hindu succession law in land //সম্পত্তিতে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন// দায়ভাগা// Dāyabhāga//
Satkahon by Ajim
0:00 / 0:00
hindu succession law in land //সম্পত্তিতে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন// দায়ভাগা// Dāyabhāga//
95 854 просмотра · 6 л. назад
Satkahon by Ajim
572 тыс. подписчиков
95 854 просмотра · 6 л. назад
satkahon / bdsatkahon #satkahon#ajimlive#liveadvocate #hindu#succession#law
The Dāyabhāga is a Hindu law treatise written by Jīmūtavāhana which primarily focuses on inheritance procedure.
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন দায়ভাগা
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন ২০০৫
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন pdf
হিন্দু আইন pdf
হিন্দু আইনে স্ত্রীধন
হিন্দু ধর্মে নারীর উত্তরাধিকার
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন ২০১৯ বাংলাদেশ
হিন্দু আইনের উৎস
হিন্দু উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটর
হিন্দু উত্তরাধিকার
হিন্দু ধর্মে নারীর উত্তরাধিকার
হিন্দু উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটর
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন pdf
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন ২০১৯ বাংলাদেশ
হিন্দু আইনে স্ত্রীধন
হিন্দু আইন pdf
হিন্দু আইনে দান
হিন্দু সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৯১৬
SATKAHON BY AJIM SOCIAL SITE & OTHER YOUTUBE CHANNEL
WhatsApp: 008801318971982
fb page satkahon : / satkahonbyajim
Facebook / ajimuddin143 Instagram / ajimuddinbd
fb group : / 349751055758098
TWITTER: / ajimuddin_bd
My other channel
Satkahon banking- / satkahonbanking
Satkahon land - / satkahonland
Tech roasted- / @technicalajim3071
Ajimuddin https://www.youtube.com/channel/azimu...
Satkahon / satkahonbyajim
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন দুটি ধারায় বিভক্ত।একটি দায়ভাগা অন্যটি মিতাক্ষারা ।প্রকৃত অর্থে এগুলো ২ টি বইয়ের নাম ।দায়ভাগ প্রনয়ন করেন জীমুতবাহন আর মিতাক্ষরা প্রনয়ন করেন বিজ্ঞানেশ্বর। দায় ভাগ শুধু উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা করে আর অন্য দিকে মিতাক্ষরা উত্তরাধিকার,বিবাহ,দত্তক,ভরপোষন ইত্যাদি দিয়ে আলোচনা করে।
বাংলাদেশের হিন্দুদের বেশিরভাগই দায়ভাগ অনুসরন করে এছাড়া আসাম ত্রিপুরাতেও দায়ভাগ অনুসৃত হয় ।
দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরা উত্তরাধিকার বন্টনের প্রধান পার্থক্য হলো-দায়ভাগ সম্পত্তিতে জন্মগত অধিকার স্বীকার করেন না কিন্তু মিতাক্ষরা জন্মগত অধিকার স্বীকার করে ।
দায়ভাগ মতে ব্যক্তির মারা যাবার পরে উত্তরাধিয়াকারী সৃষ্টি হবে কিন্তু মিতাক্ষরা মতে জন্মের সাথেই উত্তরাধকার দাবি করতে পারবে ।
দায়ভাগ মতে উত্তরাধিকার ও উত্তরাধিকারক্রম নির্ধারিত হয় পারলৌকিক ক্রিয়াকর্মের বিধান দ্বারা, কিন্তু মিতাক্ষরা মতে নির্ধারিত হয় রক্তসম্পর্কের দ্বারা।
উত্তরাধিকার বন্টনে দায়ভাগ আমরা আলোচনা করবো।এই আলোচনা শুধু বাংলাদেশী দায়ভাগার জন্য প্রযোজ্য হবে ।আমাদের পাশের দেশে ভারতে তারা ১৯৫৬ সালে উত্তরাধিকার আইন নিয়ে আসে তাই সে খানে এই আইন প্রযোজয নয়।
