ডিজাইন ( Design) | নির্মাণে আমি | A Shah Cement Initiative
Shah Cement
0:00 / 0:00
ডিজাইন ( Design) | নির্মাণে আমি | A Shah Cement Initiative
94 223 просмотра · 7 лет назад
Shah Cement
227 тыс. подписчиков
94 223 просмотра · 7 лет назад
বাড়ি নির্মাণের শুরুতেই প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও ডিজাইন । একজন আর্কিটেক্ট এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ার সয়েল টেস্ট করার পর অনুমোদনকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী এই কাজটি করে থাকেন ।
এছাড়াও একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের সাহায্যে বাড়ির ইলেক্ট্রিক্যাল কাজের ডিজাইন করিয়ে নেওয়া উচিত।
শুরুতেই জেনে নেই একজন আর্কিটেক্ট এবং ইঞ্জিনিয়ার কিভাবে আপনার বাড়ির পরিকল্পনা ও নির্মাণে সহায়তা করবেন-
প্রথমত, একজন আর্কিটেক্ট আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়ির প্ল্যান করবেন
আপনার বাড়ির নকশায় তিনি মূলত যে বিষয়গুলো বিবেচনা করেন তা হলঃ –
১- জায়গার সঠিক ব্যবহার , বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ডিজাইন
২- বিল্ডিং এর ভিতর পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা
৩-প্রয়োজন অনুযায়ী রুমের আকৃতি, সজ্জা এবং বিন্যাস,বিল্ডিং এর নান্দনিক বিষয় সমূহ...
আর্কিটেকচারাল প্ল্যান শেষ হলেই একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার বাড়ির মূল কাঠামো ডিজাইন করেন, তিনি যে বিষয়গুলোতে প্রাধান্য দেন তা হল *
১- কাঠামো ডিজাইনে বিল্ডিং কোড এর প্রয়োগ;
২- ফাউন্ডেশনে পাইলিং লাগবে কিনা এবং পাইল ডিজাইন;
৩- কংক্রিটের শক্তি কেমনহবে এবং সেই অনুযায়ী মিক্সিং অনুপাত
৪- প্রতিটা সেকশনে কী পরিমাণ রড লাগবে ও ফর্মেশন কেমন হবে ;
৫- ভূমিকম্প ও দুর্যোগ সহনীয় নির্মাণে বাড়তি সতর্কতা
৬- ডিজাইন অনুযায়ী বিল্ডিং এর এস্টিমেশন;
ডিজাইনে বিল্ডিং কোড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট এবং ইঞ্জিনিয়ার বিল্ডিং কোড মেনেই আপনার বিল্ডিং এর ডিজাইন করে থাকেন। বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় এনে আদর্শ গাইডলাইন তৈরি করেছে। কাজেই বিল্ডিং কোড মেনে ডিজাইন করা ও নির্মাণের সময় একজন অভিজ্ঞ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর মাধ্যমে কাজের বাস্তবায়নই নিরাপদ নির্মাণের অন্যতম অনুষংগ ।
এরপর নির্মাণ কাজ শুরুর পূর্বে রাজধানী ঢাকার জন্য রাজউক, পৌর এলাকার জন্য পৌরসভার ও অন্যান্য এলাকার জন্য সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হয়। অনুমোদন না নিলে যে কোন সময় তা ভেংগে দেয়ার ক্ষমতা রাখে কর্তৄপক্ষ, এমনকি নির্মাণ কাজে লোন নিতে হলেও অনুমোদিত প্ল্যান প্রয়োজন হয়।
বাড়ি নির্মাণের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পর সবশেষে বাড়ি তৈরির পর সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত অকুপেন্সি সার্টিফিকেট অবশ্যই নিতে হবে।
যে কাজের জন্য ভবন তৈরি করা হয়েছে, তা ওই কাজের জন্য নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত করার সনদ হল অকুপেন্সি সার্টিফিকেট।
বিল্ডিং নির্মাণের প্রতিটি ধাপেই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর পরামর্শ নিন । এতে যেমন সময় এবং অর্থ সাশ্রয় হবে, পাশাপাশি নিরাপদ নির্মানের সব দিক নিশ্চিত করা যাবে ।