বেহুলা লক্ষিন্দরের প্রেম কাহিনী | স্থান ফেরিঘাট মান্দা নওগাঁ | সুজন অভিনীত | bahula | পর্ব ৪
Liton Mahamud
0:00 / 0:00
বেহুলা লক্ষিন্দরের প্রেম কাহিনী | স্থান ফেরিঘাট মান্দা নওগাঁ | সুজন অভিনীত | bahula | পর্ব ৪
1 127 просмотров · 6 дней назад
Liton Mahamud
44,5 тыс. подписчиков
1 127 просмотров · 6 дней назад
বেহুলা লক্ষিন্দরের প্রেম কাহিনী | স্থান ফেরিঘাট মান্দা নওগাঁ | সুজন অভিনীত | bahula | পর্ব ৪
*বেহুলা-লক্ষিন্দরের কাহিনী* বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন, জনপ্রিয় এবং করুণ প্রেমের ট্র্যাজেডি। পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যে এই অমর কাহিনী সবিস্তারে বর্ণিত আছে। নিচে এর মূল প্রেক্ষাপট, কাহিনী ও বাসরঘরের বিবরণ সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
---
১. কাহিনীর পটভূমি
চম্পক নগরের বণিক সওদাগর *চান্দ সওদাগর* ছিলেন দেবাদিদেব মহাদেবের পরম ভক্ত। কিন্তু তিনি সাপের দেবী *মনসা* বা বিষহরির পুজো করতে অস্বীকার করেন। মনসা দেবী চান্দ সওদাগরের মন জয় করে মর্ত্যে নিজের পূজা প্রচার করতে বদ্ধপরিকর হন। অন্যদিকে, চান্দ সওদাগর প্রতিজ্ঞা করেন যে তিনি কোনোভাবেই মনসার পূজা করবেন না। এই অহংকার ও জেদের সংঘাতে বলি হন চান্দ সওদাগরের সাত পুত্র।
২. জন্ম ও বিবাহ
চান্দ সওদাগরের ছোট ছেলের নাম ছিল **লক্ষিন্দর**। জ্যোতিষীরা ভবিষ্যৎ বাণী করেন যে, লক্ষিন্দরের জন্মের পর তার ভাগ্যদোষে বিবাহরাত্রেই সর্পসংশ্লিষ্ট বাসরঘরে সাপের কামড়ে মৃত্যু হবে। এই অশুভ ভবিষ্যৎবাণী সত্ত্বেও বেহুলা নামের এক রূপবতী ও পতিব্রতা কন্যার সঙ্গে লক্ষিন্দরের বিবাহ ঠিক হয়। বেহুলার বাবা উজানীনগরের সায়র সওদাগর জেনেশুনেই এই সম্বন্ধ মেনে নেন।
৩. লৌহনির্মিত বাসরঘর ও কালনাগিনীর দংশন
পুত্রকে মৃত্যু থেকে বাঁচাতে চান্দ সওদাগর বিশ্বকর্মাকে দিয়ে শতছেত্রহীন এক অভেদ্য *লৌহনির্মিত বাসরঘর* তৈরি করান, যেখানে কোনো সাপের পক্ষেই প্রবেশ করা অসম্ভব ছিল।
কিন্তু দেবী মনসার কূটকৌশলে সেই বাসরঘরের দেয়ালে একটি সূক্ষ্ম ছিদ্র বা রন্ধ্র থেকে যায়। বিবাহের রাতে সবাই যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন মনসা দেবীর প্রেরিত বিষাক্ত সাপ *কালনাগিনী* সেই ছিদ্রপথ দিয়ে বাসরঘরে প্রবেশ করে এবং লক্ষিন্দরকে দংশন করে। মুহূর্তের মধ্যে লক্ষিন্দরের মৃত্যু ঘটে।
৪. ভেলায় ভাসান ও বেহুলার অসামান্য প্রতিজ্ঞা
তৎকালীন প্রথা অনুযায়ী, সাপে কাটা মৃত ব্যক্তিকে সৎকার না করে ভেলায় ভাসিয়ে দেওয়ার বিধান ছিল। কিন্তু পতিব্রতা বেহুলা বিশ্বাস করতেন যে তাঁর সতীত্ব ও নিষ্ঠার বলে তিনি তাঁর স্বামীকে ফিরে পাবেন। তিনি মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের দেহকে সঙ্গে নিয়ে একটি কলার ভেলায় চড়ে বসেন এবং স্রোতের প্রতিকূলে দীর্ঘ ও ভয়ংকর জলযাত্রা শুরু করেন।
৫. স্বর্গযাত্রা ও পুনরুজ্জীবন
ভেলা ভাসতে ভাসতে নানা ঘাট পেরিয়ে দেবালয় ও স্বর্গের কাছাকাছি পৌঁছায়। ভেলায় বসে বেহুলার মৃত স্বামীর দেহ পচে গলে গেলেও তাঁর অন্তহীন কান্নায় দেবসভার নৃত্যশিল্পী অপ্সরা ও দেবতারা বিচলিত হন। শেষ পর্যন্ত দেবী মনসা শর্ত দেন যে, যদি চান্দ সওদাগর মনসার পূজা করেন, তবেই লক্ষিন্দর জীবন ফিরে পাবেন এবং তাঁর মৃত ভাইয়েরাও বেঁচে উঠবে।
অটল প্রতিজ্ঞ চান্দ সওদাগর শেষ পর্যন্ত সমাজের কল্যাণ ও পুত্রের মুখের দিকে তাকিয়ে বাম হাতে মনসাদেবীর উদ্দেশ্যে অঞ্জলি প্রদান করেন। এর ফলে মনসা দেবী সন্তুষ্ট হন; লক্ষিন্দর ও তাঁর ভাইয়েরা প্রাণ ফিরে পান এবং বেহুলা তাঁর স্বামী ও পরিবারকে নিয়ে চম্পকনগরে ফিরে আসেন।
---
লোকসংস্কৃতিতে বেহুলা-লক্ষিন্দর
বাঙালি লোকসংস্কৃতিতে এই উপাখ্যান এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলার লোকমঞ্চে *যাত্রাপালা**, **বেহুলার গান**, **জারী গান* ও বিভিন্ন লোকসংগীতের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই প্রেম ও ত্যাগের কাহিনী গীত হয়ে আসছে।
---
আপনার এই অনুসন্ধানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইউটিউব বা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য একটি চমৎকার এসইও টাইটেল ও ডেসক্রিপশন প্রয়োজন হলে জানাতে পারেন!
