Перейти к содержимому

নবীর দাদু আব্দুল মুত্তালিব সন্তানে জন্য দোয়া┇maulana abu ubaidah saheb┇মাও আবু উবাইদা সাহেবের ওয়াজ

Basirhat Multimedia

0:00 / 0:00

নবীর দাদু আব্দুল মুত্তালিব সন্তানে জন্য দোয়া┇maulana abu ubaidah saheb┇মাও আবু উবাইদা সাহেবের ওয়াজ

2 603 просмотра · 3 дня назад
Basirhat Multimedia
31,8 тыс. подписчиков
2 603 просмотра · 3 дня назад
বিশ্ব নবীর দাদু আব্দুল মুত্তালিব সন্তান না হওয়ার কারণে আল্লাহর কাছে মানত করার ঘটনা┇maulana abu ubaidah saheb Chaturvedi waz┇মাওলানা আবু উবাইদা সাহেবের চতুর্বেদী বাংলা ওয়াজ মুর্শিদাবাদ মক্কার পবিত্র নগরীতে তখন কুরাইশদের মধ্যে সম্মানিত নেতা ছিলেন আব্দুল মুত্তালিব। তিনি ছিলেন কাবা শরীফের খাদেম এবং মক্কার একজন মর্যাদাবান ব্যক্তি। এক সময় তিনি আল্লাহর কাছে মানত করেছিলেন—যদি আল্লাহ তাঁকে দশজন পুত্র দান করেন এবং তারা বড় হয়ে তাঁকে শক্তি ও সহযোগিতা করার মতো হয়, তাহলে তিনি তাদের একজনকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে কুরবানি করবেন—এমন একটি বর্ণনা সীরাতের গ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায়। আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করলেন। তাঁর দশজন পুত্র হলো। কিন্তু যখন মানত পূরণের সময় এলো, তখন লটারির মাধ্যমে তাঁর প্রিয় পুত্র আব্দুল্লাহ-এর নাম উঠল। আব্দুল্লাহ ছিলেন অত্যন্ত প্রিয় ও সুন্দর চরিত্রের যুবক। তাঁকে কুরবানি করার চিন্তায় মক্কার মানুষও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ল। শেষ পর্যন্ত পরামর্শের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়, আব্দুল্লাহর পরিবর্তে উট কুরবানি করা হবে। প্রচলিত সীরাত-বর্ণনায় ১০০টি উট দিয়ে এই বিষয়টির নিষ্পত্তির কথা উল্লেখ আছে। এরপর আব্দুল্লাহর জীবনে আসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। 🌿 আব্দুল্লাহ ও আমিনার বিবাহ 🍀 কুরাইশ বংশের সম্মানিত নারী হযরত আমিনা বিনতে ওয়াহাব-এর সঙ্গে আব্দুল্লাহর বিবাহ হয়। এই বিবাহের মাধ্যমে এমন এক পবিত্র বংশধারার সূচনা হয়, যার মাধ্যমে অল্পদিন পর পৃথিবী লাভ করবে সর্বশেষ নবী ও রাসূল—হযরত মুহাম্মদ ﷺ। কিন্তু আল্লাহর পরিকল্পনা ছিল অত্যন্ত গভীর। বিবাহের কিছুদিন পর আব্দুল্লাহ ব্যবসায়িক সফরে মদিনার দিকে যান। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং আর মক্কায় ফিরে আসতে পারেননি। প্রচলিত সীরাতের বর্ণনা অনুযায়ী, তখন হযরত আমিনা তাঁর সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন। অর্থাৎ, মহানবী ﷺ পৃথিবীতে আসার আগেই তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ ইন্তেকাল করেন। 🌙 আমিনার গর্ভে বিশ্বনবী 💐 সময় পূর্ণ হলো। মক্কার সেই সম্মানিত পরিবারে জন্ম নিলেন এক মহান শিশু—মুহাম্মদ ﷺ। তিনি ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল মুত্তালিব এবং আমিনা বিনতে ওয়াহাবের সন্তান। পিতৃহীন অবস্থায় পৃথিবীতে আগমন করলেও আল্লাহ তাঁকে নিজের বিশেষ হেফাজতে রেখেছিলেন। তাঁর দাদা আব্দুল মুত্তালিব শিশুটিকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন এবং তাঁর মধ্যে বিশেষ মর্যাদা ও সম্ভাবনা অনুভব করতেন। সেই ছোট্ট শিশুই পরবর্তীতে সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত হয়ে পৃথিবীতে প্রেরিত হন। আম্মাজান আমিনার ইন্তেকাল শৈশবেই নবীজি ﷺ আরও এক বড় পরীক্ষার সম্মুখীন হন। প্রথমে পিতার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হলেন, এরপর মাত্র ছয় বছর বয়সে মায়ের স্নেহও হারালেন। হযরত আমিনা তাঁকে নিয়ে মদিনা থেকে মক্কার দিকে ফেরার পথে আবওয়া নামক স্থানে অসুস্থ হয়ে ইন্তেকাল করেন। ছোট্ট মুহাম্মদ ﷺ তখন মায়ের স্নেহ থেকেও বঞ্চিত হলেন। ভাবুন সেই দৃশ্য— একদিকে পিতা নেই, অন্যদিকে মায়ের ছায়াও চলে গেল। অথচ সেই এতিম শিশুকেই আল্লাহ পরবর্তীতে এমন মর্যাদা দিলেন যে, তিনি হলেন— ❤️ “রহমাতুল্লিল আলামিন” 💥 সমগ্র জগতের জন্য রহমত।🌅🤲 মায়ের ইন্তেকালের পর তাঁর দাদা আব্দুল মুত্তালিব তাঁকে নিজের কাছে নিয়ে আদর-যত্নে বড় করতে থাকেন। এরপর দাদার ইন্তেকালের পর তাঁর চাচা আবু তালিব তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এভাবেই শৈশব থেকেই নানা পরীক্ষা ও কষ্টের মধ্য দিয়ে আল্লাহর প্রিয় হাবিব ﷺ-এর জীবন এগিয়ে যেতে থাকে—যে জীবন পরবর্তীতে পুরো পৃথিবীকে ঈমান, তাওহিদ, ন্যায়, দয়া ও মানবতার শিক্ষা দেবে। সুবহানাল্লাহ! যাঁর জন্মের আগেই পিতা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছিলেন, যিনি শৈশবেই মাকেও হারিয়েছিলেন—আল্লাহ তায়ালা সেই এতিম শিশুকেই সমগ্র মানবজাতির সর্বশেষ নবী ও রাসূল হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। 🤲❤️