কারা উত্তরাধিকারি হবে আলোচনার আগে কারা চিরতরে বঞ্চিত দায়ভাগা মতে তা জেনে নিই-
নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গ উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়: পুরুষত্বহীন, জন্মান্ধ, আজন্ম বধির, উন্মাদ, নির্বোধ, বোবা, বিকলাঙ্গ, ধর্মত্যাগী, ধর্মত্যাগীর পুত্র, দুরারোগ্য ব্যাধিগ্রস্ত, কুষ্ঠরোগী, সংসারত্যাগী ও বিশ্বাসঘাতক। কোন হিন্দু ধর্মান্তরিত হলে ধর্মান্তরের পরে উত্তরাধিকার নির্ধারিত হলে সে সম্পত্তির অধিকার পায় না। যদি কোন হিন্দু-বিধবা পুনরায় বিবাহ করে তাহলে ভূতপূর্ব স্বামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ তাকে ত্যাগ করতে হয়।
হিন্দু আইন অনুসারে পিণ্ডদানের ক্ষমতার উপর উত্তরাধিকারের নিয়ম প্রতিষ্ঠিত। যাহারা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মৃত ব্যক্তির পিণ্ডদান করিতে পারেন, তাহারাই উত্তরাধিকারী হইতে পারে
কয়েক জন স্ত্রী লোককে উত্তরাধিকারের ক্ষমতা দেওয়া হইয়াছে, কারণ তাঁহারা সাক্ষাৎভাবে বা পরোক্ষভাবে পিণ্ডদান করিতে সক্ষম। যথা, স্ত্রী উত্তরাধিকারিণী হইতে পারেন, কারণ পুত্র, পৌত্র ও প্রপৌত্র না থাকিলে স্ত্রী শ্ৰাদ্ধক্রিয়া করিতে পারেন; কন্যা উত্তরাধিকারিণী হইতে পারে, কারণ যদিও সে নিজে পিণ্ডদান করিতে পারে না বটে, কিন্তু তাহার গভে যে পুত্র জন্মিবে সে তাহার মাতামহকে পিণ্ডদান করিতে পারিবে। এইজন্য পুত্ৰহীন বিধবা কন্যা উত্তরাধিকারিণী হইতে পারে না। মাতা উত্তরাধিকারিণী হন, কারণ মাতা যদিও পুত্রের পিণ্ডদান করিতে পারেন না বটে, তথাপি তাহার গর্ভের অন্য পুত্ৰগণ (অর্থাৎ ভ্রাতাগণ) মৃত পুত্রের পিণ্ডদান করিবে। এইরূপে স্ত্রীলোক ও পুরুষ উত্তরাধিকারী সম্বন্ধে পিণ্ডদানের নিয়ম প্রয়োগ করা হইয়াছে।
দায়ভাগা উত্তরাধিকারি তিন ভাগে বিভক্ত।তবে প্রথম ভাগের কেউ থাকলে অন্যরা বঞ্চিত।প্রথম ভাগে কেউ না থাকলে তখন দ্বিতীয় ভাগের লোক আসবে এরা না থাকলে তৃতীয় ভাগেরর লোক পাবে।
সপিন্ড,সাকুল্য এবং সমানোধক নামে এরা পরিচিত।
প্রথম ভাগকে বলা হয় সপিণ্ডঃ
সপিণ্ড মানে যারা পিণ্ড দানে অংশ গ্রহন করতে পারে।সাধারনত মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য দুধ, কলা ইত্যাদি দিয়ে খাওয়ায়ার আয়োজন করা হয় যাতে পিতৃকুল্যের ৩ পুরুষ এবং মাতৃ কুল্যের ৩ পুরুষ অংশ নেয়। এদের মোট সংখ্যা ৫৩ জন তার মধ্যে ৪৭ পুরুষ এবং ৫ জন মহিলা। এরা সবাই আবার এক সাথে উত্তরাধিকারি হয়না ।
প্রথম ক্রম উত্তরাধিকারির; ১-৪ নাম্বারের সবাই এক সাথে উত্তরাধিকারি হয়। আসুন দেখি
পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র।
কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাহার পুত্র তাহার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়। পুত্র না থাকিলে পৌত্র, পৌত্র না থাকিলে প্রপৌত্র উত্তরাধিকারী হয়। পুত্ৰগণের মধ্যে যদি কোনও এক পুত্র পূৰ্ব্বেই পরলোক গমন, করিয়া থাকে, তাহা হইলে অপর পুত্ৰগণ এবং ঐ মতপুত্রের পুত্র একসঙ্গে পাইবে; সেইরূপ, পৌত্ৰগণের মধ্যে যদি একজন পূর্বেই পরলোক গমন করিয়া থাকে তাহা হইলে পৌত্র ও মৃত পৌত্রের পুত্র একসঙ্গে পাইবে। অর্থাৎ কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাহার সম্পত্তি তাঁহার পুত্র, মৃত পুত্রের পুত্র, এবং মৃত পুত্রের মৃত পুত্রের পুত্র একসঙ্গে পাইয়া থাকে।তবে মৃত হতে ব্যক্তি ৪ পুরুষের পরের কেউ উত্তরাধিকারি হবে না ।
বিধবা স্ত্রীর উত্তরাধিকার