Перейти к содержимому

রেডিও নাটক / জীবন থেমে নেই

90s Natok

0:00 / 0:00

রেডিও নাটক / জীবন থেমে নেই

586 просмотров · 1 год назад
90s Natok
8,55 тыс. подписчиков
586 просмотров · 1 год назад
দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা এবং রিকশা দুর্ঘটনার মতো ঘটনার মধ্য দিয়ে সোহেলের প্রথম কর্মদিবসের শুরু হয়। অফিসে গিয়ে তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে তার পুরোনো সহপাঠী প্রীতির দেখা পান। দুজনেই একই অফিসে যোগ দিয়েছেন এবং তাদের বস মি. রহিম সোহেলের বাবার বন্ধু হওয়ায় তাদের ওপর একটি বিশেষ নজরদারি তৈরি হয়। কর্মক্ষেত্রে তাদের পাশাপাশি বসানো হলে সহকর্মী আক্কেল মিয়া ও বুদ্ধু মিয়া তাদের সম্পর্ক নিয়ে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন। পারিবারিক চাপ ও স্বপ্নার গল্প: সোহেলের মা প্রীতির প্রতি অসন্তুষ্ট হন এবং আশঙ্কা করেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ে সোহেলের পূর্বের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। তিনি প্রীতির কাছ থেকে আসা একটি চিঠিও আটকে দেন এবং চান সোহেল তার চাচাতো বোন স্বপ্নাকে বিয়ে করুক। এদিকে, কঠোর পারিবারিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যেও স্বপ্না গোপনে প্রতিবেশীর ছেলের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং পালিয়ে যায়, যা প্রথাগত রীতির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ইচ্ছার জয়ের এক শক্তিশালী উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়। সহকর্মী আক্কেল মিয়া তার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে "বাণিজ্য-ভিত্তিক বিবাহে"র পক্ষে যুক্তি দেন, যেখানে তিনি একজন কর্মজীবী স্ত্রীকে আর্থিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার জন্য "জীবন বীমা" হিসেবে দেখেন। নাটকের মোড় নেয় যখন সোহেল এক গুরুতর দুর্ঘটনায় তার ডান চোখে স্থায়ী আঘাতের ঝুঁকির মুখে পড়েন। এই কঠিন সময়ে, প্রীতি, যিনি নিজেও পারিবারিক চাপে চাকরি ছেড়ে দিতে যাচ্ছিলেন, দ্রুত হাসপাতালে ছুটে আসেন। প্রীতির ও-নেগেটিভ রক্ত সোহেলের রক্তের সাথে মিলে যাওয়ায় তিনি রক্ত দান করে সোহেলের জীবন বাঁচান। শুরুতে প্রীতি চলে যেতে চাইলেও, আক্কেল মিয়া ও বুদ্ধু মিয়ার মধ্যস্থতায় তিনি থেকে যান। সোহেল প্রীতির প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করেন, এবং প্রীতিও সোহেলের চোখের আঘাত সত্ত্বেও তার পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। নাটকটি সোহেলের বাবা-মায়ের পরোক্ষ স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়। সমগ্র ঘটনাপ্রবাহ "জীবন থেমে নেই" (Life Doesn't Stop) এই থিমটিকে ফুটিয়ে তোলে, যা বোঝায় যে জীবন তার নিজস্ব গতিতে চলে এবং সম্পর্কগুলো সব প্রতিকূলতা ও সামাজিক চাপকে অতিক্রম করতে পারে। নাটকটি রচনা করেছেন সৈয়দ মুয়াজ্জেম হোসেন এবং প্রযোজনা করেছেন সাদিকুর রহমান। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাইফউদ্দিন আহমেদ, আনিসুর রহমান, সোলায়মান খোকা, মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, শেখর আহমেদ, শামসুল ইসলাম, শারফুদ্দিন আহমেদ খোকা, রোকেয়া শামিম আন্না, সেলিনা খন্দকার শোভা, বিলকিস ফাতেমা ঝরণা, শিরিন বকুল এবং মোস্তফা কাইয়ুম খান। সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন মাহবুবুর রহমান।