Перейти к содержимому

২ কোটি টাকায় কানাডাতে গ্রাজুয়েশন | Graduation in Canada | University of Alberta |Sayem's World

Sayem's World

0:00 / 0:00

২ কোটি টাকায় কানাডাতে গ্রাজুয়েশন | Graduation in Canada | University of Alberta |Sayem's World

13 516 просмотров · 7 месяцев назад
Sayem's World
446 тыс. подписчиков
13 516 просмотров · 7 месяцев назад
#graduationincanada #sayemsworld আপনাদের সুবিধার্থে এখানে আরও অনেক ডিটেইলস ইনফরমেশন দেয়া হল ১) বিদেশের University তে Admission নিতে কি কি বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়? প্রথমে সিদ্দ্বান্ত নিতে হবে আমি কোন দেশে যেতে চাই। দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত আমি ওই সব দেশের কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লিকেশন করব। তৃতীয় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের পছন্দের সাবজেক্ট আছে কিনা এবং তার Method of Instruction English কিনা। চতুর্থত, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই সাবজেক্টের টিউশন ফি কত এবং থাকা খাওয়া সহ অন্যান্য আনুষাংগিক খরচ কত। তা আমার পক্ষে বহন করা সম্ভব কিনা। যেহেতু আন্ডার গ্রাজুয়েট লেভেলে স্কলারশীপ এর সুযোগ কম থাকে, কাজেই আন্ডার গ্রাজুয়েট লেভেলে অলমোস্ট ৮০% খরচ কিন্তু স্টুডেন্টকেই বহন করতে হয়। হয়ত ১০%-২০% অন বা অফ ক্যাম্পাস কাজ করে জোগাড় করা যায়। মাস্টার্সের ক্ষেত্রে স্কলারশীপ এর সুযোগ অনেক বেশী এবং টিউশন ফি ও কম। তাছাড়া টিচিং এসিট্যান্টশীপ এবং রিসার্চ এসিট্যান্টশীপ করার সুযোগ থাকে। কাজেই মাস্টার্স করা অপেক্ষাকৃত সহজ। ৩) কতো দিন আগে Admission এর প্রসেস শুরু করতে হয়? ইউরোপ, আমেরিকা এবং কানাডায় একাডেমিক ইয়ার শুরু হয় ফল টার্মে অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। ফল টার্মের জন্য এপ্লিকেশন ডেড লাইন থাকে ডিসেম্বরে, কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ জানুয়ারী পর্যন্ত থাকতে পারে। কাজেই ডিসেম্বর হচ্ছে পরবর্তী বছরের ফল টার্মের এপ্লিকেশন করার মৌসুম। কেউ যদি উইন্টার টার্মে অর্থাৎ জানুয়ারীতে ভর্তি হতে চায় তাহলে তার এপ্লিকেশন ডেড লাইন হবে পুর্ববর্তী বছরের এপ্রিল এবং মে মাসে। ৬) Admission এর জন্য কোন কোন জিনিস তোমাকে হেল্প করেছিল? I mean, শুধুই কি তোমার Inter এর রেজাল্ট শো করতে হয়েছিল, নাকি আরও কিছু শো করতে হয়েছিল? কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডার গ্রাজুয়েটে ভর্তির জন্য মুল বিবেচ্য হচ্ছে হাই স্কুল কমপ্লিশনের রেজাল্ট (বাংলাদেশে যেটা HSC বা A Level) অথবা IB Diploma বা EdExcel এর রেজাল্ট। তা ও আবার প্রেডিকেট গ্রেড দিয়ে (স্কুল থেকে সম্ভাব্য রেজাল্ট এর সনদ সরাসরি ইউনিভার্সিটিকে পাঠিয়ে) ভর্তির জন্য এপ্লাই করে ফেলা যায়। দ্বিতীয় গুরুত্বপুর্ন হচ্ছে এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস, লিডারশীপ এক্সপেরিয়েন্স এবং ওয়ার্ক বা ইন্টার্নশীপ এক্সপেরিয়েন্স। এগুলো যেমন ভর্তির জন্যও বিবেচনায় নেয়া হয়, তেমনি স্কলারশীপ পেতেও সহায়তা করে। আমার কমিউনিটি সার্ভিস, এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস এবং ইন্টার্নশীপ সবই ছিল। ফলে আমি অধিকাংশ ইউনিভার্সিটি থেকে এডমিশন অফার পেয়েছিলাম। ৯) ভিসার জন্য এপ্লাইঃ ভাবে ভিসা এপ্লিকেশন এর সম্পুর্ন প্রসেসটা আমরাই করেছি। মানে