🇧🇩সাভারের স্মৃতিসৌধে ঘুরে এলাম আজ“I visited the National Martyrs’ Memorial in Savar.”🇧🇩#viral
Rakib 3.00
0:00 / 0:00
🇧🇩সাভারের স্মৃতিসৌধে ঘুরে এলাম আজ“I visited the National Martyrs’ Memorial in Savar.”🇧🇩#viral
104 просмотра · 1 месяц назад
Rakib 3.00
554 подписчика
104 просмотра · 1 месяц назад
জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধ
উনিশশো একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। একই বছর ১৬ই ডিসেম্বর বিজয়ের মাধ্যমে এর পরিসমাপ্তি ঘটে। ত্রিশ লক্ষ অকুতভয় দেশপ্রেমিক বাঙালি স্বাধীনতার জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেন। এই স্মৃতিসৌধ আপামর জনসাধারণের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ের স্মরণে নিবেদিত এবং শহীদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধার উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। স্মৃতিসৌধ এবং এর প্রাঙ্গণের আয়তন ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর)। এছাড়াও রয়েছে একে পরিবেষ্টনকারী আরও ১০ হেক্টর (২৪ একর) এলাকা নিয়ে বৃক্ষরাজি পরিপূর্ণ একটি সবুজ বলয়।
এই স্মৃতিসৌধ সকল দেশপ্রেমিক নাগরিক এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় ও সাফল্যের যুগলবন্দি রচনা করেছে। সাতটি ত্রিভুজ আকৃতির মিনারের শিখর দেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সাতটি পর্যায়ের প্রতিটি এক ভাষ্যজ্ঞানে প্রবাহিত হচ্ছে। এই সাতটি পর্যায়ের প্রতিটি সূচিত হয় বায়ান্নর মহান ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে। পরবর্তীতে চুয়ান্ন, বাষট্টি, ছেষট্টি ও ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হয়ে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। #viral #কাচাবাদামsong #farming #officalvideo #viralvideos #bengali #bgmiindia #cokestudiobangla #coolvideo
মিনারটি ৪৫ মিটার (১৫০.০০ ফুট) উঁচু এবং জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিন্দুতে অবস্থিত। মিনার ঘিরে আছে কৃত্রিম হ্রদ এবং মনোরম বাগান। সৌধ চত্বরে আছে মাতৃভূমির জন্য আত্মোৎসর্গকারী অজ্ঞাতনামা শহীদদের দশটি গণসমাধি। সৌধ প্রাঙ্গণে আরও রয়েছে উন্মুক্ত মঞ্চ, অভ্যর্থনা কক্ষ, মসজিদ, হেলিপ্যাড এবং ক্যাফেটেরিয়া।
১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর এই স্মৃতিসৌধের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। স্মৃতিসৌধের মিনার ব্যতীত প্রকল্পটির মহাপরিকল্পনা ও নৈসর্গিক পরিকল্পনা সহ অন্যান্য সকল নির্মাণ কাজের স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থাপত্য অধিদপ্তর। মিনারের স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। বর্তমান সৌধটির নির্মাণ কাজ তিন পর্যায়ে মোট ১৩.০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন হয়। নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে এবং শেষ হয় ১৯৮৮ সালের জুন মাসে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়াধীন গণপূর্ত অধিদপ্তর সমগ্র নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে।