Перейти к содержимому

রাজবাড়ির প্রথা অনুযায়ী যুগ যুগ ধরে দিনাজপুরে উদযাপিত হয়ে আসছে রাস মেলা কান্তজিউ মন্দিরে

Shahriar Official

0:00 / 0:00

রাজবাড়ির প্রথা অনুযায়ী যুগ যুগ ধরে দিনাজপুরে উদযাপিত হয়ে আসছে রাস মেলা কান্তজিউ মন্দিরে

8 553 просмотра · 3 года назад
Shahriar Official
692 тыс. подписчиков
8 553 просмотра · 3 года назад
রাজবাড়ির প্রথা অনুযায়ী যুগ যুগ ধরে দিনাজপুরে উদযাপিত হয়ে আসছে রাস মেলা কান্তজিউ মন্দিরে | Kantajew Temple Dinajpur ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ Disclaimer: Don't Download & Copy Anything From This Channel. Its a Cyber Crime. All Videos of this Channel is Copyrighted by Md. Shahriar ___________________________________________ For Invitation & sponsorship contact 📧 sponsorshahriarofficial@gmail.com Get connected with me 🙂 Facebook   / shahriartraveler   Travel Group   / 476923664249168   Instagram   / sajonshahriar   ✅ Make Sure you subscribe to my channel & press the bell icon to get the notifications of my New videos 🔥 _________________________________________________ ঢাকা থেকে দিনাজপুর যাওয়ার উপায় উত্তরাসহ গাবতলীর পথে ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে পাওয়া যায় দিনাজপুরের বাসগুলো। এগুলোতে মান ভেদে ভাড়া ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা। আর ট্রেনে যেতে হলে কমলাপুর থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ অথবা সকাল ৯টা ৫০-এ টিকেট বুক করা যেতে পারে। সিটের ধরন ভেদে এগুলোতে ভাড়া ১৮৫ থেকে ৮৯৭ টাকা পর্যন্ত নিতে পারে। দিনাজপুরের জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান রামসাগর দিঘি বাংলাদেশের বৃহত্তম দিঘি হিসেবে পরিচিত এই জলাশয়টি মূলত একটি কৃত্রিম দিঘি। পলাশী বিপ্লবের কিছু পূর্বে রাজা রামনাথ রাজ্যের পানির চাহিদা মেটাতে খনন করেছিলেন এই দিঘি। রাজার নামানুসারেই দিঘিটি পরবর্তীতে পরিচিতি পায়। বর্তমানে এটি দিনাজপুর পর্যটন বিভাগের দায়িত্বে আছে। প্রায় চার লাখ ৩৭ হাজার ৪৯২ বর্গমিটার ক্ষেত্রফল এবং ১০ মিটার গভীরতার এই দিঘির আশপাশে বিকালে ঘুরে বেড়ানোর জন্য দারুণ জায়গা। এখানে সাঁতার কাটারও ব্যবস্থা আছে। পূর্ণিমার সময় ক্যাম্পিং করার জন্য রামসাগর বেশ জনপ্রিয় একটি স্থান। শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে রামসাগর জাতীয় উদ্যানে যেতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগতে পারে। আরও পড়ুন: কাতার ভ্রমণ: বিভিন্ন শহরের শীর্ষস্থানীয় ১০ দর্শনীয় স্থান কান্তজির মন্দির বাংলাদেশের এই বিখ্যাত স্থাপনাটি নির্মিত হয়েছিল ১৮ শতকে, যার আরও একটি নাম নবরত্ন মন্দির। ঢেপা নদীর তীরে কান্তনগর গ্রামে এর অবস্থান। মন্দিরের শিলালিপি অনুসারে মহারাজা প্রাণনাথ রায় মন্দিরের কাজ শুরু করেছিলেন। ১৭২২ সালে তিনি মারা যাওয়ার পর তার পুত্র মহারাজা রামনাথ রায় ১৭৫২ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন। প্রথমে মন্দিরটির উচ্চতা ছিলো ৭০ ফুট। