Перейти к содержимому

তিন বিঘা করিডোর ভ্রমণ🇧🇩মূল বাংলাদেশ 🇮🇳 ভারতীয় এলাকার মধ্যকার তিন বিঘা করিডোর 🇧🇩 দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা

Haat Ghate Rabit

0:00 / 0:00

তিন বিঘা করিডোর ভ্রমণ🇧🇩মূল বাংলাদেশ 🇮🇳 ভারতীয় এলাকার মধ্যকার তিন বিঘা করিডোর 🇧🇩 দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা

210 просмотров · 13 дней назад
Haat Ghate Rabit
97 подписчиков
210 просмотров · 13 дней назад
🌾 শুরুটা: ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ভাগ হওয়ার সময় বর্তমান লালমনিরহাটের পাটগ্রাম এলাকায় দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) অংশে থেকে যায়। কিন্তু সমস্যা ছিল—এই দুটি এলাকা চারদিক থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঘেরা ছিল। অর্থাৎ, মানচিত্রে জায়গাটি পাকিস্তানের, কিন্তু চারপাশে ভারত। ফলে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। � Chped +1 🇧🇩🇮🇳 ১৯৭৪: মুজিব–ইন্দিরা চুক্তি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিষয়টি সমাধানের জন্য ১৬ মে ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী স্থলসীমান্ত চুক্তি করেন। এই চুক্তিতে দহগ্রাম–আঙ্গরপোতাকে বাংলাদেশের সঙ্গে রাখার পাশাপাশি তাদের মূল বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে থাকা ১৭৮ মিটার × ৮৫ মিটার জমি ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়। এই জায়গাটিই পরে তিন বিঘা করিডোর নামে পরিচিত হয়। � Prothom Alo +1 সহজ করে বললে: মূল বাংলাদেশ 🇧🇩 → ভারত 🇮🇳-এর ছোট অংশ → দহগ্রাম–আঙ্গরপোতা 🇧🇩 তবে চুক্তি হওয়ার পরও সঙ্গে সঙ্গে মানুষ চলাচল শুরু করতে পারেনি। ⏳ ১৯৭৪–১৯৯২: দীর্ঘ অপেক্ষা ১৯৭৪ সালের চুক্তির পরও প্রায় ১৮ বছর বিষয়টি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় ছিল। ভারতের অভ্যন্তরীণ সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতার কারণে করিডোরটি তখনই কার্যকর হয়নি। � Tin Bigha Corridor +1 এই সময় দহগ্রাম–আঙ্গরপোতার মানুষের জন্য মূল বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ অত্যন্ত কঠিন ছিল। 🤝 ১৯৮২: আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা ১৯৮২ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তিন বিঘা করিডোর নিয়ে নতুন সমঝোতা হয়। করিডোরটি বাংলাদেশকে স্থায়ীভাবে ব্যবহারের জন্য ইজারা দেওয়ার ব্যবস্থা এগিয়ে যায়। � Prothom Alo কিন্তু বাস্তবে মানুষকে করিডোর দিয়ে চলাচলের সুযোগ পেতে আরও প্রায় এক দশক অপেক্ষা করতে হয়। 🚪 ২৬ জুন ১৯৯২: অবশেষে করিডোর খুলল অবশেষে ২৬ জুন ১৯৯২ সালে তিন বিঘা করিডোর বাংলাদেশের দহগ্রাম–আঙ্গরপোতার মানুষের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। প্রথম দিকে কিন্তু ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকত না। নির্দিষ্ট সময় পরপর গেট খোলা হতো এবং মানুষ সেই সময়ের মধ্যে যাতায়াত করত। � Daily Bangladesh +1 ভাবুন, একজন মানুষকে হাসপাতালে যেতে হবে—কিন্তু আগে তাকে দেখতে হবে করিডোরের গেট কখন খুলবে। সময় মিস করলে আবার অপেক্ষা করতে হবে। এ কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবন অনেক কঠিন ছিল। 🕕 ২০০১: সময় বাড়ল ২০০১ সালে করিডোর খোলা রাখার সময় আরও বাড়িয়ে প্রায় ১২ ঘণ্টা করা হয়। এতে আগের তুলনায় মানুষের চলাচল সহজ হয়, কিন্তু রাতের বেলায় আবার সমস্যা থাকত। � Daily Bangladesh +1 🕛 ২০১১: সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এরপর আসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে তিন বিঘা করিডোর ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়। � Anonymous View +1 আর ১৯ অক্টোবর ২০১১ সালে করিডোরটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২৪ ঘণ্টা চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়। � Chped +1 এর ফলে দহগ্রাম–আঙ্গরপোতার মানুষ আর শুধু নির্দিষ্ট সময়ের গেট খোলার ওপর নির্ভরশীল থাকল না। 🗺️ পুরো ঘটনাটা এক লাইনে মনে রাখুন ১৯৭৪ → চুক্তি ⬇️ ১৯৮২ → করিডোর ব্যবহারের বিষয়ে নতুন সমঝোতা ⬇️ ১৯৯২ → তিন বিঘা করিডোর দিয়ে চলাচল শুরু ⬇️ ২০০১ → চলাচলের সময় ১২ ঘণ্টা ⬇️ ২০১১ → ২৪ ঘণ্টা চলাচলের সুযোগ