Перейти к содержимому

চোখে জল আসার মতো বাবা এবং ছেলে ঘটনা 😢 | Maulana Tariq Jamil | New Bangla subtitle 2025 #islamicvideo

Hussain 4710

0:00 / 0:00

চোখে জল আসার মতো বাবা এবং ছেলে ঘটনা 😢 | Maulana Tariq Jamil | New Bangla subtitle 2025 #islamicvideo

92 642 просмотра · 1 г. назад
Hussain 4710
63,3 тыс. подписчиков
92 642 просмотра · 1 г. назад
সব ভিডিও ইউটিউব চ্যানেলের মধ্যে আপলোড দেওয়া সম্ভব হয়না তাই আপনারা চাইলে ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে পারেন। Facebook Page : Hussain 4710 . . . . . ইসলামে বাবাকে দেওয়া হয়েছে অনন্য মর্যাদা। ইসলামে আপন বাবা ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে জন্ম পরিচয় সম্পর্কযুক্ত করতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। বংশের ধারাবাহিকতা রক্ষার ক্ষেত্রেও বাবাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে ইসলাম। এমনকি ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, শ্রদ্ধা-ভক্তি বা সম্মান প্রদর্শনের জন্য জন্মদাতা বাবা ছাড়া অন্য কাউকে বাবা বলে ডাকতে বা পরিচয় দিতে নিষেধ করা হয়েছে। এ দৃঢ় অবস্থানের মাধ্যমেই বোঝা যায়, ইসলাম বাবাকে কতটুকু মর্যাদার আসনে সমাসীন করেছে। রাসূল (সা.) বাবার মর্যাদা সম্পর্কে বলেছেন, ‘বাবার সন্তুষ্টিতে আল্লাহতায়ালা সন্তুষ্ট হন; বাবার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহতায়ালা অসন্তুষ্ট হন’। এ কারণেই ইসলাম বাবা-মায়ের সঙ্গে অন্যায় আচরণকে গুনাহের কাজ বলে বিবেচনা করেছে। পবিত্র কুরআনে অনেকবার বাবা-মার প্রতি সন্তানের সদ্ব্যবহার করা অসৎ আচরণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমার পালনকর্তা আদেশ প্রদান করছেন যে, তাকে ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে সদ্ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ বা উভয় যদি জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়। তবে তাদের ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদের সঙ্গে শিষ্টাচারপূর্ণ কথা বলো। (সূরা বনি ইসরাইল : আয়াত ২৩)। এখানেই শেষ নয়। ইসলাম শুধু বাবাকে সম্মানিত করেই থেমে যায়নি। বাবার পাশাপাশি বাবার বন্ধুদেরও সম্মান দেওয়ার কথা বলেছে। মহানবি (সা.)-এর যুগে এক সাহাবির বাবা মারা যাওয়ার পর রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে জানতে চেয়েছিলেন; বাবার ওপর তার কোনো দায়িত্ব আছে কিনা? তখন আল্লাহর রাসূল তাকে বাবার বন্ধুদের সঙ্গে ভালো ব্যবহারের আদেশ করেন। বাবার বন্ধু বাবার জীবনে সুখ-দুঃখের সঙ্গী। তাদের সম্মান জানানো মানে বাবাকে সম্মান জানানো। তাদের ভালোবাসার মধ্যেই বাবার ভালোবাসা। আবু উসাইদ (রা.) বলেন, একবার আমরা রাসূল (সা.)-এর কাছে বসা ছিলাম। এমন সময় বনি সালামা গোত্রের এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! বাবা-মার মৃত্যুর পর তাদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার দায়িত্ব আমার ওপর রয়েছে কি? তা কীভাবে করতে হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাদের জন্য দোয়া করা। তাদের গুনাহের ক্ষমা প্রার্থনা করা, তাদের অঙ্গীকারগুলো পূর্ণ করা, তাদের আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা। তাদের বন্ধু-বান্ধবদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৪)। বটবৃক্ষের নিচে যেমন মানুষ বিশ্রাম নেয়। তেমনি আমরাও আমাদের বাবা নামক বটবৃক্ষের নিচে আশ্রয় গ্রহণ করে থাকি। তাই আদর্শ সন্তান হিসাবে আমাদের উচিত বাবার সঙ্গে শিষ্টাচার বজায় রাখা ও ইসলামের নির্দেশনার পরিপন্থি না হলে সব আদেশ নিষেধ মান্য করে চলা এবং তার মৃত্যুর পর মাগফিরাত কামনায় আল্লাহতায়ালার কাছে দোয়া করা। পাশাপাশি বাবার সব অঙ্গীকারগুলো পূরণ করা। তার সব আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার এবং সম্মান প্রদর্শন করা।