Перейти к содержимому

পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার পর মামলা হলে কি করবেন? পালিয়ে বিয়ে করার রিস্ক? Legal consequences

Adv. Asraful Faruque

0:00 / 0:00

পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার পর মামলা হলে কি করবেন? পালিয়ে বিয়ে করার রিস্ক? Legal consequences

172 558 просмотров · 5 лет назад
Adv. Asraful Faruque
23,6 тыс. подписчиков
172 558 просмотров · 5 лет назад
#পালিয়েবিয়ে #CourtMarriage #AsrafulFaruque What are the legal implications of running away with a woman for getting married এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে : 1. পালিয়ে বিয়ে করলে কি কি আইনি ঝামেলায় পড়তে হবে? 2. মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচার উপায়। 3. পালিয়ে বিয়ে করা কি হারাম? 4. পালিয়ে বিয়ে করলে কি সেই বিয়ে বৈধ হবে? 5. মিথ্যে অপহরণের মামলা থেকে বাঁচবেন কিভাবে? 6. মিথ্যে ধর্ষণের মামলা থেকে বাঁচবেন কিভাবে? 7. মিথ্যে নারী নর্যাতনের মামলা থেকে বাঁচবেন কিভাবে? অপহরণের মামলা? 8. কোর্ট ম্যারেজ বা পালিয়ে বিয়ে করলে কি বিয়ে হবে? আইন কি বলে? কোর্ট ম্যারেজ কি? কোর্ট ম্যারেজ কিভাবে করতে হয়? কোর্ট ম্যারেজ করতে কি কি লাগে? Court Marriage? Link:    • কোর্ট ম্যারেজ কি? কোর্ট ম্যারেজ কিভাবে করত...   অনেকেই পিতা মাতার অমতে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে থাকেন। পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার পর সাধারণত দেখা যায় মেয়ের পিতামাতা ছেলের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা করেন। পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার পর মামলা হলে কি করবেন সেই সম্পর্কে আমাদের আজকের এই ভিডিও।আইনের টুকিটাকি বিষয় গুলো সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ায় আমাদের উদ্দেশ্য।আইন জানলে আপনি তা মানতে পারবেন। আর আইন মানলে সুন্দর স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। ভিডিওটি ভাল লাগলে লাইক ও কমেন্ট করুন। কোর্ট ম্যারেজ বলতে সাধারণত হলফনামার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিয়ের ঘোষণা দেওয়াকেই বোঝানো হয়ে থাকে। এ হলফনামাটি ২০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখে নোটারি পাবলিক কিংবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। এটি বিয়ের ঘোষণা মাত্র। যে ধর্মেই হোক না কেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক আইন অনুযায়ী প্রথমে বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে। তারপর তাঁরা ইচ্ছা করলে এ হলফনামা করে রাখতে পারেন। মুসলিম আইনে বিয়ে নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। হিন্দু আইনে বিয়ে নিবন্ধন ঐচ্ছিক করা হয়েছে। ছেলেমেয়ে মুসলমান হলে কাবিননামা সম্পন্ন করে না থাকলে স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে দাবি করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। পালিয়ে বিয়ে করলেই কি অপহরণ মামলা? বিয়ের প্রথম শর্ত হচ্ছে ছেলেমেয়েকে প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। ছেলের বয়স ২১ ও মেয়ের বয়স ১৮-এর ১ দিনের কম হলেও বয়স গোপন করে বিয়ে করলে মামলা-মোকদ্দমায় পড়ার আশঙ্কা থাকবে। বিশেষ করে মেয়ের বয়স ১৮-এর কম হলে মেয়ের অভিভাবক অপহরণের মামলা ঠুকে দিলে ছেলেটির বড় ধরনের জেল-জরিমানার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার মেয়েটি আদালতে গিয়ে স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছে মর্মে জবানবন্দি দিলেও প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ হেফাজতেও থাকা লাগতে পারে। তাই নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে করতে গেলে আইনকানুনও মানতে হবে। তবে মেয়ে যদি প্রাপ্তবয়স্ক হন, তাহলে অপহরণের মামলা করেও কোনো লাভ হয় না। বরং মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মামলা দায়েরকারীকেই উল্টো সাজা পেতে হয়। যা মনে রাখতে হবে ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন কে না দেখে। তাই বলে স্বপ্নে একেবারে অন্ধ হয়ে গেলে হবে না। অনেক সময় ভালোবাসার মানুষটিই হয়ে যেতে পারে প্রতারক। দু-একটি ঘটনায় দেখেছি, বিয়ের নামে ভুয়া বিয়ের দলিল তৈরি করে মেয়েটির সঙ্গে কয়েক দিন স্বামী-স্ত্রীর মতো একান্ত সময় কাটিয়ে ছেলেটি সরে পড়ে। হয়ে পড়ে নিরুদ্দেশ। তখন মেয়েটি পড়ে যায় বিপদে। অনেক সময় মেয়েটি গর্ভবতীও হয়ে পড়ে। ফলাফল, বিয়ে প্রমাণ করতে না পেরে সইতে হয় অপমান-বঞ্চনা। তাই ভালোবাসায় আস্থা থাকবে, কিন্তু তার সঙ্গে সঙ্গে হতে হবে একটু সচেতন। বিয়ে করলে কাবিননামা বা বিয়ের দলিল দুজনের কাছেই রাখতে হবে। আর শুনতে খারাপ লাগলেও ভালোবাসার মানুষটির হাত ধরে বেরিয়ে আসার আগে একটু ভালো করে খোঁজখবর নিয়েই নেন না। বিয়ে তো আর ছেলেখেলা নয়। Hi there, I am Md. Asraful Faruque Chowdhury. Advocate District and Sessions Judge’s Court, Chattogram, Bangladesh. Chamber: 17, Ground Floor, Zilla Parishad Super Market, Laldighi, Kotwali, Chattogram-4000, Bangladesh. Phone: 01672-536940. I usually make videos regarding the laws of Bangladesh. Social media (@AdvAsrafulFaruque). বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই চ্যানেলে প্রকাশিত সকল ভিডিও শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের মাঝে আইনের মৌলিক বিষয়সমূহ সম্পর্কে ধারণা প্রদান এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এই চ্যানেলে প্রকাশিত কোনো ভিডিওকে কোনোভাবেই আইনি পরামর্শ (Legal Advice) হিসেবে গণ্য করা যাবে না। কোনো ব্যক্তি এই চ্যানেলের ভিডিও দেখে স্ব-উদ্যোগে কোনো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করলে, তার ফলে উদ্ভূত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো প্রকার ক্ষতি, লোকসান বা অসুবিধার জন্য এই চ্যানেল বা এর মালিক কোনোভাবেই দায়ী থাকবেন না। সকল দর্শককে অনুরোধ করা হচ্ছে, যে কোনো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই একজন যোগ্য আইনজীবীর সঙ্গে সরাসরি পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।