Перейти к содержимому

প্রেশার বা ডায়েবেটিসের রোগীরা ডক্টরের কাছে আসার আগে যে ভুল গুলো করেন

MediTalk Digital

0:00 / 0:00

প্রেশার বা ডায়েবেটিসের রোগীরা ডক্টরের কাছে আসার আগে যে ভুল গুলো করেন

347 просмотров · 1 день назад
MediTalk Digital
1,44 млн подписчиков
347 просмотров · 1 день назад
প্রেশার বা ডায়েবেটিসের রোগীরা ডক্টরের কাছে আসার আগে যে ভুল গুলো করেন / হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এ বাকী, চেম্বারঃ জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল, ঢাকা, 01711647877, 01979241736 / ইবনে সিনা (ধানমন্ডি, ঢাকা) 01975886118, 10615 ডায়াবেটিস রোগীদের হার্টের সমস্যা থাকলে জীবনযাত্রায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা জরুরি, কারণ ডায়াবেটিস হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সুস্থ জীবনযাপন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে: রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ: রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সবচেয়ে জরুরি। নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে এবং প্রয়োজনে ইনসুলিন নিতে হবে। তিন মাসের গড় শর্করা (HbA1C) ৭-এর নিচে, সম্ভব হলে ৬.৫-এর নিচে রাখার চেষ্টা করতে হবে। রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ: রক্তচাপ ১৩০/৮০ এর নিচে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ নিয়মিত গ্রহণ করতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: ফলমূল ও শাকসবজি: প্রচুর পরিমাণে তাজা ফলমূল ও শাকসবজি খেতে হবে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন – ওটস, বাদামী চাল, লাল আটার রুটি, ডাল, শিম, মটর, ফল ও সবজি খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন। চর্বি নিয়ন্ত্রণ: স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার যেমন – মাংসের চর্বি, মুরগির চামড়া, মাখন, চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত পণ্য, ফাস্ট ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও তেল এড়িয়ে চলতে হবে। স্বাস্থ্যকর চর্বি যেমন – অলিভ অয়েল, বাদাম, অ্যাভোকাডো খাওয়া যেতে পারে। লবণ ও চিনি: খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও চিনি যোগ করা থেকে বিরত থাকুন। মাছ: চর্বিযুক্ত মাছ যেমন – স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকেরেল ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা যেকোনো ধরনের শারীরিক পরিশ্রম করা জরুরি। কায়িক পরিশ্রম ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন: ধূমপান এবং অতিরিক্ত মদ্যপান হৃদরোগের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয়, তাই এগুলো সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের অতিরিক্ত ওজন, বিশেষ করে পেটের চর্বি কমানোর চেষ্টা করতে হবে। মানসিক চাপ কমানো: অতিরিক্ত মানসিক চাপ ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগ উভয়কেই প্রভাবিত করে। তাই ধ্যান, যোগব্যায়াম বা অন্যান্য শিথিলকরণ কৌশলের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন। পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, রক্তে শর্করা, রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা এবং হার্টের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। অনেক সময় ডায়াবেটিস রোগীদের "সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক" হতে পারে, অর্থাৎ ব্যথা বা অস্বস্তি ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হয়, তাই নিয়মিত চেকআপ গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্দেশনাগুলো মেনে চললে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিরা হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারবেন। Disclaimer This channel is for informational purposes only. It is not intended to be a substitute for professional medical advice, diagnosis, or treatment. Always seek the advice of your doctor with any questions you may have regarding a medical condition or health problems. Reliance on any information provided on this channel is solely at your own risk.