দুর্ণীতিবাজ, ঘুষখোরদের কিভাবে ধরিয়ে দেবেন? দুদক।Corruption case।দুর্ণীতি দমন কমিশন। law tips bd.
LAW TIPS BD
0:00 / 0:00
দুর্ণীতিবাজ, ঘুষখোরদের কিভাবে ধরিয়ে দেবেন? দুদক।Corruption case।দুর্ণীতি দমন কমিশন। law tips bd.
9 192 просмотра · 1 г. назад
LAW TIPS BD
125 тыс. подписчиков
9 192 просмотра · 1 г. назад
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ পেতে ০১৭১৬-৮৫৬৭২৮ নম্বরে ৫১০ টাকা বিকাশ করে পরামর্শ নিতে পারবেন। সরাসরি সাক্ষাৎ করে আইনী পরামর্শ নিতে চাইলে ০১৭১৬-৮৫৬৭২৮ নম্বরে ১৫৩০ টাকা বিকাশ করে সাক্ষাতের সময়সূচি জেনে নিয়ে নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যদি থাকে) নিয়ে চেম্বারে আসতে হবে। ঠিকানা: ব্যারিষ্টার দোলন এন্ড এ্যাসোসিয়েটস, প্রেস্টিজ হোমস (১ম তলা), চিটাগাং হোটেলের সামনে, সেগুনবাগিচা, ঢাকা। অথবা প্রামাণিক ল’ চেম্বার, জজ কোর্ট চত্ত্বর, কুষ্টিয়া। This Channel does not promote and encourage any illegal content, illegal activities. The aim and objects of this channel is to create a law-conscious ----
#law_tips_bd
#seraj_pramanik
#civil_case
#civil_court
#civillawyer
#civil
#deedcorrection
#landdeed
#powerofattorney
#powerofattraction
#marriage
#divorce
#divorceprocess
#chequebounce
#chequebounceinunsecured
দূর্ণীতি দমন কমিশনে দুদকে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ কিভাবে জানাতে হয়, কিভাবে আবেদন নিবেদন লিখতে হয়, আবেদনে কোন তথ্যগুলো থাকতে হয় আর কোন বিষয়গুলো নিয়ে দুদকে আবেদন করা যায়-এমন বিষয়গুলো নিয়ে অনেকে আমার কাছে জানতে চাান। তাদে উদ্দেশ্যেই আমি---। দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দায়িত্ব দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে। ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ৩(২) ধারায় পরিষ্কার ভাষায় বলা হয়েছে যে, দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও পক্ষপাতমুক্ত প্রতিষ্ঠান। কাজেই দুদক যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়ের করে এবং তা পরিচালনার কাজ এগিয়ে নিতে থাকে, তাহলে সেই মামলা প্রত্যাহার করার কিংবা প্রত্যাহারের সুপারিশ করার কোনো এখতিয়ার সরকারের নেই। সম্প্রতি চালু হওয়া ১০৬ নম্বরে (টোল ফ্রি কল) ফোন করে দুর্নীতি, অনিয়মের যেকোনো তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশনে জানাতে পারবেন।
অথবা এসব বিষয়ে ডাকযোগে দুদকের ঠিকানায় পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানতে হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অভিযোগটি দুদকের তফসিলভুক্ত কি-না অর্থাৎ এ অভিযোগটি দুদকে দেয়া যাবে কি-না? আর যিনি অভিযোগ করেছেন, তার পরিচয়, নাম-ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর দিতে হবে। অভিযোগটি সুনির্দিষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে। শত্রুতা অযথা হয়রানির উদ্দেশে অভিযোগ দেয়া যাবে না। দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধের মধ্যে রয়েছে সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ বা উপঢৌকন নেওয়া। বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক যদি বেআইনিভাবে নিজ নামে কিংবা বেনামে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, সরকারি কর্মচারী এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মরত কর্মচারি যদি সরকারি অর্থ বা সম্পত্তি আত্মসাৎ কিংবা ক্ষতি সাধন করেন।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি কোনো অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষার চেষ্টা করেন। দুর্নীতি ও ঘুষ থেকে উদ্ভূত অর্থ পাচারসংক্রান্ত অপরাধ। