প্রধান শিক্ষকের আইনি এক্তিয়ার বনাম কর্পোরেট স্বেচ্ছাচারিতা পার্ট -০১=মালিক-কর্মচারী’ বিভ্রম,
EDUCATION BY SHYAMAL KUMAR DAS
0:00 / 0:00
প্রধান শিক্ষকের আইনি এক্তিয়ার বনাম কর্পোরেট স্বেচ্ছাচারিতা পার্ট -০১=মালিক-কর্মচারী’ বিভ্রম,
29 просмотров · 11 дней назад
EDUCATION BY SHYAMAL KUMAR DAS
254 подписчика
29 просмотров · 11 дней назад
এই তথ্যবহুল ভিডিওতে সরকারি ও সরকার-অনুমোদিত স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের প্রশাসনিক ক্ষমতার মৌলিক ফারাক বিশদে তুলে ধরা হয়েছে। বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা যায় কিছু প্রধান শিক্ষক নিজেকে কর্পোরেট ম্যানেজার ভেবে সহকর্মীদের ওপর অহেতুক একনায়কতন্ত্র চালানোর চেষ্টা করেন। একটি প্রাইভেট সংস্থায় ম্যানেজারের হাতে কর্মীদের সরাসরি শোকজ করা, বেতন আটকানো বা বরখাস্ত করার একক কর্তৃত্ব থাকে। তবে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থায় সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের ব্যক্তিগত কর্মচারী নন, তাঁদের নিয়োগকর্তা পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক চাইলেই নিজের ইচ্ছেমতো কোনো শিক্ষকের চাকরি বাতিল বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন না। আইনি বিধি অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকের অবস্থান হলো ‘সহকর্মীদের মধ্যে প্রথম’ অর্থাৎ Primus Inter Pares। তাঁর আসল দায়িত্ব হলো সমন্বয় ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কোনো একচ্ছত্র খবরদারি কায়েম করা নয়। স্টাফরুম বা ক্লাসরুমে সহকর্মীদের ব্যক্তিগত অধীনস্থ ভেবে অসম্মান করা সরাসরি আচরণবিধির মারাত্মক লঙ্ঘন। বিদ্যালয় কোনো বাণিজ্যিক মুনাফাকেন্দ্রীক ফার্ম নয়, এটি বিধিবদ্ধ আইনের মাধ্যমে পরিচালিত একটি অ্যাকাডেমিক অঙ্গন। শিক্ষকদের নিজস্ব অধিকার ও আইনি সুরক্ষা বজায় রাখতে ক্ষমতার এই নির্দিষ্ট সীমারেখা জানা অত্যন্ত জরুরি। ক্ষমতার অপব্যবহার কীভাবে প্রতিষ্ঠানের ভারসাম্য নষ্ট করে তা এই পর্বটিতে যুক্তিসহ আলোচনা করা হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখাই এই বিশ্লেষণের মূল উদ্দেশ্য। নিজের আইনি অধিকার ও বিধিবিধান সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে সম্পূর্ণ আলোচনাটি মনোযোগ দিয়ে শুনুন।