কারবালার জারি 2025 - শাহ হোসেনে জড়াইয়া - রিমা কাঙ্গালিনী Rima Kangalini Karbalar Jari
MB Gallery Folk
0:00 / 0:00
কারবালার জারি 2025 - শাহ হোসেনে জড়াইয়া - রিমা কাঙ্গালিনী Rima Kangalini Karbalar Jari
226 202 просмотра · 1 г. назад
MB Gallery Folk
204 тыс. подписчиков
226 202 просмотра · 1 г. назад
Karbalar Jari Song New 2025 কারবালার জারি গান ২০২৫
শাহ হোসেনে জড়াইয়া Shah Hussaine Joraiya
Singer: Rima Kangalini (রিমা কাঙ্গালিনী)
Lyrics: Shah Muhit Sarkar শাহ মোহিত সরকার, হবিগঞ্জ
Music: Ashim Bhowmik অসীম ভৌমিক
Music Arrengement, Rythm, Mix Master & Direction: Mostaque Bahar মোস্তাক বাহার
Dop : Sayem Khan & Sumon Debnath সায়েম খান ও সুমন দেবনাথ
Edit & Color: Dithi Das দিতি দাস
Production: MB Gallery Production House - এমবি গ্যালারি প্রোডাকশন হাউজ।
Any Query: Cell: 01767 661288 Email: mbgallerylink@gmail.com
#মহরমের_জারি #মহররমের_চান #কারবালার_জারি #জারিগান #rimakangalini #রিমাকাঙ্গালিনী
লিরিক্স : Lyrics :
শাহ হোসেনে জড়াইয়া নয়ন জল ফেলিয়া উঠলেন করিয়া হায় হায়
আল্লাহ দারুণ কারবালায় কাশেম আলী রণে যাইতে চাইলেন বিদায়
কাফেরও বেইমানে ঘিরিয়া রাখিলোরে কারবালার জমিনে
তবুও ভয় নাই কইলো চাচা আমি যাই মাত্তম করিলো কিমায়
আল্লাহ দারুণ কারবালায় কাশেম আলী রণে যাইতে চাইলেন বিদায়
জয়নব আসিলা কাশেবের বেশ দেখিয়া মাত্তম জুড়িলা
নূরেরই চেহেরা আজ বদন হইলো সারা হায়রে পানির পিপাসা
আল্লাহ দারুণ কারবালায় কাশেম আলী রণে যাইতে চাইলেন বিদায়
ফাতেমা সুকেরা সখিনা শুকায়না আজি কান্দিয়া সারা
পইরা চরণ তলে ভাসে নয়ন জলে তারা ধূলাতে লুটায়
আল্লাহ দারুণ কারবালায় কাশেম আলী রণে যাইতে চাইলেন বিদায়
কাশেম ঘোড়ায় উঠিলা কারবালার ময়দানে যাইয়া হাজির হইলা
চৌদিকে কাফিরগনে তীর মারে নূর বদনে (হায়রে) হইলেন নিরুপায়
আল্লাহ দারুণ কারবালায় কাশেম আলী রণে যাইতে চাইলেন বিদায়
অগণিত তীর বদনে বিদিলো কাশেম হইলেন অস্থির
প্রাণ পাখি গেল উড়ে দেহটি রইলো পড়ে (আল্লাহ) বলইন মুহিত শাহয়
আল্লাহ দারুণ কারবালায় কাশেম আলী রণে যাইতে চাইলেন বিদায়। (ঐ)
কারবালার কাহিনী বাংলা
কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিষ্টাব্দ বর্তমান ইরাকের কারবালা নামক প্রান্তরে সংগঠিত হয়েছিল। এই যুদ্ধটি ইসলামের নবী মুহাম্মদ (স) এর নাতি হোসাইন ইবন আলী এর অল্প কিছু সমর্থক-আত্মীয় এবং উমাইয়া খলিফা প্রথম ইয়াজিদ, যার বৈশ্যতা স্বীকার করতে হোসাইন অস্বীকার করেন, তার বিশাল সেনাবাহিনীর মধ্যে সংগঠিত হয়। এই যুদ্ধে হোসাইন এবং তার ছয় মাস বয়সী শিশুপুত্র আলী আল-আসগর ইবন হোসেইনসহ সকল সমর্থক নিহত হয় ও নারী এবং শিশুরা বন্দি হন। মুসলমানদের মতানুসারে নিহতদের সকলে 'শহীদ' হিসেবে অভিহিত হন এবং এই যুদ্ধ শিয়া মতাবলম্বীদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কেন্দ্রস্থলে অবস্থান করে।