মা কল্যানেশ্বরী মন্দিরের অলৌকিক ইতিহাস || Kalyaneshwari Mandir History #Kalyaneshwari #কল্যানেশ্বরী
Bharat Darshan
0:00 / 0:00
মা কল্যানেশ্বরী মন্দিরের অলৌকিক ইতিহাস || Kalyaneshwari Mandir History #Kalyaneshwari #কল্যানেশ্বরী
4 973 просмотра · 2 г. назад
Bharat Darshan
8,15 тыс. подписчиков
4 973 просмотра · 2 г. назад
পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল এলাকার কল্যাণেশ্বরী মন্দির। এই মন্দিরকে কেন্দ্র গড়ে বর্তমানে গড়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্র। আসানসোল বা পশ্চিম বর্ধমান তো বটেই গোটা পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে এই এলাকা বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে।
কারণ, প্রাচীন ইতিহাস আর কিংবদন্তির এমন সহাবস্থান চট করে পাওয়া যায় না। বরাকরের কাছে এই মন্দিরের অদূরেই তৈরি হয়েছে মাইথন ব্যারাজ। রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা আসেন নদী, ব্যারেজ ও মন্দিরের সম্মিলনে গড়ে ওঠা এই পর্যটন স্থলে।
লোকমুখে প্রচলিত কাহিনি অনুসারে, সবনপুরের চারপাশে ছিল গ্রাম। সেখানে নাকি সারাদিন ধান থেকে চাল ও চিড়ে তৈরি করা হত। ঢেকির আওয়াজে দেবী কল্যাণেশ্বরী বিরক্ত হয়ে কাশিপুর রাজাকে স্বপ্নাদেশ দিয়ে বলেন, তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করতে।
দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে রাজা নিকটবর্তী একটি জঙ্গলে দেবীর মন্দির স্থানান্তরিত করেন। পরে এই জঙ্গলকে ঘিরে সিদ্ধপীঠ গড়ে ওঠে। শোনা যায়, এই মন্দিরে প্রথম সিদ্ধিলাভ করেছিলেন কাপালিক দেবিদাস চট্টোপাধ্যায়। তাই কল্যানেশ্বরীকে সিদ্ধপিঠ বলা হয়
এই মন্দিরটিই আজ কল্যাণেশ্বরী মন্দির নামে পরিচিত। আজও এখানে এক ছোট গুহার মধ্যে দেবীকে রাখা হয়।
আর বাইরে রাখা হয়েছে অষ্টধাতুর দক্ষিণাকালী মূর্তি। এই কালীমূর্তিই মা কল্যাণেশ্বরী রূপে পূজিত হন।
বর্তমানে দেবীর মন্দিরে পঞ্চাশ জন সেবাইত রয়েছেন। দেবীর নিত্যপুজোর দায়িত্ব তাঁদেরই কাঁধে। এই এলাকায় মন্দির তৈরির পরেও একটি কাহিনি প্রচলিত রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও দেবীর নিত্যপুজোর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বার নাকি এক শাঁখারি সারা দিন চারিদিকে ঘোরার পরেও শাঁখা বিক্রি করতে না পেরে দেবীর মন্দিরের সামনে এসে দুঃখপ্রকাশ করছিলেন।
জনশ্রুতি, তাঁর দুঃখ দেখে দেবী বালিকা রূপে তার কাছে এসে দুই হাতে শাঁখা পরে নেন। তিনি ওই শাঁখারিকে জানান, সবনপুর গ্রামে তাঁর বাবার কাছে গিয়ে শাঁখার পয়সা নিয়ে নিতে। এই কথা শুনে দেবীর বলে দেওয়া সবনপুর গ্রামনিবাসী ওই ব্যক্তির কাছে গিয়ে পৌঁছন শাঁখারি।
তাঁর কাছে সব ঘটনা শুনে সেই ভদ্রলোক চমকে যান। তিনি বলেন, “আমার তো কোনও কন্যা সন্তান নেই। তা হলে আমার নাম করে কে শাঁখা পরল?” এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তিনি শাঁখারির সঙ্গে মন্দিরের দিকে রওনা হন।
মন্দিরের সামনে গিয়ে ওই ব্যক্তি বলে ওঠেন, “কোথায় আমার মেয়ে আমি দেখতে পাচ্ছি না।” শাঁখারি বলে ওঠেন, “কোথায় গেলে মা তুমি। একবার দেখা দাও।”
প্রচলিত কাহিনি অনুসারে, তাঁদের ডাকে সাড়া দিয়ে দেবী কল্যাণেশ্বরী কন্যারূপে পাথরের চূড়ায় পিছন ঘুরে বসে শাঁখা পরা হাত দু’টি তুলে দেখিয়ে দেন। বর্তমানে দেবী কল্যাণেশ্বরীর মন্দিরে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দু থেকে আড়াই হাজার ভক্ত পুজো দিতে আসেন।
বছরের অন্য মাসগুলিতে শনিবার ও মঙ্গলবার প্রায় পাঁচশোর কাছাকাছি ভক্তের সমাগম হয়। ফি-বছর দুর্গাপুজোর সময়ে নবমীর দিনে ধুমধামের সঙ্গে দেবীর পুজো হয়।
নতুন মন্দিরের পাশেই রয়েছে চালনাদহের সেই ঘাট, যেখানে শাঁখা পড়েছিলেন স্বয়ং দেবী কল্যাণেশ্বরী। ঘাটের পাথরে মায়ের সেই পায়ের ছাপ আজও রয়ে গেছে।
কালীপুজোর রাতে প্রচুর ভক্তসমাগম হয় দেবী কল্যাণেশ্বরীর মন্দিরে। সারারাত ধরে চলে মায়ের পুজো। চালনাদহ ঘাটে প্রদীপ, মোমবাতি জ্বালিয়ে পুজো দেন তাঁরা।
#bharatdarshan
#bharatdarshanstudio
kalyaneswari kali mandir
kalyaneshwari mogal maa
kalyaneshwari mandir history
মা কল্যানেশ্বরী মন্দিরের ইতিহাস
kalyaneshwari temple: asansol
Mysterious story of 500 year old temple
মা কল্যানেশ্বরী
কল্যানেশ্বরী
kalyaneshwari temple in asansol
Old Temple In West Bengal
আসানসোলের মা ঘাগরবুড়ি সতীপীঠের অলৌকিক রহস্য
• Unveiling the Mysteries of Ghagar Buri Sat...
আসানসোলের চন্দ্রচূড় ধামের অলৌকিক ইতিহাস
• আসানসোলের চন্দ্রচূড় ধামের অলৌকিক ইতিহাস /...
#bharatdarshan