রূহের রহস্য #দেওয়ানবাগী হুজুর
Dr. Nur-E-Khuda Al-Azhari (M.A.)
0:00 / 0:00
রূহের রহস্য #দেওয়ানবাগী হুজুর
10 829 просмотров · 8 дн. назад
Dr. Nur-E-Khuda Al-Azhari (M.A.)
2,63 тыс. подписчиков
10 829 просмотров · 8 дн. назад
মোহাম্মদী ইসলামের একমাত্র মোর্শেদ
সূফী সম্রাট হযরত শাহ দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলাজানের অমীয় বানী মোবারক
তারিখ: ১৩ জুন ২০০৮ খ্রি.
সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী) হুজুরের শিক্ষা
পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “তারাই সফলকাম যারা আত্মাশুদ্ধ করেছে, প্রভুর নামের জ্বিকির করে ও নামাজ কায়েম করে” (সূরা আ’লা; আয়াত-১৪ ও ১৫)। এ কারণে সূফী সম্রাট হুজুর কেবলা প্রধানতঃ আত্মশুদ্ধি, দীল জিন্দা ও নামাজে হুজুরী- এ তিনটি বিষয় শিক্ষা দিয়ে মানুষকে সুন্দর চরিত্রের অধিকারী করে আশেকে রাসূল বানিয়ে থাকেন।
০১। পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “যে ব্যক্তি আত্মাকে পুতঃপবিত্র রাখল, সে সাফল্য লাভ করলো। আর যে ব্যক্তি আত্মাকে কলুষিত করল, সে ধ্বংস হয়ে গেল” (সূরা শামস; আয়াত- ৯ ও ১০)। এজন্য সূফী সম্রাট হুজুর মানুষকে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর ওয়াজিফা পালনের মাধ্যমে আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জন করে আদর্শ চরিত্রবান হওয়ার শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
০২। পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “যাদের ক্বালব আল্লাহর জ্বিকির থেকে গাফেল রয়েছে, তারা প্রকাশ্য গোমরাহ্ বা পথভ্রষ্ট” (সূরা যুমার, আয়াত-২২)। তাই সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী হুজুর মানুষকে ক্বালবে আল্লাহর জ্বিকির জারির শিক্ষা দিয়ে গোমরাহী থেকে উদ্ধার করে ঈমানের পথে চলার শিক্ষা দেন। মহান আল্লাহ্ তায়ালা এরশাদ করেন, “তোমরা যখন নামাজ শেষ কর তখন দাঁড়ানো, বসা ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহর জ্বিকির কর” (সূরা নিসা, আয়াত-১০৩)। মহান আল্লাহ্ তায়ালার এ নির্দেশ পালন করে মানুষ যাতে সর্বসময় ক্বালবে আল্লাহর জ্বিকির জারি রেখে অজ্ঞান অবস্থায়ও ঈমানের সাথে মৃত্যু বরণ করতে পারে, এজন্য তিনি মানুষকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্বালবে আল্লাহর জ্বিকির জারির শিক্ষা দেন।
০৩। হাদীস শরীফে বলা হয়েছে, “যে নামাজে দুনিয়ার চিন্তা আসে, সে নামাজ কবুল হয় না।” মুমিন-মুসলমানগণ যাতে দুনিয়ার চিন্তামুক্ত হয়ে একাগ্রতার সাথে আল্লাহ্ তায়ালাকে হাজির-নাজির জেনে নামাজ আদায় করতে পারেন, তিনি সেই পদ্ধতি শিক্ষা দেন। তাঁর নিয়ম অনুসরণ করলে মুসুল্লীদের নামাজে দুনিয়ার কোন চিন্তা আসে না। ফলে তারা নামাজের পরিপূর্ণ ফায়েজ, বরকত ও রহমত হাসিল করতে পারেন। এমনকি কেউ কেউ “নামাজ মুমিন ব্যক্তির জন্য মে’রাজ”- এ হাদীসের বাস্তবতা উপলব্ধি করতে সক্ষম হন।
