Перейти к содержимому

"ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি" ।।অর্পিতা ঘোষ।।

Arpita's song

0:00 / 0:00

"ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি" ।।অর্পিতা ঘোষ।।

652 просмотра · 3 недели назад
Arpita's song
118 подписчиков
652 просмотра · 3 недели назад
"ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি" হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ও হৃদয়বিদারক শোকগাথা বা নজরুল সঙ্গীত। কবির ছোট ছেলে অরিন্দম খালেদ মাত্র চার বছর বয়সে গুটিবসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পুত্রের এই অকালমৃত্যুর গভীর শোক ও হাহাকার থেকেই কবি এই গানটি রচনা করেছিলেন। গানটির মূলভাব ও সারসংক্ষেপ: পিতা ও পুত্রের সুমধুর স্মৃতি: বুলবুলি ছিল কবির কণ্ঠের ও প্রাণের পাখি, তার মিষ্টি সুরে মুখরিত হতো কবির গৃহ। সেই আদরের সন্তান আজ চিরতরে ঘুমিয়ে পড়েছে। মৃত্যুর নির্মম বাস্তবতা: মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া সন্তানকে হারিয়ে একজন অসহায় পিতার বুকফাটা কান্না এবং চিরদিনের নীরবতা এখানে ফুটে উঠেছে। প্রকৃতির সাথে শোকের রূপায়ন: সন্তানের প্রয়াণে চারপাশের প্রকৃতিও যেন স্তব্ধ ও ম্লান; সাঁঝের ঝরা ফুলগুলো করুণ চোখে চেয়ে রয়েছে, যা কবির অন্তরের নিঃসঙ্গতা ও বিষাদকে তীব্র করে তোলে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কবিতায় প্রকৃতির এক অপরূপ, শান্ত ও বিষাদময় সন্ধ্যাকালীন রূপ ফুটে উঠেছে। সারাদিনের ব্যস্ততা ও ক্লান্তি শেষে সমস্ত প্রকৃতি যেন শ্রান্ত হয়ে এক গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। ​প্রকৃতির নীরবতা: দিনশেষে চারপাশের আলো আস্তে আস্তে মিলিয়ে যায়। পাখি তার নীড়ে ফিরে এসেছে, বাতাস থমকে গেছে, এবং নদী বা জলের তরঙ্গও শান্ত রূপ ধারণ করেছে। ​শ্রান্তির কোল: দিনের আলো ও কর্মচাঞ্চল্যের অবসান ঘটিয়ে অন্ধকার যেভাবে রূপ নেয়, তাকে কবি প্রকৃতির এক মায়াবী আশ্রয় হিসেবে দেখেছেন। ক্লান্তি শেষে এই ঘুম যেন সব দুঃখ, কষ্ট ও গ্লানি মুছে দেওয়ার এক পরম সান্ত্বনা। ​আধ্যাত্মিক সুর: কবির বর্ণনায় কেবল বাহ্যিক অন্ধকার নয়, বরং আত্মার এক গভীর শান্তির অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। শ্রান্ত পৃথিবীকে ঈশ্বর বা প্রকৃতি যেন স্নেহের আঁচল দিয়ে ঢেকে সুষুপ্তির কোলে স্থান দিয়েছেন। ​সংক্ষেপে, কবিতাটি কর্মমুখর দিনের শেষে প্রকৃতির বুকে নেমে আসা নিবিড় শান্তি, নীরবতা এবং ক্লান্তি দূরকারী গভীর সুষুপ্তির এক কাব্যিক চিত্রায়ন।