Перейти к содержимому

মুঘল মহাকাব্য ৩০০ বছরের শাসন ও পতন

Mohammad Ibrahim Haider

0:00 / 0:00

মুঘল মহাকাব্য ৩০০ বছরের শাসন ও পতন

252 просмотра · 2 нед. назад
Mohammad Ibrahim Haider
27 подписчиков
252 просмотра · 2 нед. назад
১৫২৬ সালে মধ্য এশিয়ার দুঃসাহসী যোদ্ধা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর সুলতানি শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে তাঁর বংশধরদের হাত ধরে এই সাম্রাজ্য এ এশিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত হয়। ১. সাম্রাজ্যের সুবর্ণ যুগ ও বিস্তার আকবর দ্য গ্রেট (১৫৫৬–১৬০৫): তিনি সাম্রাজ্যকে সুসংহত করেন, 'দ্বীন-ই-इলাহি' ও সহনশীল নীতির মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি আনেন এবং রাজস্বব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটান। জাহাঙ্গীর ও শাহজাহান (১৬০৫–১৬৫৮): মুঘল শিল্প, চিত্রকলার বিকাশ ঘটে জাহাঙ্গীর-এর সময়ে। পরবর্তীতে শাহজাহানের আমলে 'তাজমহল', 'ময়ূর সিংহাসন' ও 'লালকেল্লা' নির্মাণের মাধ্যমে মুঘল স্থাপত্য শিল্প উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছায়। ঔরঙ্গজেব (১৬৫৮–১৭০৭): তাঁর আমলে মুঘল সাম্রাজ্য ভৌগোলিক দিক থেকে সবচেয়ে বড় আকার ধারণ করে (প্রায় সমগ্র উপমহাদেশ)। তবে তাঁর কঠোর নীতি ও দীর্ঘ দাক্ষিণাত্য যুদ্ধ সাম্রাজ্যের অর্থনীতিকে দুর্বল করে তোলে। ২. পতন ও অবসান ১৭০৭ সালে ঔরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দুর্বল উত্তরাধিকারী, মনসবদারি প্রথার অবক্ষয়, অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ (মারাঠা, শিখ, রাজপুত) এবং নাদির শাহ ও আহমদ শাহ আবদালীর আক্রমণের ফলে সাম্রাজ্য ক্ষয়িষ্ণু হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই শূন্যতার সুযোগ নেয়। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জফর-কে রেঙ্গুনে নির্বাসিত করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০০ বছরের মুঘল শাসনের যবনিকা ঘটে। #মুঘল_সাম্রাজ্য #মুঘল_ইতিহাস #ভারতবর্ষের_ইতিহাস #বাবর #আকবর #শাহজাহান #তাজমহল #ঔরঙ্গজেব #ইতিহাস #ভারতীয়_উপমহাদেশ #MughalEmpire #HistoryOfIndia #MughalHistory