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ক্ষতির কারণে এটি এখন ৫০ ফুট লম্বা। মহাভারত, রামায়ণ ও অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনীগুলো মন্দিরের বাইরের দেয়ালে প্রায় ১৫ হাজার টি বর্গাকার পোড়ামাটির ফলকে চিত্রিত করা। শহর থেকে অটোরিকশা করেই পৌঁছা যায় কান্তজির মন্দিরে। নয়াবাদ মসজিদ দিনাজপুর জেলার এই অনন্য প্রত্নতাত্ত্বিক ভান্ডারটি নির্মিত হয়েছে ১৭৯৩ সালে সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের শাসনামলে। সে সময় বেশ অনেকগুলো টেরাকোটায় কারুকার্য মণ্ডিত করে বানালেও এখন তার মাত্র ১০৪টি অবশিষ্ট রয়েছে। এগুলোর অধিকাংশই আবার সম্পূর্ণ অক্ষত নয়। দিনাজপুর রাজবাড়ী শহরের উত্তর-পূর্বে রাজারামপুর গ্রামের কাছে রাজ বাটিকা এলাকায় অবস্থিত এই দর্শনীয় স্থানটি। রাজবাড়ী বলা হলেও ঐতিহাসিক পটভূমি অনুসারে এটি আসলে একটি জমিদার বাড়ি। দিনাজপুর জেলার ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধির প্রতিনিধি বলতেই বোঝা হয় এই রাজবাড়ীকে। তাই সর্বসাকূল্যে ভবনের অবস্থা বেশ নাজুক থাকা সত্ত্বেও ইতিহাসপ্রেমিরা বেশ আগ্রহ নিয়ে ঘুরতে আসেন রাজবাড়ী। সিংড়া জাতীয় উদ্যান দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ভগনগরে অবস্থিত এই বনাঞ্চলটি সিংড়া মৌজার অন্তর্গত বলে এর নাম হয়েছে সিংড়া ফরেস্ট। প্রায় ৮৫৬ একর বনাঞ্চলটির প্রায় ৭৫৬ একর জায়গাকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষনা করা হয় ২০১০ সালে। এরপর থেকে এটি পিকনিক স্পটে পরিণত হয়েছে। বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটি খনন করে দু’ভাগে বিভক্ত হওয়া বনকে একসঙ্গে মেলাতে তৈরি করা হয়েছে সেতু। শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের রাইডস সহ সরকারি উদ্যোগে বিনোদনের বিভিন্ন কার্যক্রম চালু হয়েছে। প্রতি শীতেই এখানে পিকনিক করার ধুম পড়ে যায়। দিনাজপুর শহর থেকে বীরগঞ্জ হয়ে সড়ক পথেই পৌছা যায় সিংড়া জাতীয় উদ্যানে। স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট দিনাজপুরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গাটির অবস্থান এর ফুলবাড়ী উপজেলার আফতাবগঞ্জে। প্রায় ৪০০ একর জমির উপর গড়ে তোলা হয়েছে এই সুন্দর নকশাকৃত বিনোদন পার্কটি। কৃত্রিম হ্রদ, পাহাড়, বাগান, গাছ-গাছালি, ফুলের বাগান, প্রতিকৃতি, চিড়িয়াখানা, কৃত্রিম ফোয়ারা, ইটভাটা, ঘোড়ার রথ, শাল, হংসরাজ সাম্পান, খেলাধূলার জায়গা; সব মিলিয়ে এক সমৃদ্ধ পিকনিক স্পট এই স্বপ্নপুরী। এছাড়াও আছে মাটির কুঁড়েঘর, ডাকবাংলো এবং বাংলাদেশের ভূমি মানচিত্র। এখানে রাত্রি যাপনের জন্য রয়েছে পাঁচটি কটেজ। সবকিছু উপভোগ করতে হলে জনপ্রতি ৭০ টাকা খরচ করে পার্কে প্রবেশ করতে হবে। দিনাজপুর থেকে সিএনজি বা বাসে করে স্বপ্নপুরী যাওয়া যায়। প্রধান শহর থেকে প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘন্টার রাস্তা। তাই ঢাকা থেকে গেলে এই যাত্রায় সারাদিন লেগে যেতে পারে। দীপশিখা মেটি স্কুল অপূর্ব এই শিল্পকর্মের মুল উপাদান হচ্ছে মাটি, খড়, বালি ও বাঁশ, দড়ি, খড় ও কাঠ। শুধুমাত্র ভিত ছাড়া আর কোথাও ইট ব্যবহার করা হয়নি। পুরো স্কুলটি ছয় কক্ষ বিশিষ্ট একটি দোতলা ভবন, যার আয়তন আট হাজার বর্গফুট। পরিবেশবান্ধব শ্রেণিকক্ষগুলোতে শিক্ষার্থীরা গরম-শীতের তীব্রতা অনুভব করে না। #shahriarofficial #কান্তজিউমন্দির #রাসমেলা #দিনাজপুরভ্রমণ #Kantojewtemple #kantojio #rashmela #dinajpur #dinajpurtouristplaces #dinajpurnews #oldtemple #historicalplaces https://business.facebook.com/creator...