Перейти к содержимому

দারুন বিধিরে এত দুঃখ না সয় শরিলে। শিল্পী ধনঞ্জয় রায়ের কন্ঠে। সুন্দর একখানা কুষান গান।।

RMT COOCH BEHAR

0:00 / 0:00

দারুন বিধিরে এত দুঃখ না সয় শরিলে। শিল্পী ধনঞ্জয় রায়ের কন্ঠে। সুন্দর একখানা কুষান গান।।

57 684 просмотра · 2 г. назад
RMT COOCH BEHAR
7,08 тыс. подписчиков
57 684 просмотра · 2 г. назад
দারুন বিধিরে এত দুঃখ না সয় শরিলে। শিল্পী ধনঞ্জয় রায়ের কন্ঠে। সুন্দর একখানা কুষান গান মনের কথা প্রানে জানে না জানে সোদর ভাই যায় জানে তায় সত্যের কর্ম করে না জানিলে জীবন মাটি খায় ছাই ভস্ম চাটি"। সমস্ত কুচবিহার বাসীকে এটা জানা অবশ্যই দরকার যে, মহারাজা বানিয়ে জীবন যাপন করা এটা বৃহত্তর কুচবিহারবাসীর বংশ পরম্পরাগত ঐতিহ্য সভ্যতা। বিখ্যাত ঐতিহাসিক ম্যাক্স মুলান বলেছেন - "যে জাতি তার অতীত ইতিহাস জানেনা সেই জাতি পৃথিবী থেকে আস্তে আস্তে ধ্বংস হয়ে যায় "। এই জন্যে কুচবিহারের অতীত ইতিহাস জানাটা প্রত্যেকটা কুচবিহারবাসীর অবশ্যই প্রয়োজন।আর সেটা না করে যদি আমারা অন্যের ইতিহাস পড়ি,অন্যের কথামতো চলি, নিজের ধর্ম বাদ দিয়ে যদি পরের ধর্ম গ্রহণ করি, তাহলে সেটা হবে মস্ত বড় ভুল কাজ।গীতাতে মহারাজা শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন "কুরু সর্বধর্মে নিধনং শ্রেয় পরধর্ম ভয়াবহ"। কুচবিহারের শেষ মহারাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ন ভূপবাহাদুর বাল্য কালেই মাত্র ১২ বছর বয়সে ১৯১২ সালে কুচবিহারের মহারাজা হিসেবে রাজ্যভিষেক হন। তারই আমলে ১৯৪৯ সালের ২৮শে আগষ্ট ভারত ভূক্তি চুক্তি হয়। ১৯৭১ সালে মহারাজা পরলোক গমন করেন। এরপর ১৯৭১ সালে মহারাজা বিরাজেন্দ্র নারায়ন ভূপবাহাদুর রাজ্যভিষেক হন এবং ১৯৯২ সালে পরলোক গমন করেন। যেহেতু মহারাজা বানিয়ে জীবন যাপন করা কুচবিহার বাসীর বংশ পরম্পরাগত ঐতিহ্য সেহেতু পুনরায় মহারাজা বানিয়ে জীবন যাপন করার সিদ্ধান্ত নেয় কুচবিহারবাসী। কিন্তু কুচবিহারবাসী কাকে মহারাজা বানাবে? মহারাজা তাঁকেই বানানো হয় , যার মধ্যে তিনটে গুন বর্তমান স্বতগুন,রজগুন ও তমগুন।যাঁর কাছে ভূত, ভবিষ্যৎ ও বর্তমান কালের জ্ঞান পাওয়া যায়, তাকেই মহারাজা বানানো হয়। সব দিক বিচার করে অনন্ত রায়কে মহারাজা বানানোর সিদ্ধান্ত নেয় কুচবিহারবাসী।যাঁর মধ্যে এই তিনটি গুণ বর্তমান এবং তাঁর জন্ম কাহিনীটাও অন্যান্য মানুষের তুলনায় রহস্যময়, তাই ১৯৯৪সালে গোসানীমারীত মহারাজা কান্তেশ্বরের রাজপাটে নিয়মানুসারে সাতজন অধিকারীর দ্বারা শিবচন্ডীর পূজা ও যজ্ঞ করে, ২০ জন কুমারী মেয়েকে নিয়ে, হলুদ চন্দন গায়ে লাগিয়ে ও সাত কুয়োর ২১ কলসী জল দিয়ে স্নান করিয়ে - রীতি মতো হাজার হাজার মা ও বোনের শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে কুচবিহার রাজ্যের মহারাজা হিসেবে রাজ্যভিষেক করা হয় মহারাজা শ্রীশ্রী অনন্ত রায়কে। এই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ছিল নটবর নবরত্ন কমিটির সম্পাদক শ্রী অরুণ রায়, সভাপতি শ্রী মহেন্দ্র দাস। অনুষ্ঠানটি কুচবিহারের A.D.M তদারকি করেন। 🙏🏻🙏🏻🙏🏻 জয় শিবচন্ডী 🙏🏻🙏🏻🙏🏻 যথা ধর্ম তথা জয় 🙏🏻🙏🏻🙏🏻 জয় কুচবিহার ভূ-খন্ডের পরম ধন্য মহারাজা শ্রীশ্রী অনন্ত রায়ের জয় 🙏🏻🙏🏻🙏🏻 জয় কুচবিহার রাজ্যের জয় 🙏🏻🙏🏻🙏🏻 জয় আমার পূর্ব পুরুষের জয় 🙏🏻🙏🏻🙏🏻 জয় কুচবিহার ভূ-খন্ডের মানুষের সমন্বয়- সম্প্রীতির জয় 🙏🏻🙏🏻🙏🏻 জয় কুচবিহার ভূ-খন্ডের ইতিহাস -ঐতিহ্যের জয় 🙏🏻🙏🏻🙏🏻 জয় কুচবিহার ভূ-খন্ডের মানুষের সমাজ - সভ্যতার জয় 🙏🏻🙏🏻🙏🏻 জয় কুচবিহার ভূ-খন্ডের মানুষের ভাষা -কৃষ্টি_সংস্কৃতির #rmt cooch behar #gcpa song #rajbongshi song 🎵 #rmt