নারিকেল চাষ পদ্ধতি। চারা তৈরি।গাছ রোপন।কৃষি ও খামার
কৃষি ও খামার
0:00 / 0:00
নারিকেল চাষ পদ্ধতি। চারা তৈরি।গাছ রোপন।কৃষি ও খামার
15 104 просмотра · 4 г. назад
কৃষি ও খামার
8,92 тыс. подписчиков
15 104 просмотра · 4 г. назад
নারিকেল চাষ পদ্ধতি। চারা তৈরি।গাছ রোপন।কৃষি ও খামার
নারিকেল বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। এটা এমন এক বৃক্ষ যার প্রতিটি অঙ্গ জনজীবনে কোনো না কোনোভাবে কাজে আসে। এ গাছের পাতা, ফুল, ফল, কাণ্ড, শিকড় সব কিছুই বিভিন্ন ছোট-বড় শিল্পের কাঁচা মাল, হরেকরকম মুখরোচক নানা পদের সুস্বাদু খাবার তৈরির উপকরণ, পুষ্টিতে সমৃদ্ধ, সুস্বাদু পানীয়, রোগীর পথ্য এসব গুণে গুণাম্বিত এটি পৃথিবীর অপূর্ব গাছ, তথা ‘স্বর্গীয় গাছ’ হিসেবে সবার কাছে সমাদৃত ও সুপরিচিত।
চারা রোপণ
নির্বাচিত চারা বীজতলা থেকে খোন্তা বা শাবল দিয়ে সাবধানে যত্ন সহকারে উঠিয়ে নিতে হবে। কোনো মতেই চারা গাছ ধরে টেনে উঠানো যাবে না। চারা উঠানোর পর যতদূর সম্ভব এক সপ্তাহের মধ্যেই তা রোপণ কাজ শেষ করতে হবে। নারিকেল চারা গর্তে বসানোর পূর্বে খেয়াল রাখতে হবে যেন সরেজমিন থেকে চারাটা ২০-২৫ সেমি. নিচে বসানো হয় এবং নারিকেলের অংশটা মাটিতে সম্পূর্ণ না পুঁতে নারিকেলের উপরের অংশ কিছুটা (৩-৫ সেমি.) দেখা যায়। এ অবস্থায় সরেজমিন থেকে নিচে লাগানোর ফলে বর্ষাকালে বাইরের পানি এসে গাছের গোড়ায় বাইরের পানি এসে যেন জমতে না পারে এজন্য গাছের গোড়া থেকে ৪০-৫০ সেমি. দূরে বৃত্তাকারে ভালোভাবে সরেজমিন থেকে ১০-১৫ সেমি. উঁচু করে বাঁধ দিতে হবে। সচরাচর দেখা যায় ফলন্ত নারিকেল গাছের গোড়ার অংশ অস্বাভাবিকভাবে মোটা হয় এবং সেখান থেকে প্রচুর শিকড় ভেসে থাকে যা দৃষ্টিকটু।
চারা উৎপাদন পদ্ধতি : নারিকেল চারা তৈরির জন্য যেখান সেখান থেকে বীজ নারিকেল সংগ্রহ করা উচিত হবে না। অজানা উৎস থেকে সংগৃহীত নারিকেল বীজ থেকে উৎপাদিত চারায় গাছ থেকে যে ডাব/নারিকেলের ফলন হবে তা নিম্ন মানের। যে গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করা হবে তার মাতৃ গুণাগুণ (Genetical potenciality) জেনেই উন্নত মানের ও জাতের গাছ থেকে সুস্থ, ভালো মানের বীজ নারিকেল সংগ্রহ করে তা চারা উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা যাবে। যেহেতু নারিকেল চারা উৎপাদন কাজটি অতি সহজ, তাই নিজে ভালো জাতের বীজ লাগিয়ে চাহিদা মতো চারা তৈরি করে নেয়া ভালো। এলাকার পাড়া-পড়শীর কারও না কারও নারিকেল গাছে প্রচুর ফল দেয়, এমন সুলক্ষণা কিছুসংখ্যক মাতৃগাছ নির্বাচন করে তা থেকে পাকা বীজ নারিকেল কিনে, বেঁলেমাটিতে রেখে মাঝে মাঝে পানি দিলে কিছু দিনের মধ্যই চারা গজাবে। এ গজানো চারাগুলো ৮-৯ মাস পরেই লাগানোর উপযোগী হবে।