০৪। পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “(হে হাবীব) আপনি বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালবাসতে চাও তবে আমার অনুসরণ কর, তাহলে আল্লাহ্ তোমাদের ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিবেন” (সূরা আলে ইমরান, আয়াত-৩১)। হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, হযরত রাসূল (সঃ) ফরমান, “যে ব্যক্তি নিজের জান-মাল, পিতা-মাতা, সন্তান-সন্তুতি যাবতীয় সব মানুষের চেয়ে আমাকে বেশি ভাল না বাসবে সে মু’মিন হতে পারবে না” (বোখারী ও মুসলিম শরীফ)। এজন্য সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর তাঁর অনুসারীদের হযরত রাসূল (সঃ)-এর মহব্বত হাসিল করার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৭২২ বার দরূদ শরীফ এবং রহমতের সময় অর্থাৎ- তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত ও এ’শার ওয়াক্তের নামাজের পর মিলাদ শরীফ পড়ার ও মোরাকাবা করার শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
সূফী সম্রাট হুজুর কেবলা হযরত রাসূল (সঃ)-এর জীবন দর্শন অনুযায়ী মানুষকে এলমে শরীয়ত, তরীকত, হাকীকত ও মারেফতের আলোকে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনকে সুন্দর ও শান্তিময় করে গড়ে তুলেন।
সূফী সম্রাটের ধর্মীয় সংস্কারঃ
৫. আমরা জানতাম রাসুল (সাঃ)- ‘১২-ই রবিউল আওউয়াল’ জন্ম লাভ করেছেন এবং ঐ দিনেই তিনি ওফাত লাভ করেছেন । যার কারণে আমরা এই দিনে “ফাতেহা ই ওয়াজ-দহম” অর্থাৎ “সিরাতুন্নবি” পালন করতাম । কিন্তু সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী হুজুর কুরআন, হাদিস ও অকাট্য দলীল দিয়ে প্রমাণ করলেন, রাসুল (সাঃ)- ‘১২-ই রবিউল আওউয়াল’ ওফাত লাভ করেন নাই, তিনি ‘১-লা রবিউল আওউয়াল’ ওফাত লাভ করেন। ‘১২-ই রবিউল আওউয়াল’ বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ)-এর শুভ জন্ম দিন। তিনি ঈদ-এ মিলাদুন্নবী-র গুরুত্ত তুলে ধরে এই দিন-কে সৃষ্টি -কূলের শ্রেষ্ঠ ঈদ হিসাবে ঘোষণা করেন । পরবর্তীতে ‘১২-ই রবিউল আওউয়াল’ পবি্ত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সাঃ) জাতীয়ভাবে ধুমদামের সাথে পালিত হতে শুরু করে।
৭. সমগ্র বিশ্ব-বাসী মানুষের বদ্ধ-মূল ধারণা ছিল রাসুল(সাঃ)-গরীব ছিলেন । তিনি ইহুদির বাগানে খেজুরের বিনিময়ে কুপ থেকে বালতি দিয়ে পানি তুলতেন, তিনি ৭০- তালি-ওয়ালা জামা পরিধান করতেন । কিন্তু সূফী-সম্রাট দেওয়ানবাগী (মাঃআঃ) হুজুর বলেন, “পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, হে হাবিব ! আমি আপনাকে অসহায় অবস্থায় পেলাম, অতঃপর আপনাকে সম্পদশালী করেছি।” (সূরা- দু’ হা, আয়াতঃ ৮)
হাদিস-শরীফে বর্ণিত হয়েছে, হযরত রাসুল (সঃ) ফরমান, “আল্লাহ্ তা-আলা পৃথিবীর যাবতীয় ধন- ভাণ্ডারের চাবি আমার হাতে দিয়েছেন ।” (বুখারি-শরীফ,মুসলিম-শরীফ) ইতিহাস থেকে জানা যায়, হযরত রাসুল (সঃ) বিদায় হাজ্জ-এ ১০০-উট কুরবানী করেছিলেন। কুরআন, হাদিস ও ইতিহাসের অকাট্য দলীল দিয়ে প্রমানিত হয় রাসুল(সঃ) ধনী তো ছিলেন-ই দু- জাহানের বাদশাও ছিলেন। তিনি কখনো গরীব ছিলেন না । সূফী- সম্রাট হুজুর-কেবলার অকাট্য দলীল প্রমাণে সমগ্র জাতি হযরত রাসুল (সঃ)- সম্পর্কে নিজেদের ভুল ধারণা সংশোধন করতে সক্ষম হয়েছেন ।
৯. কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয় আল্লাহ্ স্বয়ং ও তার ফেরেশতারা নবীর উপরে দরূদ পাঠ করে, হে বিশ্বাসীগণ! তোমরাও তাঁর [রাসুল (সাঃ)] উপর দরূদ পড় ও শ্রদ্ধার সাথে সালাম পেশ করো ।” [সুরা-আয হাদ-৩৩; আয়াতঃ ৫৬]
একমাত্র মিলাদ মাহফিলে হযরত রাসুল (সঃ)-এর উপর দরূদ পাঠ করে স্ব-শ্রদ্ধ সালাম পেশ করা হয়। অথচ আমাদের দেশে এক শ্রেণীর লোক মিলাদ-কে বিদআত, হারাম ইতাদি বলে আখ্যায়িত করত । ফলে এ দেশে মিলাদের প্রচলন বিলুপ্ত হওয়ার উপক্রম হয়। কিন্তু হযরত শাহ্ দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর পবিত্র কুরআন ও হাদিস দিয়ে মিলাদ পরা যে ফরজ, তা প্রমাণ করলেন ।