Перейти к содержимому

তিলা ঘুঘু | Spotted Dove | 2020 | ***Beauty, Nature & Biodiversity***

Prokriti Kotha

0:00 / 0:00

তিলা ঘুঘু | Spotted Dove | 2020 | ***Beauty, Nature & Biodiversity***

264 819 просмотров · 5 л. назад
Prokriti Kotha
15 тыс. подписчиков
264 819 просмотров · 5 л. назад
সবুজের ঢেউ খেলানো সবুজ বাংলার মেঠোপথ দিয়ে হেঁটে গেলেই চোখ জুড়িয়ে যায়। প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্যকে আরো প্রাণোচ্ছ্বল করে তোলে পাখির কলরব। নানা প্রজাতির পাখির মধ্যে তিলা ঘুঘু বাংলাদেশের অতিপরিচিত শান্ত প্রকৃতির পাখি। মানব বসতির কাছেই এরা বাসা বাঁধে। মাঠেঘাটে, ফসলের ক্ষেতে খাবার খুঁজতে দেখা যায়। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির মাথা গলা ও বুক চকচকে বাদামি-ধূসর। পিঠ সাদাটে-বাদামি। কালো ঘাড় অসংখ্য সাদা ছিট-ছোপ। ডানার উপরের ছিটগুলো লালচে-বাদামি, লেজ বাদামি, পেট লালচে। চোখ লালচে-বাদামি, ঠোঁট ধূসর-কালো। পা ও পায়ের পাতা নীলচে আভাযুক্ত গোলাপি, নখ বাদামি। এপ্রিল থেকে জুলাই প্রজননকাল বলা হলেও এরা বছরজুড়েই প্রজনন করতে পারে। এ সময় এরা বাসা বাঁধে; ২টি ডিম দেয়। সাদা রঙের ডিম ফুটতে সাধারণত সময় লাগে ১২ থেকে ১৩ দিন। দুই সপ্তাহে বাচ্চা উড়তে শেখে। তিলা ঘুঘুর বাসা মানববসতির কাছে হওয়ায় প্রায়ই ঘটে অনাকাঙ্খিত ঘটনা। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খেলার ছলে কিংবা কৌতূহলী হয়ে বাসা থেকে বাচ্চা পেড়ে নিয়ে যায় পোষ মানানোর জন্য। কোনো কোনো সময় বাচ্চারা বন্দী পরিবেশে মানিয়ে নিতে না পেরে মারা যায়। আবার কোনো কোনো বাচ্চারা বেঁচে থাকে মরার মতো হয়ে। পাখি হলো প্রকৃতির অলংকার। আর তিলা ঘুঘু প্রকৃতি থেকে উঁইপোকাসহ ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। কিন্তু এসব কথা বোঝে না অবুঝ ছেলেমেয়ে। তারা নিজের আনন্দের জন্য নানাভাবে প্রকৃতির বুকে ক্ষতর সৃষ্টি করে। তাই পরিবার থেকেই প্রকৃতিবান্ধব শিক্ষা পেলে শিশুরাও হয়ে উঠবে প্রকৃতির পরম দরদী। আমরাও অনেক সময় বুঝতে চেষ্টা করি না প্রকৃতির কান্না, আমাদের কান পর্যন্ত পৌঁছায় না করুণ আর্তনাদ। আসুন, আমরা প্রকৃতিবান্ধব হয়ে প্রকৃতির সাথে সহাবস্থান করি। To reach us: Web: http://www.pojf.org Phone: (+88 02) 9830376-80 E-mail: info@pojf.org Facebook: www.facebook.com/pojfoundation Twitter:   / prokritiojibon   #Prokriti_O_Jibon # Prokriti_Kotha #How_to #Nature_Biodiversity #Natural_beauty