বর্তমান স্বর্ণকমল || এরশাদ শিকদারের বাসভবন || খুলনা || বাংলাদেশ
Rakib Siddique
0:00 / 0:00
বর্তমান স্বর্ণকমল || এরশাদ শিকদারের বাসভবন || খুলনা || বাংলাদেশ
12 348 просмотров · 1 мес. назад
Rakib Siddique
1,73 тыс. подписчиков
12 348 просмотров · 1 мес. назад
এরশাদ শিকদার বাংলাদেশের অপরাধজগতের অন্যতম আলোচিত ও কুখ্যাত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে স্থাপনাটির নাম জড়িয়ে আছে, সেটি হলো খুলনা শহরের ‘স্বর্ণকমল' তাঁর পুরনো বাসভবন। এরশাদ শিকদার খুলনার অপরাধজগতের একজন প্রভাবশালী সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিতি পান। বিশেষ করে খুলনার ৪ ও ৫ নম্বর ঘাট এলাকা ঘিরে তাঁর অপরাধী নেটওয়ার্ক ও প্রভাব বিস্তারের কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। একসময় তিনি খুলনা সিটি করপোরেশনের কমিশনারও ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের মামলা ছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে দুই ডজনের বেশি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় কয়েকটি হত্যা মামলায় তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়। ১০ মে ২০০৪ সালে খুলনা জেলা কারাগারে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। ‘স্বর্ণকমল’ এরশাদ শিকদারের পুরনো বাসভবন। স্বর্ণকমল ছিল খুলনা মহানগরের সোনাডাঙ্গা এলাকার মজিদ সরণিতে অবস্থিত তাঁর আলোচিত বাসভবন। বাড়িটি সাধারণ মানুষের কাছে শুধু একটি বাড়ি ছিল না এরশাদ শিকদারের অপরাধজগতের কারণে এটি ধীরে ধীরে রহস্য ও কৌতূহলের প্রতীক হয়ে ওঠে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাড়িটি কেডিএর প্রায় ১০ কাঠা জমির ওপর নির্মিত ছিল। সেখানে একটি পুরোনো তিনতলা ভবন এবং একটি দোতলা ভবন ছিল। মূল দোতলা ভবনটিই ‘স্বর্ণকমল’ নামে পরিচিত ছিল। স্বর্ণকমলকে ঘিরে বহু গল্প প্রচলিত ছিল। বিভিন্ন সংবাদ ও পুরোনো লেখায় বলা হয়েছে। বাড়িতে গোপন কুঠুরি/বাংকার ছিল বলে কথিত ছিল। অস্ত্র রাখার জায়গা ছিল, এমন কথাও প্রচলিত ছিল। বাড়ির ভেতরে বিপুল পরিমাণ টাকা লুকানো ছিল, এমন দাবিও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। বাড়ির নকশা ও নির্মাণ নিয়ে নানা রহস্যের গল্প প্রচলিত ছিল। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এসবের সবগুলোকে যাচাই করা ঐতিহাসিক তথ্য হিসেবে ধরা উচিত নয়। স্বর্ণকমলকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে ছড়ানো অনেক গল্পও সংবাদ প্রতিবেদনে এসেছে। একটি পুরোনো প্রতিবেদনে বাংকার থেকে একটি বিদেশি বন্দুক ও একটি পিস্তল উদ্ধারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট আছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে স্বর্ণকমল ভাঙার কাজ শুরু হয়। প্রথমে পুরোনো তিনতলা ভবনটি ভেঙে ফেলা হয় এবং পরে দোতলা ভবনেরও একটি অংশ ভাঙা হচ্ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে সেখানে নতুন বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, বর্তমানে ইন্টারনেটে যে পুরোপুরি অক্ষত ‘স্বর্ণকমল’ বাড়ির ছবি বা ভিডিও দেখা যায়, সেগুলোর অনেকগুলোই পুরোনো সময়ের। একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার স্বর্ণকমল সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য ও প্রচলিত কিংবদন্তিকে আলাদা করে দেখা জরুরি। যেমন “গোপন সুড়ঙ্গ” “কয়েক কোটি টাকা” “নির্মাণকারীকে হত্যা” এসব দাবি বিভিন্ন সংবাদ/স্থানীয় বর্ণনায় পাওয়া যায়, কিন্তু প্রতিটির স্বাধীন ও শক্ত প্রমাণ নেই। তাই এগুলোকে কথিত ঘটনা বা প্রচলিত গল্প হিসেবে উল্লেখ করাই নিরাপদ।
Like - Comment & Subscribe
Facebook Page: / rakibsiddiqueofficial
Second Channel: / @filmpoka
** For Business Inquiries: fillmpoka.bd@gmail.com