আমি এবং আমার বাবা মিলে। মুল বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশে অনেকেই মনে করে এজেন্সি ছাড়া সম্ভবত ভিসা প্রসেসিং করা যায় না। এই ধারনাটা সম্পুর্ন ভুল। কানাডা ইমিগ্রেশন অর্থাৎ IRCC এর ওয়েবসাইটে সমস্ত তথ্য দেয়া আছে। সেখান থেকে পড়ে পড়ে ডকুমেন্টস গুলো কালেক্ট করে স্ক্যান করে পিডিএফ আকারে জমা দিলেই হয়। এছাড়া ৪-৫টা ফরম পুরন করতে হয়। ওগুলোও অন লাইনে ফিল আপ করা যায়, কিংবা কোন তথ্য জানা না থাকলে পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করে রেখে পরে সুবিধামত সময়ে ফিল আপ করে সেভ করে জমা দিলেই হয়। মোদ্দা কথা বিষয়টা কোন কঠিন কিছু নয়। এজেন্সির কোন প্রয়োজনই নেই। ১০) ভিসার জন্য কি কি পেপার্স জমা দিতে হয়? কানাডার Temporary Resident Visa এবং Study Permit এর জন্য অনেকগুলো পেপার্স দিতে হয়, ২৫-২৬ টা বা তারও বেশি। কাজেই সবগুলোর নাম এই ছোট্ট পরিসরে বলা সম্ভব না। তবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Letter of Acceptance, Letter of Admission, Scholarship Offer এবং Provisional Attestation Letter এই চারটা ডকুমেন্টস পেয়ে ভিসা এপ্লিকেশন এর কাজ শুরু করতে হয়। এর পর অবশ্যই Identity Documents বা বলতে পারেন Proof of Nationality অর্থাৎ আপনার পাসপোর্ট লাগবে। সাথে NID (National ID Card) অথবা NID না থাকলে Birth Registration Certificate লাগবে। আপনার দর্শকরা যেটা জানার জন্য বেশি আগ্রহী তা হচ্ছে Financial Documents. আসলে একজন স্টুডেন্ট কে প্রমান করতে হয় যে ৪ বছর পড়াশোনা করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক সক্ষমতা তার আছে। বাংলাদেশের স্টূডেন্টদের যেহেতু নিজস্ব আয় বা সম্পদ থাকে না, কাজেই তাদেরকে Financial Supporter বা বলতে পারেন Sponsor দেখাতে হয়। এক্ষেত্রে বাবা মা সবচেয়ে ভাল স্পন্সর। এছাড়া অন্যান্য নিকট আত্মীয় বা কোন প্রতিষ্ঠানও স্পন্সর হতে পারে। এক্ষেত্রে প্রথমেই লাগবে Letter from Financial Supporter দ্বিতীয় লাগবে Financial Supporter এর Moveable Asset এবং Immovable Asset এর Summary যা অবশ্যই Notary Public অফিস থেকে Affidavit করিয়ে নিতে হবে। কিন্তু এখানেই শেষ না। Financial Supporter এর এই যে আর্থিক সংগতি বা সম্পদ তা কোথা থেকে আসল তার প্রমান দিতে হবে। মানে কমপক্ষে ৬ মাসের Bank Statement, Bank Solvency Certificate ব্যাংক থেকে এনে দিতে হবে। তাছাড়া Savings Certificate (সঞ্চয়প্ত্র) অথবা FDR এ বিনিয়োগ থাকলে সেগুলোর সনদপ্ত্র দিতে হবে। এর পর তিন বছরের Income Tax Return দিতে হবে। সম্পত্তি থাকলে সেগুলোর দলিল সংক্ষিপ্ত আকারে ইংরেজিতে অনুবাদ করে দিতে হবে। যদি স্পন্সর চাকুরীজীবি হন, তাহলে তার Letter of Employment, Annual Income Statement from Salary এবং তিন মাসের Pay slip ও Provident Fund এর স্থিতির বিবরনী জমা দিতে হবে। স্পন্সর ব্যবসায়ী হলে তার Trade License, Yearly Income Statement, Balance Sheet এগুলো দিতে হবে। মোট কথা আপনার কানাডায় পড়তে আসার টাকাটা কোথা থেকে আসবে এবং তা বৈধ পথে আয় করা কিনা, তার প্রমান দিতে হবে। সর্বশেষ দুটো গুরুত্বপুর্ন ডকুমেন্টস হচ্ছে Resume এবং Statement of Purpose (SOP). এগুলো তৈরির জন্য আগে যারা এপ্লিকেশন করেছে তাদের থেকে নমুনা সংগ্রহ করে সে অনুযায়ী নিজে ড্রাফট করে ফেলা যায়। তারপর সেই ড্রাফট চ্যাট জিপিটির সাহায্যে ফাইনাল করে ফেলা যায়।