হজরত আব্দুল্লাহ ও ইরানের বাদশা জেলে ঘটনা┇পীরজাদা জুনায়েদ সিদ্দিকী ওয়াজ┇pirzada junaid siddiqui waz
Nobi Amar Neta
0:00 / 0:00
হজরত আব্দুল্লাহ ও ইরানের বাদশা জেলে ঘটনা┇পীরজাদা জুনায়েদ সিদ্দিকী ওয়াজ┇pirzada junaid siddiqui waz
9 164 просмотра · 1 месяц назад
Nobi Amar Neta
1,26 тыс. подписчиков
9 164 просмотра · 1 месяц назад
হজরত আব্দুল্লাহ ও ইরানের বাদশা জেলের ভিতর রাখার ঘটনা┇পীরজাদা জুনায়েদ সিদ্দিকী ওয়াজ┇pirzada junaid siddiqui waz
হযরত উমর ফারুক (রা.)-এর খিলাফতের যুগে ইসলামের দাওয়াত পৃথিবীর নানা প্রান্তে পৌঁছে যেতে থাকে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সাহাবায়ে কেরাম জীবন বাজি রেখে বিভিন্ন দেশে ইসলামের বাণী প্রচার করতেন। দাওয়াতের এই মহান কাজে তারা অসংখ্য কষ্ট, নির্যাতন ও পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন।
এক বর্ণনায় উল্লেখ করা হয় যে, একজন সাহাবী ইসলামের দাওয়াত দিতে গিয়ে শত্রু শাসকের হাতে বন্দী হন। তাঁকে কারাগারে আটকে রাখা হয় এবং ঈমান থেকে ফিরিয়ে আনতে নানা প্রলোভন দেখানো হয়। এমনকি সুন্দরী নারী পাঠিয়েও তাঁর ঈমান নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেন, "আমি একমাত্র আল্লাহরই ইবাদত করি। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই
যখন কোনো প্রলোভনেই তিনি নতি স্বীকার করলেন না, তখন তাঁকে কঠোর শাস্তির ভয় দেখানো হয়। কিন্তু তাঁর ঈমান একটুও টলেনি। তিনি আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে সব কষ্ট ধৈর্যের সঙ্গে সহ্য করেন এবং তাওহীদের ওপর অটল থাকেন।
এই ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয় যে, একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার ঈমান। দুনিয়ার কোনো লোভ, ভয় বা নির্যাতন যেন তাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করতে না পারে। যারা আল্লাহর জন্য ধৈর্য ধারণ করে এবং ঈমানের ওপর অটল থাকে, আল্লাহ তাআলা তাদের মর্যাদা দুনিয়া ও আখিরাতে সমুন্নত করেন।