Перейти к содержимому

সুপারি বাগান কেন করবেন!!☝️|খোলান কৃষি | সুপারি চাষ

খোলান কৃষি

0:00 / 0:00

সুপারি বাগান কেন করবেন!!☝️|খোলান কৃষি | সুপারি চাষ

9 852 просмотра · 2 г. назад
খোলান কৃষি
22,2 тыс. подписчиков
9 852 просмотра · 2 г. назад
সুপারি বাগান করার অনেকগুলো কারণ রয়েছে, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে সুপারি একটি জনপ্রিয় ফসল।লং টাইমে অধিক অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে সুপারি বাগান হতে পারে উৎকৃষ্ট মাধ্যম।সুপারির চাহিদা ও বাজারদর হিসেবে যাদের মোটামুটি জমি জায়গা আছে তাদের একটা সুপারি বাগান থাকা উচিৎ।তবে সুপারি বাগান করার ক্ষেত্রে বা সুপারি চাষ করার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় জানা অত্যন্ত জরুরী। ১.সুপারি চাষের সুবিধা: সুপারি অত্যন্ত লাভজনক একটি ফসল, যার চাহিদা সারা বছরজুড়ে থাকে। দেশীয় বাজার ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারেও সুপারির চাহিদা অনেক বেশি। সুপারি গাছ একবার রোপণ করলে অনেক বছর ধরে ফল দেয়। প্রথম ৬-৭ বছরের মধ্যে গাছ থেকে ফল পাওয়া শুরু হয় এবং এরপর প্রায় ৫০ বছর পর্যন্ত গাছ থেকে সুপারি সংগ্রহ করা যায়।অন্যান্য অনেক ফসলের তুলনায় সুপারি গাছের রক্ষণাবেক্ষণ তুলনামূলকভাবে সহজ। এটি প্রতিদিনের নজরদারি বা বড় ধরনের পরিচর্যা ছাড়াই ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়। সুপারি গাছ মাটি ক্ষয় রোধ করে এবং বৃষ্টির পানির ধারণক্ষমতা বাড়ায়। এটি মাটি উন্নত করতে সহায়ক এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখে।তাই মাছের খামার কিংবা পুকুরের পাড়ের মাটি ক্ষয় রোধ করতেও পুকুরের পাড়ের উপরের অংশে সুপারি গাছ সাড়ি করে লাগানো যেতে পারে।সুপারি বাগানের সঙ্গে অন্যান্য ছোট ফসল যেমন আদা, হলুদ, পানের মতো ফসল চাষ করা যায়, যা অতিরিক্ত আয়ের উৎস হতে পারে। ২. সুপারির জমি প্রস্তুতি, চারা রোপণ ও পরিচর্যা: সুপারি গাছের জন্য গভীর, উর্বর এবং ভালো পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্পন্ন দো-আঁশ মাটি উপযুক্ত। রোপণের আগে জমি ভালোভাবে চাষ করে নিতে হবে। আগাছা পরিষ্কার করে মাটি সমান ও ঝরঝরে করতে হবে।গাছ রোপণের জন্য ২.৭৫-৩ মিটার দূরত্বে ৫০ সেমি গভীর এবং ৫০ সেমি চওড়া গর্ত করতে হয়। গর্তে ৪-৫ কেজি পচা গোবর বা জৈব সার দিয়ে রাখতে হয়।স্বাস্থ্যকর ও রোগমুক্ত চারা নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত এক বছর বয়সী চারা রোপণের জন্য উত্তম।বর্ষাকাল চারা রোপণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে চারা রোপণ করা ভালো হয়।চারাগুলো গর্তের মধ্যে বসিয়ে মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হয় এবং মাটি একটু চাপ দিয়ে মজবুত করতে হয়।সুপারি গাছের ভালো বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত সার প্রয়োগ প্রয়োজন। সাধারণত বছরে দুইবার, বর্ষাকালের আগে এবং পরে, গাছে সার প্রয়োগ করা হয়।প্রতি গাছে ১০-২০ কেজি জৈব সার, ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩৫০ গ্রাম ফসফেট এবং ১ কেজি পটাশ প্রয়োগ করা হয়।প্রথম কয়েক বছর নিয়মিত সেচ দেওয়া প্রয়োজন, বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে। তবে অতিরিক্ত পানি জমে না থাকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে, কারণ সুপারি গাছ পানির অতিরিক্ততা সহ্য করতে পারে না।গাছের চারপাশের আগাছা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। এটি গাছের বৃদ্ধি ও পুষ্টি গ্রহণের জন্য সহায়ক। ৩. সুপারির ফসল সংগ্রহ,ফলন ও আয়: সুপারি গাছ সাধারণত ৬-৭ বছর পর ফলন দেয়। ফল পাকার পর তা সংগ্রহ করা হয়। পাকা বা কাঁচা অবস্থায় সুপারি সংগ্রহ করা যায়, যা পরবর্তীতে শুকিয়ে বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়।সুপারি গাছ বছরে একবার বা দুবার ফল দেয়। একটি গাছ থেকে গড়ে ২০০-৩০০টি সুপারি পাওয়া যায়, যা বাজারে বিক্রি করে ভালো আয় করা যায়। সঠিক যত্ন ও পরিকল্পনা অনুযায়ী সুপারি চাষ করলে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ও লাভজনক ফসল হিসেবে সুপারি বাগান খুলে দিতে পারে ভাগ্যের নতুন দুয়ার। ★Welcome to Kholankrishi! 🌱 At Kholankrishi, we are passionate about promoting natural farming and sustainable agriculture techniques that nourish our planet and empower local communities. Join us on this journey as we explore innovative practices, share practical tips, and showcase success stories from farmers who are making differences. Don’t miss out on our exciting content! Hit that subscribe button and turn on notifications to be the first to know when we release new videos. Together, we can cultivate a greener, healthier world. Join the Kholankrishi community today! 🌿 Notice for Copyright :If any person or organization copies the video of my channel, I will claim the copyright and accept it legally according to the constitution of Bangladesh. #supari_bagan_korar_niyom #কৃষি #betel_nut_cultivation #farming #সুপারি_বাগান