লালবাগ কেল্লার গোপন সুড়ঙ্গ পথের অজানা রহস্য #লালবাগ_কেল্লা @Travel100bd
Travel100bd
0:00 / 0:00
লালবাগ কেল্লার গোপন সুড়ঙ্গ পথের অজানা রহস্য #লালবাগ_কেল্লা @Travel100bd
14 просмотров · 1 дн. назад
Travel100bd
8 подписчиков
14 просмотров · 1 дн. назад
লালবাগ কেল্লার গোপন সুড়ঙ্গ পথের অজানা রহস্য। #লালবাগ_কেল্লা@Travel100bd #লালবাগকেল্লা
লালবাগ কেল্লার সুড়ঙ্গ নিয়ে নানা ধরনের ঐতিহাসিক তথ্য, জনশ্রুতি ও রহস্য প্রচলিত রয়েছে।
সুড়ঙ্গের ইতিহাস ও উদ্দেশ্য
মুঘল আমল: ১৬৭৮ সালে যুবরাজ মুহাম্মদ আজম শাহ লালবাগ কেল্লার (তৎকালীন কিল্লা আওরঙ্গবাদ) নির্মাণকাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে সুবাদার শায়েস্তা খাঁ এর কাজ এগিয়ে নেন।
পালানোর পথ: ঐতিহাসিকদের মতে, এই সুড়ঙ্গগুলো তৈরি করা হয়েছিল মূলত মুঘল সুবাদার বা শাসকদের যুদ্ধকালীন বা বিপদের মুহূর্তে নিরাপদে সরে যাওয়ার বা পালানোর গোপন পথ হিসেবে।
সংযোগস্থল: স্থাপত্যবিদ ও গবেষকদের ধারণা অনুযায়ী, এই সুড়ঙ্গগুলোর কোনোটি বুড়িগঙ্গা নদী পার হয়ে ওপারে অবস্থিত জিনজিরা দুর্গ পর্যন্ত, আবার কোনোটি প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে টঙ্গী নদী বা অন্য কোনো জলাধারের সঙ্গে যুক্ত ছিলো।
প্রচলিত রহস্য ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ: ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সময় পরাজিত অনেক সিপাহী ব্রিটিশ সেনাদের হাত থেকে বাঁচতে এই সুড়ঙ্গে প্রবেশ করেছিলেন এবং আর কখনো ফিরে আসেননি বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এমনকি তাদের ধাওয়া করতে গিয়ে ব্রিটিশ সেনাও অনেকে হারিয়ে যান।
কুকুর ও হাতি প্রেরণের পরীক্ষা: প্রচলিত কাহিনী অনুসারে, সুড়ঙ্গের রহস্য উদ্ঘাটন করতে ব্রিটিশ গবেষকরা ওই সুড়ঙ্গের ভেতরে কুকুর এবং হাতি পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তাদেরও আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
কুকুর না ফেরার তথ্য: পরবর্তীতেও নাকি পরীক্ষা করে দেখার জন্য সুড়ঙ্গে কুকুর নামানো হয়েছিল; চেইন ফিরে আসলেও কুকুরগুলো আর ফিরে আসেনি—এমন কথা প্রচলিত রয়েছে।
বর্তমান অবস্থা: নিরাপত্তার কারণে এবং ভেতরের অন্ধকারের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার ও কেল্লা কর্তৃপক্ষ এই সুড়ঙ্গগুলো স্থায়ীভাবে সিল বা বন্ধ করে দিয়েছেন। এর ভেতর বিষাক্ত গ্যাস বা অন্ধকূপের মতো গোলকধাঁধা রয়েছে বলেও ধারণা করা হয়।