Перейти к содержимому

হোসেনপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এর ইতিহাস ও ঐতিহ্য। বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ। April 24, 2022

Amrar News - আমরার নিউজ

0:00 / 0:00

হোসেনপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এর ইতিহাস ও ঐতিহ্য। বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ। April 24, 2022

598 просмотров · 4 г. назад
Amrar News - আমরার নিউজ
391 подписчик
598 просмотров · 4 г. назад
Facebook page : www.facebook.com/amrarnews হোসেনপুরের মাইজ বাজারো হোসেনপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ডা অবস্থিত, হোসেনপুর জামে মসজিদের আছে সোনালি অনেক ইতিহাস। হোসেনপুর বাজার একটা জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও ব্যবসায়ী জনপদ। এইনো প্রতিদিন শত শত মানুষ হাট বাজার ও বিভিন্ন কাজ কামে আয়ে। এখন যে মসজিদ টা দেখতাছুইন গত কয়েক বছর আগেও মসজিদ টা এমন আছিন না। ২০১৪ সালে প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যায়ে এই নতুন মসজিদ টা নির্মাণ হইছে। ২০১৪ সালে মসজিদ টা ২ তলা বিশিষ্ট আছিন, বড় একটা মিনার সবার নজর কাড়তো, বাজারের যেকোনো সাইড তেই মিনার টা ভেসে উঠত৷ যতদূর জানোন গেছে , বর্তমান হোসেনপুর জামে মসজিদ ডা নির্মাণের পূর্বে এডা আছিন কন্ট্রোলের দোহান।চরকাওনার জনাব হাফেজ মুনিরুদ্দিন সাব,হোসেনপুরের জনাব সোনা মলভি সাব এবং একজন ডাক্তার জনাব শামসুদ্দিন খান।এই তিন জনের পরিকল্পনায় মসজিদ ডার সূচনা হয়।তহন মৌলভি আব্দুল হাই সাবরে আইনা ইমামতি প্রদান করা হয়।উনিই আছিন এই মসজিদের প্রথম ইমাম। তহন ,সর্বজন শ্রদ্ধেয় জনাব আলহাজ্ব আবদুল হামিদ দ্বীপেশ্বরী সাব( বুলবুলি সাব) তহন ভারতের আসামে অবস্থান করছিলেন।পরবর্তীতে তিনি ফিরে এলে ইমামতির দায়িত্ব পান এবং মসজিদের খেদমতে একনিষ্ঠ হন।মসজিদ নির্মাণের রাজ কারিগর আনা হয়সিন ঢাহার থে। বিক্রমপুরের কিছু লোকও এখানে কাজ করছিন। তখন সমডায় আছিন ১৯৪৪-৪৫। ফইল্লা মসজিদের সভাপতি আছিন জনাব ডাক্তার শামসুদ্দিন খান। সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেছিলেন জনাব হাফেজ মুনিরদ্দিন।১৯৫৫ সালে মসজিদটির সভাপতি নিযুক্ত হন জনাব আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ দ্বীপেশ্বরী সাহেব। তৎকালীন মসজিদ পরিচালনা কমিটি উনাকে আজীবন সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেন।এর কিছুকালের মধ্যেই জনাব মাওলানা নসরত উল্লাহ সাহেবকেও ইমামতির জন্য নিযুক্ত করা হয়।১৯৫৫ সালে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি নিযুক্ত হন জনাব মিসবাহ উদ্দিন ( আবুল মিঞা)।পরবর্তীতে সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন জনাব আলহাজ্ব আবদুল খালেক সাব। যাক,পরবর্তী পর্যায়ে হোসেনপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক ও হোসেনপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মফিজুল হক খন্দকার ( মানিক সাব) মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।একটা সময় ছিল, যখন মেহরাবের অভ্যন্তরে লতাপাতা খচিত ফুলের আল্পনা আছিন।মসজিদের ভেতরেই আছিন পানির হাউজ।সে হাউজে নানা রঙের মাছেরা ছুটাছুটি করতো।ভেতরে ছাদে ঝুলিয়ে রাখা ছিল নানান রঙের ঝাড়বাতি।বাতিগুলো খুব মূল্যবান কাঁচের তৈরি ছিল। আজ সেসব অতীত ইতিহাস মাত্র। ধান মহালের দক্ষিণ পাশে যে টয়লেট আছে,সেটি মসজিদের মুসুল্লিগণ ব্যবহার করেন।কেন্দ্রীয় মসজিদের লাগুয়া যে হাফিজি মাদ্রাসা রয়েছে, সেটিও মসজিদ কমিটির দ্বারা পরিচালিত। এহন অবকাঠামোগত দিক থেকে মসজিদের স্বর্ণোজ্জ্বল ইতিহাস। ইমাম সাহেবের দায়িত্ব পান,হযরত মাওলানা আলহাজ্ব আবদুল হামিদ দ্বীপেশ্বরী সাহেবের সুযোগ্য পুত্র, মাধখলা সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সম্মানিত উপাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হযরত মাওলানা আবদুল আউয়াল সাহেব ( দুলাল হুজুর)। এখানে উল্লেখ্য যে, বেশ কয়েক বছর ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মরহুম জনাব হযরত মাওলানা নসরতউল্লাহ সাহেব।মরহুম হযরত মাওলানা গোলাম রব্বানী সাহেবও মসজিদের ইমাম হিসেবে ছিলেন। তিনি মসজিদ ভিত্তিক মাদ্রাসার দায়িত্বও পালন করে গেছেন পরে অনেক বছর হাফেফ জালাল উদ্দিন সাহেব মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার দায়িত্বে ছিলেন। এহন এই মসজিদে প্রায় ৬৫০ জন মুসল্লি একলগে নামাজ আদায় করতে পারে, হোসেনপুরের আডের দিনগুলোতে মুসল্লি সংখ্যা বাইড়া যায়, শুক্রবার ও ঈদের নামাজের জামাতে ৩ মসজিদের বাইরে ও ছাদেও নামাজ আদায় করে।