#বেহুলা_লক্ষিন্দরের_প্রেম_কাহিনীবেহুলা লক্ষিন্দর প্রেম কাহিনী, লক্ষিন্দরের প্রেম কাহিনী, বেহুলা লক্ষিন্দরের কাহিনী, বেহুলা লক্ষিন্দর কাহিনী, বেহুলা লক্ষিন্দার এর করুন কাহিনী, বেহুলা লক্ষিন্দরের ছবি, বেহুলা লক্ষিন্দরের গল্প, বেহুলা লক্ষিন্দরের জীবন, বেহুলা লক্ষিন্দরের বাড়ি, বেহুলা লক্ষিন্দরের বাসর ঘর, বেহুলা লক্ষিন্দরের বাসরঘর, বেহুলা লক্ষীন্দর কাহিনি, বেহুলা কাহিনী, বেহুলা লক্ষিন্দর, লক্ষিন্দর কাহিনী, বেহুলা লক্ষিন্দর যাত্রা, বেহুলা লক্ষিন্দর গান, বেহুলা লক্ষিন্দর মুভি, বেহুলা লক্ষিন্দর জারি, মফিজ বেহুলা লক্ষিন্দর, #মনসা # এক অমর প্রেম কাহিনী #
#স্থান_ফেরিঘাট_মান্দা_নওগাঁ
#সুজন_অভিনীত
#bahula
#পর্ব_৪**বেহুলা-লক্ষিন্দরের কাহিনী** বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন, জনপ্রিয় এবং করুণ প্রেমের ট্র্যাজেডি। পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যে এই অমর কাহিনী সবিস্তারে বর্ণিত আছে। নিচে এর মূল প্রেক্ষাপট, কাহিনী ও বাসরঘরের বিবরণ সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
---
১. কাহিনীর পটভূমি
চম্পক নগরের বণিক সওদাগর *চান্দ সওদাগর* ছিলেন দেবাদিদেব মহাদেবের পরম ভক্ত। কিন্তু তিনি সাপের দেবী *মনসা* বা বিষহরির পুজো করতে অস্বীকার করেন। মনসা দেবী চান্দ সওদাগরের মন জয় করে মর্ত্যে নিজের পূজা প্রচার করতে বদ্ধপরিকর হন। অন্যদিকে, চান্দ সওদাগর প্রতিজ্ঞা করেন যে তিনি কোনোভাবেই মনসার পূজা করবেন না। এই অহংকার ও জেদের সংঘাতে বলি হন চান্দ সওদাগরের সাত পুত্র।
২. জন্ম ও বিবাহ
চান্দ সওদাগরের ছোট ছেলের নাম ছিল **লক্ষিন্দর**। জ্যোতিষীরা ভবিষ্যৎ বাণী করেন যে, লক্ষিন্দরের জন্মের পর তার ভাগ্যদোষে বিবাহরাত্রেই সর্পসংশ্লিষ্ট বাসরঘরে সাপের কামড়ে মৃত্যু হবে। এই অশুভ ভবিষ্যৎবাণী সত্ত্বেও বেহুলা নামের এক রূপবতী ও পতিব্রতা কন্যার সঙ্গে লক্ষিন্দরের বিবাহ ঠিক হয়। বেহুলার বাবা উজানীনগরের সায়র সওদাগর জেনেশুনেই এই সম্বন্ধ মেনে নেন।
৩. লৌহনির্মিত বাসরঘর ও কালনাগিনীর দংশন
পুত্রকে মৃত্যু থেকে বাঁচাতে চান্দ সওদাগর বিশ্বকর্মাকে দিয়ে শতছেত্রহীন এক অভেদ্য *লৌহনির্মিত বাসরঘর* তৈরি করান, যেখানে কোনো সাপের পক্ষেই প্রবেশ করা অসম্ভব ছিল।
---
আপনার এই অনুসন্ধানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইউটিউব বা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য একটি চমৎকার এসইও টাইটেল ও ডেসক্রিপশন প্রয়োজন হলে জানাতে পারেন!