উপনির্বাচন নিয়ে বিজেপির এই আগ্রাসী মনোভাব কেন? দুটো কেন্দ্রেই কালিঘাট তৃণমূল কে হারানোই কি লক্ষ্য?
বাংলা বাজার BANGLA BAZAR
0:00 / 0:00
উপনির্বাচন নিয়ে বিজেপির এই আগ্রাসী মনোভাব কেন? দুটো কেন্দ্রেই কালিঘাট তৃণমূল কে হারানোই কি লক্ষ্য?
31 584 просмотра · 23 часа назад
বাংলা বাজার BANGLA BAZAR
216 тыс. подписчиков
31 584 просмотра · 23 часа назад
প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করছেন, তারপর নাম প্রত্যাহার করছেন। মেসেজ ইজ লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। একই ঘটনা রেজিনগরেও হতেই পারে, হ্যাঁ এখনও হলে আমি অবাক হবো না। ক্যান্ডিডেট নেই অগত্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন করলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। ব্যস, ঘন্টা দুই তিনেকের মধ্যে তিনি জেলে, ১৯ বছর আগেকার, ২০০৭ এর এক মামলায়, এবং তারপরে সেইমিলন প্রধানের ওপরে আরও পাঁচ ছ খানা মামলা রুজু করা হয়েছে বলে খবর। মানে ১৯ বছর ধরে মামলা রইলো, সেই মিলন প্রধান তাঁর এফিডেবিট এ সেই মামলার উল্লেখ করেছেন, সেই নমিনেশন ফর্ম স্ক্রুটিনি হয়েছে, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় নি, ঠিক যে মুহূর্তে তাঁকে সমর্থনের কথা বললেন মমতা ব্যানার্জি, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল। ওদিকে খাম চিহ্ন ছিল আই এস এফ এর, সেটা দেওয়াহল ঋতব্রত তৃণমূলকে, আর এস পি কে তার কোদাল বেলচা চিহ্ন দেওয়া হল না, এমন নয় যে সেই চিহ্নের আর কোনও দাবিদার আছে। কাজেই আর এস পি নির্বাচন থেকে সরে গ্যালো। ওদিকে এমনকি হুমায়ুন কবীর বলছেন আমার লোকজনদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তাই আমি কেবল সমাজ মাধ্যমেই প্রচার করবো, সেই আসনে। তাহলে মাঠে এখনও তৃণমূল মমতা, তৃণমূল ঋতব্রতও, এবং আছেন সিপিএম প্রার্থী। না এতা গণতন্ত্র নয়, এমনিতেই এই নির্বাচনে অনায়াসেই নন্দীগ্রাম জিতে যাবে বিজেপি, অনায়াসেই। রেজিনগরে বিজেপির জেতার কথা নয়। কিন্তু এই সক্রিয়তা সম্ভবত ঋতব্রত তৃণমূলকে জেতানোর জন্য। এবং এই বিষয়ে আমি অন্তত একটা কথা তো বলতেই পারি যে হাজার চেষ্টা করলেও ঋতব্রত তৃণমূলের প্রার্থীকে ভোটে জেতানো অসম্ভব, মিলিটারি দিয়ে বুথে রিগিং এর ব্যবস্থা করলেও বোতাম টেপারও লোক নেই ঐ ঋতব্রত তৃণমূলের। কাজেই আপাতত বিজেপির ভরসা হিন্দু ভোট, আর মুসলমান ভোটের এক সমান ভাগাভাগি। কিন্তু সেসবতো সাধারণ ভোটের আলোচনা, এই এক চরম আবহ তৈরি করার দরকার ছিল কি? শুভেন্দু অধিকারির এই দুটো আসনেই জেতাটাকি এত জরুরি? না আপনি আমি আমাদের অনেকেই বলবেন, না এতা তো জরুরি নয়। কিন্তু ঐ যে ক্ষমতায় গেলেই ওই এক আগ্রাসী মনোভাব, আমিই থাকবো মাঠে আর কেউ নয়, হ্যাঁ সেই রোগ এখন এ বাংলার সর্বাঙ্গে, এ রোগ বড় কঠিন, এ রোগ সারে না, হঠাতই সেই ক্ষমতা ভেঙে যায়, অসহায় লাগে সেই একদা ক্ষমতার শীর্ষে থাকা মানুষটাকে। মমতার আজকের অবস্থা দেখে এটুকুও যদি শুভেন্দু অধিকারি বুঝে ফেলেন, শিখে যান, তাহলে ভালো, নাহলে ঐ যে রাজছত্র ভেঙে পড়ে, রণডঙ্কা শব্দ নাহি তোলে,জয়স্তম্ভ মূঢ়সম অর্থ তার ভোলে, রক্তমাখা অস্ত্র হাতে যত রক্ত-আঁখি, শিশুপাঠ্য কাহিনীতে থাকে মুখ ঢাকি। আমাদের ঠাকুর সেই কবেই বলে গেছেন।