, রাজু দা, শক্তি দা, সুজন দা আর শান্তনু। এবং অবশ্যই কাকু, শ্রীযুক্ত সতীশ চন্দ্র দাস। এনারা সকলেই নিজেদের প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পূর্ণ কাজ এর ব্যস্ততার মাঝেও ঢাক এর চাড়ি তৈরীর ব্যাপারে আমার আবদার গুলি কে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে পূরণ করেছেন। এবং প্রয়োজনে তাঁদের অভিজ্ঞতা দ্বারা আমার ভুল সিদ্ধান্ত গুলোর পরিশ্রুতিকরন ও করেছেন।
২) সুচরিতা রায় দি, যিনি তাঁর পাড়ার গাব গাছ থেকে নীলকন্ঠ দাদা কে দিয়ে গাব ফল পাড়িয়ে এনে নৈহাটি না দিয়ে গেলে, এবং কাঠে গাব জল প্রয়োগ এর সঠিক পদ্ধতি তাঁর বাবা মায়ের থেকে জেনে না জানালে রাহুল এর ঢাক এর এতো সুন্দর গাব পালিশ টি হোতো না। যেটা এই ঢাক কে বাইরের আবহাওয়ার তারতম্য অনুপাতে কাঠের সংকোচন প্রসারণ এর হার অনেকটাই কমিয়ে আনবে। এবং তৎসহ কাঠের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ছিদ্র গুলি কে বন্ধ করে কাঠ তথা ঢাক এর নাদ এর অনুরণন ( রেশ) কে অনেকাংশে বাড়িয়ে দেবে।
৩) প্রদীপ দা ও রূপা বৌদি, যাঁরা ঢাক এর চাক বানানো, চামড়া ডালানো এবং ঢাক ছাউনী করার পরেও সুন্দর একটি নরম ও আরামদায়ক কান্দড়ি /কান্দাসী বানিয়ে দিয়েছে। যেটা ঢাক বাজনার আনন্দ কে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেবে।
৪)এবং সর্বশেষ এবং সবচেয়ে বেশি কৃতিত্বের অধিকারী রাহুল নিজে। যাঁদের ছোটো খাটো সাধ ও স্বপ্ন পূরণ করার জন্য মাথার ওপর ছায়াদার বৃক্ষ থাকে না, তাঁরা নিজেরাই হয়ে ওঠে বিরাট বট।
রাহুল কে তার নতুন ঢাক এর জন্য অনেক শুভ কামনা।
আমার বাজনা এমনি ই পাতে দেওয়ার যোগ্য নয়, তার ওপর পরশু রাহুল এর নতুন ছোট্ ছাউনির (প্রথমাবস্থায় যা বেড়েই চলে বেশ কিছুক্ষণ) ঢাক টেনে আঙুল সমেত দু হাতের প্রতেকটা পেশী ই ব্যথা ছিলো। তাই বাজনার অনুর্বরতা কে নিজগুণে ক্ষমা ঘেন্না করে শুনে জানাবেন ঢাক এর আওয়াজ কেমন লাগলো। অবশ্যই হেডফোন ব্যবহার করে। 🙏😇