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, সরকারি কর্মচারী এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর প্রতারণা জাল-জালিয়াতি ইত্যাদি কাজ। এ ছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ঘুষ দাবি করলে ঘুষ দেওয়ার আগেই তথ্যটি দুদকের প্রধান কার্যালয় অথবা নিকটস্থ দুদক কার্যালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করলে ঘুষ বা উৎকোচ গ্রহণকারীকে ফাঁদ পেতে হাতেনাতে ধরার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযোগে যে বিষয়গুলো উল্লেখ করবেন। কোনো ব্যক্তি অবৈধ অর্থ ও সম্পদ অর্জন করে থাকলে তাঁর নাম, পদবি-পেশা ও পূর্ণ ঠিকানা দিতে হবে। একইসঙ্গে স্থাবর সম্পদের (বাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট ও জমি ইত্যাদি) অবস্থান, পরিমাণ, আনুমানিক দামসহ ওই সব সম্পদের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা দিতে হবে। এছাড়া ব্যাংক হিসাব, শেয়ার, এফডিআর, সঞ্চয়পত্রের সুনির্দিষ্ট তথ্য, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও ধরন,
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান, ধরন ও সুনির্দিষ্ট ঠিকানা এবং বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ জীবনযাপন-সংক্রান্ত বিবরণ দিতে হবে। ক্ষমতার অপব্যবহারসংক্রান্ত ও অন্যান্য অভিযোগের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি কখন, কীভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাভবান হয়েছে বা অন্যকে লাভবান বা ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন বা রাষ্ট্রীয় অর্থসম্পদের ক্ষতি করেছেন তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। কমিশনে অভিযোগ গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য ‘অভিযোগ যাচাই-বাছাই সেল’ রয়েছে। কমিশনে সাধারণত ডাকযোগে, ই-মেইলে, হটলাইনে এবং জেলা ও বিভাগীয় অফিসগুলোতে থাকা অভিযোগ বাক্সে অভিযোগগুলো আসে। নাম-ঠিকানা থাকলে প্রত্যেকটি অভিযোগের প্রাপ্তি স্বীকার করা হয়। পরে তারিখ ও ক্রমিক নম্বর দিয়ে অভিযোগগুলো দুদকের প্রধান কার্যালয়ের যাচাই-বাছাই সেলে পাঠানো হয়। এই সেল বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার ও উৎস থেকে কমিশনে আসা অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে থাকে।
ধরুন, জেলা পর্যায়ে আবেদন লিখতে হলে এভাবে লিখুন। বরাবর,উপ-পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত কার্যালয়, কুষ্টিয়া। ১.অভিযোগকারীর নাম ও ঠিকানাঃ ২.অভিযোগ দাখিলের তারিখঃ ৩। যাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তাহার নাম ও ঠিকানাঃ ৪। অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ ৫.সংক্ষুব্ধতার কারণঃ ৬। প্রার্থিত প্রতিকার এবং উহার যৌক্তিকতা ৭। অভিযোগ এ উল্লেখিত বক্তব্যের সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রের বর্ণনা (যদি থাকে)। এরপর সত্যপাঠে লিখুন। এই মর্মে প্রত্যায়ন করিতেছি যে, এই অভিযোগ এ বর্ণিত অভিযোগসমূহ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য। তারিখ লিখুন। নিচে আবেদনকারীর নাম।
দুদক
দুদকে অভিযোগ দায়ের করার নিয়ম
দুদকে মামলা করার নিয়ম
দুদক নিয়োগ
দুদকের মামলা
দুদকে অভিযোগ করার নিয়ম
দুদকে অভিযোগ করার নিয়ম
দুদকের নিয়োগ
দুদকের নোটিশ,
nsi এ আবেদন করতে যে যে যোগ্যতা লাগে
দুর্নীতির মামলা করার নিয়ম
দুদকে অভিযোগ দায়ের
অর্থ পাচার মামলা করার নিয়ম
দুদকের নোটিশ পেলে করণীয়
দুর্নীতির অভিযোগ করার নিয়ম
কিভাবে দুদকে মামলা করবেন,
দুদক এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
দুদক প্রস্তুতি
দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করার নিয়ম
দুদকে অভিযোগ