শালের জঙ্গলের ভেতরের লুকানো সৌন্দর্য | আগে কেউ বলেনি
Let's Go With Soumalya
0:00 / 0:00
শালের জঙ্গলের ভেতরের লুকানো সৌন্দর্য | আগে কেউ বলেনি
161 просмотр · 5 месяцев назад
Let's Go With Soumalya
25,6 тыс. подписчиков
161 просмотр · 5 месяцев назад
#mahuaful #saltree #letsgowithsoumalya
শালের আদি নিবাস দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো। শালের বৃদ্ধি স্বল্প থেকে মাঝারি হারের হয়ে থাকে। এটি ৩০-৩৫ মিটার উচুঁ হতে পারে এবং এর কাণ্ডের ব্যাস ২-২.৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। ফাল্গুন মাস ছাড়া এই গাছে পাতা সব সময়ই দেখা যায়। মার্চ মাসে এর ফুল ফোটে। হিন্দু ধর্মমতে গাছটি বিষ্ণুর আশীর্বাদপ্রাপ্ত। ভারতীয় প্রাচীন সাহিত্যে শালকে প্রায়ই অশোক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শাল কাঠ শক্ত হওয়ায় এর অনেক ব্যবহার রয়েছে।
মহুল ফুলের ইতিকথাঃ-
"মহুল ফুল" বা "মহুয়া ফুল" জঙ্গলমহলের গ্রীষ্মকালীন এক অনন্য সম্পদ। গ্রীষ্মের শাল, পলাশ এর দখিনা হাওয়ায় মহুলের অপরূপ সুবাসে মুখরিত হয়ে ওঠে জঙ্গলমহল।
বিজ্ঞানসম্মত নাম Madhuca longifolia অথবা Madhuka indica.
চৈত্রের তীব্র দাবদাহের মধ্যেও এই ফুল বেশ রসালো হয় আর স্বাদে অম্লমধুর। জঙ্গলমহলে সকাল হতে না হতেই মহুল ফুল কুড়োনোর ব্যস্ততা দেখা যায়। দূর থেকে মনে হয় ঘাসবনে কেউ যেন মুক্তো কুড়োচ্ছে। এই রুক্ষ আবহাওয়ায় যেহেতু জঙ্গলমহলে তেমন চাষ আবাদ হয় না তাই এই মহুল ফুল-ই প্রান্তিক মানুষগুলোর জীবন-জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হয় ওঠে, যা সত্যিই ওনাদের কাছে মুক্তোর সমান। ঝুড়িতে মহুল কুড়িয়ে বাড়ি ফেরে মা বোনেরা, এরপর রোদে দেবার পালা। রোদে শুকিয়ে গেলে এরা ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে, এই দ্রব্যমূল্যের বাজারে যা নিতান্তই কম। সরকারীভাবে কোন মূল্য নির্ধারণ না করার কারণে লাভবান হন ব্যবসায়ীরা। তবে অসময়ে বিক্রি করলে একটূ বেশি দাম পাওয়া যায়।
মহুল ফুলে প্রচুর পরিমাণে সুগার, মিনারেল ও ভিটামিন থাকে। এই ফুলের নির্যাস থেকে এক বিশেষ ধরনের অ্যালকোহল সমৃদ্ধ পানীয় বানানো হয়ে থাকে। যা ট্রাইবাল জনগোষ্ঠীর অন্যতম এক পানীয়।
এছাড়া এর ফল কাঁচা অবস্থায় রান্না করে খাওয়া হয়। পরিপক্ক অবস্থায় এই ফলের বীজ থেকে তেল প্রস্তুত করা হয় যা স্থানীয়ভাবে ''কচড়া তেল'' নামে প্রসিদ্ধ। আগেকার দিনে আদিবাসী মায়েরা এই তেল ব্যবহার করে রান্না করত তবে এখন আর তেমন ব্যবহৃত হয় না।
এই কচড়া তেলের ভেষজ গুণ অপরিসীম। এই তেল জয়েন্টের ব্যাথা, মাথা ব্যথা, সর্দিকাশি ও কৃমি নিরাময়ে উপসমদায়ক। এছাড়াও ক্ষত নিরাময়ে ও কীট-পতঙ্গ কামড়ালে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
এছাড়াও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আচার অনুষ্ঠানে এই মহুল গাছের উপস্থিতি মঙ্গলজনক মনে করা হয়। ওনাদের বিয়েবাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই গাছ ভগবান রূপে পূজিত হয়ে থাকে। এই গাছ জঙ্গলমহলের জনজীবনে মাতৃসম।
Music from Epidemic Sound, get one month free using the following referral link:
https://www.epidemicsound.com/music/s...