Перейти к содержимому

বিশ্বমুসলিমাদের কাছে ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসার গুরুত্ব। Dewband Madrasa@CHANNEL1BANGLA ISLAMIC-EPS-03

CHANNEL 1 BANGLA ISLAMIC

0:00 / 0:00

বিশ্বমুসলিমাদের কাছে ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসার গুরুত্ব। Dewband Madrasa@CHANNEL1BANGLA ISLAMIC-EPS-03

1 072 617 просмотров · 5 лет назад
CHANNEL 1 BANGLA ISLAMIC
9,06 тыс. подписчиков
1 072 617 просмотров · 5 лет назад
বিশ্বমুসলিমাদের কাছে ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসার গুরুত্ব। Dewband Madrasa@CHANNEL1BANGLA ISLAMIC-EPS-03 L I K E S H A R E C O M M E N T S U B S C R I B E ------------------------------------------------------------------------------ ১৮৫৭ সালে ঐতিহাসিক সিপাহি বিপ্লব সংঘটিত হয়। ৩৪ জন শীর্ষস্থানীয় আলেম ঐক্যবদ্ধভাবে ব্রিটিশদের প্রতিরোধের ডাক দেন। ব্রিটিশদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে ভারতের স্বাধীনতাই ছিল এর মূল লক্ষ্য। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন করে তাদের ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত করেছেন কওমি মাদ্রাসার আলেমরা। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বালাকোটের ট্র্যাজেডির আগে সাড়ে ৫৭ হাজার (৫৭ হাজার ৫০০) আলেম শাহাদাতবরণ করেছেন। (সূত্র : গোলাম আহমাদ মোর্তজা, ইতিহাসের ইতিহাস, মুন্শী মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ রিসার্চ একাডেমি, চতুর্থ সংস্করণ, জুলাই-২০০৯)। আর বালাকোটের ট্র্যাজেডির পর আজাদি আন্দোলনের লড়াকু ১৪ হাজার আলেমকে ফাঁসি দেয় জালিম ইংরেজরা। (সূত্র : জিয়াউর রহমান ফারুকির ভাষণ, যাঁদের ত্যাগে এ দেশ পেলাম) এটা ছিল এমন এক পরিস্থিতি, যার সঙ্গে তুলনা করা চলে হজরত আবু বকর (রা.)-এর সময়ে সংঘটিত ইয়ামামার যুদ্ধের সঙ্গে, যেখানে ৭০ জন কোরআনে হাফেজ শহীদ হলে অবশিষ্ট সাহাবার মধ্যে কোরআন সংকলন ও সংরক্ষণের জোর তাগিদ দেখা দেয়। ঠিক তেমনি বিপুলসংখ্যক আলেম শহীদ হওয়ার ফলে দ্বীনের মৌলিক বিষয়াদির হেফাজত করা জরুরি হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরনের একটি রক্ষণশীল মানসিকতা থেকে, পশ্চিমা শিক্ষা ও কালচারের আগ্রাসন থেকে মুসলিমদের বাঁচাতে কয়েকজন আলেমের উদ্যোগে ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। দেওবন্দ ছিল একটি প্রতিবাদ, একটি বিপ্লব, একটি আন্দোলন। ১৮৬৬ সালের ৩০ মে তদানীন্তন অখণ্ড ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর জেলার দেওবন্দে হজরত কাসেম নানতুভি (রহ.)-এর নেতৃত্বে ‘দারুল উলুম দেওবন্দ’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এটিই সর্বপ্রথম কওমি মাদ্রাসা। এর ছয় মাস পর দারুল উলুমের আদর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতায় সাহারানপুরে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘মুজাহেরুল উলুম মাদ্রাসা’। তারপর দেওবন্দের কারিকুলামে বিভিন্ন দেশে কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা বাড়তে থাকে। সে ধারাবাহিকতায় ১৯০১ সালে বাংলাদেশের প্রথম কওমি মাদ্রাসা দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৩৭ সালে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত এ দেশে প্রায় ৪৪৩টি কওমি মাদ্রাসা ছিল। এর মধ্যে প্রায় ৫১টি ছিল দাওরায়ে হাদিস মাদ্রাসা। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ২০১৫ সালের সালের হিসাব অনুযায়ী সারা দেশে ১৩ হাজার ৯০২টি কওমি মাদ্রাসা আছে। সেখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। (প্রথম আলো : ২৯-০৯-২০১৬) প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো ছাড়াও কওমি কারিকুলামে মসজিদ, মক্তব ও ফোরকানিয়া মাদ্রাসাকেন্দ্রিক আরো লাখো প্রতিষ্ঠানে কওমি ধারার শিক্ষা দেওয়া হয়। দেশের প্রতিটি জনপদে, শহর-বন্দরে, গ্রামগঞ্জে হাজারো মসজিদ-মাদ্রাসা স্থাপন করে মুসলমানদের জন্য ইমানি দুর্গ প্রতিষ্ঠা করেছে কওমি মাদ্রাসা। এসব মসজিদ-মাদ্রাসায় এমন লাখো পরিবারের সন্তানদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে, সরকারি শিক্ষার ব্যয়ভার বহন করা যাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ অর্থে রাষ্ট্রের অপূরণীয় শূন্যতা পূরণ করছে কওমি মাদ্রাসা। প্রিয় দর্শক আমাদের পরিবেশনা ভালো লাগলে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। লাইক, শেয়ার এবং কমেন্ট করে সাথে থাকুন। --: আমাদের পরিবেশনা : -- *EPS-oo2Islamic Ghazal। গজল। নামাজ পড় রোজা রাখ, তোমার সময় ফুরিয়ে যায় Channel1Bangla Islamic @CHANNEL1BANGLA https://studio.youtube.com/video/qePj... ** EPS-001 Bangla Ghazal। আল্লাহ তাড়াইওনা মোরে তোমারি দরজার গোলাম তোমারি দুয়ারে।Rahim Jani Moula@CHANNEL1BANGLA *   • Видео