মেডিকেলের বান্ধবীর ভৌতিক গল্প নদীর পাড়ে মেয়েকে শোনানোর অভিজ্ঞতা! #BanglaHorror #Scary
Shahin Lifestyle
0:00 / 0:00
মেডিকেলের বান্ধবীর ভৌতিক গল্প নদীর পাড়ে মেয়েকে শোনানোর অভিজ্ঞতা! #BanglaHorror #Scary
99 просмотров · 8 дн. назад
Shahin Lifestyle
55 подписчиков
99 просмотров · 8 дн. назад
আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। আজকে আপনাদের এমন একটা ঘটনা শোনাব যা শুনলে আপনারাও হয়তো ভাবতে বসবেন— হাসপাতালের মতো জায়গায় রাতের অন্ধকারে কীভাবে এমন রহস্যময় ঘটনা ঘটতে পারে! ঘটনাটা ঢাকার একটা নামকরা বেসরকারি মেডিকেলের। ঘটনাটা আমি এক নারী বন্ধুর কাছ থেকে শুনেছি। তার কাছ থেকে শোনা সেই ঘটনাটাই আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। ঘটনাটি এমন এক রাতের, যে রাতে হাসপাতালের একটা সিল করা রুমের ভেতরে এমন কিছু ঘটেছিল, যার কোনো ব্যাখ্যা তারা খুঁজে পায়নি। রাত তখন আনুমানিক আড়াইটা থেকে তিনটা। পোস্ট-অপারেটিভ রিকভারি রুমে ডিউটিতে ছিল মিলা আর নিলা। হঠাৎ তারা রুমের ভেতর থেকে একটা অদ্ভুত শব্দ শুনতে পেল। শব্দটা ছিল গুমগুমে, ঘড়ঘড়ে— যেন কেউ ভেতর থেকে কষ্ট করে কাঁদছে। প্রথমে বুঝতে পারছিল না কোথা থেকে আসছে। তারপর ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্লাশের মতো শব্দ শোনে, ভয়ে তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসে। বাইরে নিলা জিজ্ঞেস করে, 'কী হলো?' মিলা খুব ভয় পেয়ে সব বলতে চায়নি। শুধু বলল, 'আমার হয়ে গেছে, তুই যা।' পরে নিলা ভেতরে ঢুকে দেখে বেসিনের কল খোলা, পানি পড়ছে। সে ভাবল, মিলা খুলে রেখে গেছে। কিন্তু মিলা তো কল খুলেনি। দুইজন একে অপরের দিকে তাকাল। ভয় আরও বেড়ে গেল। তাই দ্রুত রিকভারি রুমে ফিরে এলো। কিন্তু সেখানেও শান্তি পেল না। কিছুক্ষণ পর আবার সেই গুমগুমে কান্নার মতো শব্দ, ভেতর থেকে ঘড়ঘড় করে কাঁদার আওয়াজ। কিন্তু রোগীরা তো কাঁদছে না— সবাই চুপচাপ। এটা আবারও তাদের ভয় বাড়িয়ে দিল। তখন তারা বাধ্য হয়ে হাসপাতালের একজন ক্লিনারকে ফোন দিল। ক্লিনার ঘুমজড়ানো চোখে এসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে ভেতরে ঢুকল। ভেতরে ঢুকে জিজ্ঞেস করল, 'কী হয়েছে? তোমরা আমাকে এই রাতে ডাকলে কেন?' মিলা আর নিলা বলল, 'আমাদের একটু ভয় লাগছে, তাই ডাকছি।' ক্লিনার হেসে বলল, 'কিসের ভয়? ভয় পাওয়ার কিছু নাই। এখানে তো রোগী আছে, তোমরা ডিউটি করছো। এসব নিয়ে এত ভয় পাওয়ার কী আছে?' সে তাদের বোঝাতে চেষ্টা করল যে, ভয়ের কিছু নেই। এরপর সে তাদের সাথে বসে গল্প করতে লাগল। কিছুক্ষণ গল্প করার পর তার চোখে ঘুম চলে এল, সে ওখানেই শুয়ে পড়ল। কিন্তু হঠাৎ আবার সেই গুমগুমে কান্নার শব্দ, যেটা শুনে ক্লিনার লাফ দিয়ে উঠল। যে মানুষটা একটু আগেই বলেছিল, 'ভয়ের কিছু নেই', সেই মানুষটিও এবার প্রচণ্ড ভয় পেয়ে গেল। সে চারদিকে তাকাতে লাগল। তারপর রোগীদের দিকে তাকিয়ে দেখল— কোনো রোগী কাঁদছে না। কারও কোনো সমস্যা নেই। সবাই স্বাভাবিক। তাহলে কান্নার শব্দটা আসছে কোথা থেকে? ক্লিনারও এবার বুঝতে পারল না কী হচ্ছে। তারা সবাই একই রুমের ভেতরে ছিল, রুমটি সিল করা, বাইরে থেকে কোনো শব্দ আসার কথা নয়। অথচ তাদের সামনে বারবার এমন শব্দ শোনা যাচ্ছিল, যার কোনো উৎস তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। সেই রাতের বাকি সময়টা তাদের কাছে কীভাবে কেটেছিল, সেটা সহজেই অনুমান করা যায়। অবশেষে রাত পেরিয়ে সকাল হলো। মিলা ও নিলার ডিউটি শেষ হলো। তারা রুম থেকে বের হওয়ার সময় এমন একটা দৃশ্য দেখতে পেল, যা তাদের ভয়কে আরও বাড়িয়ে দিল। পুরো ফ্লোরে কাদামাখা পায়ের ছাপ! ছাপগুলো দেখে মনে হচ্ছিল, কেউ যেন কাদামাটি মাখা খালি পায়ে হেঁটে পুরো ফ্লোর দিয়ে গেছে। গ্রামের মাটির রাস্তা দিয়ে কেউ হেঁটে এসে ভেজা কাদা পায়ে মেঝেতে হাঁটলে যেমন ছাপ পড়ে, ঠিক তেমনই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই কাদা এলো কোথা থেকে? রুম তো সিল ক #banglamystery #fitness #নদী #বাংলাদেশ #রহস্যেরগল্প #outdoorfitness #realstory #bangladeshbeauty রা ছিল। সেখানে তো ঢুকতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্রয়োজন। রাতের বেলায় তারা কোনো অচেনা মানুষকে ঢুকতে দেখেনি। তাহলে এই কাদামাখা পায়ের ছাপ কার? রাতের সেই কান্নার শব্দের সঙ্গে কি এর কোনো সম্পর্ক ছিল? নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে ছিল? কেউই সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারল না। ঘটনাটি আমার এক নারী বন্ধুর কাছ থেকে শোনা। তাই এটিকে তার কাছ থেকে শোনা রহস্য গল্প হিসেবেই আপনাদের মধ্যে শেয়ার করলাম। এর সত্যতা আমি স্বাধীনভাবে যাচাই করিনি। আপনারা কী মনে করেন, হাসপাতালের সেই সিল করা রুমে আসলে কী ঘটেছিল? আপনাদের মতামত কমেন্টে জানাবেন। গল্পটি ভালো লাগলে লাইক দেবেন, আর এমন রহস্যময় ঘটনা শুনতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।