পেঁপের পাতা কোকড়ানো রোগ | Disease Management of Leaf Curl for Papaya Crop
RFIS Hindi
0:00 / 0:00
পেঁপের পাতা কোকড়ানো রোগ | Disease Management of Leaf Curl for Papaya Crop
1 367 просмотров · 4 г. назад
RFIS Hindi
52,9 тыс. подписчиков
1 367 просмотров · 4 г. назад
@RFInformationServices
পেঁপের পাতা কোকড়ানো রোগ এটি একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ হচ্ছে শোষক পোকা বিশেষ করে সাদা মাছি এই রোগ বহন করে| এর প্রতিকার ব্যবস্থা করতে গেলে শুরুতেই এগুলো করা উচিত।যাতে শোষক পোকা না লাগে শোষক পোকা কি করে পাতার রস চুষে খায় দিয়ে পাতা কোকড়ানো রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। এর প্রতিকার ব্যবস্থা হিসেবে জাতীয় শোষক পোকা বিষেশ করে সাদা মাছি না লাগে সে হিসেবে প্রথম থেকেই ব্যবস্থাগুলো করতে হবে। তার জন্য সাদা মাছি দমন করার কিছু পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করা দরকার ।প্রথমত করা দরকার যে হলুদ আঠালো ফাঁদ মানে হল Yeellow Sticky Starp বিঘা প্রতি 12 থেকে 14 টা লাগিয়ে দেওয়া, হলুদ রঙে আকৃষ্ট হয় এই হলুদ রঙে আকৃষ্ট হয়ে পতঙ্গ গুলো সেখানে আটকে যাবে ফলে পোকার বংশ বিস্তার রোহিত হবে। এছাড়া আর একটা জিনিস করা যেতে পারে যখন পোকা লাগছে ফসলের চারদিকে বা ভুট্টা বা অন্য কোন সফল যেগুলোতে এই পোকা না আসতে পারে সেই ব্যবস্থা করা। ভুট্টা Border Row হিসেবে ব্যবহার করা যায় তাহলে এই সাদা মাছি কম হবে | এর থেকে বাঁচতে গেলে যে সমস্ত কীটনাশক গুলো ব্যবহার করা যেতে পারে সেগুলো হচ্ছে থায়ামেথোক্সাম 25%wp বাজারে একতারা নামে পাওয়া যায় সেটি 10 লিটার জলে 3 গ্রাম হারে স্প্রে করা যেতে পারে বৈকাল বেলা| এছাড়া ডাইনোটেফুরান 20 SG 10 লিটার জলে 4 গ্রাম গুলে স্প্রে করা যেতে পারে বাজারে চলতি কথায় টোকেন এর নামে পাওয়া যায়। এর রিয়াকশন প্রায় কুড়ি দিনের মধ্যে এই 20 দিন পর্যন্ত অন্য কোন কীটনাশক ঔষধ ব্যবহার করা যাবে না ।এর পরবর্তীকালে আপনারা যে ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন ফ্লোনিকামিড 50wp বাজারে উলালা নামে পাওয়া যায় 10 লিটার জলে 2 গ্রাম হারে গুলে স্প্রে করলে সাদা মাছির ঠেকানো যায়। এখানে দেখছেন পাতা টা পুরোপুরি কুঁকড়ে গেছে পাতার রস চুষে খেয়েছে এবং পাতা গুলো দেখবেন নিচের দিকে বেঁকে গেছে এর সাথে অনুখাদ্যের ও বেশকিছু অভাব আছে |তো প্রথমেই আমরা কিন্তু এই পাতা কোকড়ানোর জন্য লিফ কার্ল ভাইরাস এটা আগে আমরা দমন করার চেষ্টা করব। আক্রান্ত ডাল এবং আক্রান্ত পাতা গুলো তুলে ফেলে তারপরে আমরা স্প্রে করার কথা চিন্তা ভাবনা করব। সুষম সার নাইট্রোজেন ,ফসফেট, পটাশ পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করব, নিম খোল পর্যাপ্ত পরিমাণে আমরা দেব। এই কথাগুলো যদি আমরা ঠিকঠাক সবাই চাষী ভাইরা যদি মেনে চলি তাহলেই পাতা কোকড়ানো রোগ ঠেকানো সম্ভব।