Перейти к содержимому

এতিমের ভালোবাসা | এতিম মেয়ের জীবন কাহিনী | Probashi | Viral BD24 Palli gram tv | Bangla Natok

Viral BD24

0:00 / 0:00

এতিমের ভালোবাসা | এতিম মেয়ের জীবন কাহিনী | Probashi | Viral BD24 Palli gram tv | Bangla Natok

54 763 просмотра · 23 часа назад
Viral BD24
2,53 млн подписчиков
54 763 просмотра · 23 часа назад
#viralbd24 #palligramtv #probashi গল্পের নাম: এতিমের ভালোবাসা একটি ছোট্ট গ্রামে মায়া নামের এক মেয়ে থাকত। ছোটবেলাতেই বাবা-মাকে হারিয়েছিল সে। পৃথিবীতে তার আপন বলতে কেউ ছিল না। তবে পাশের বাড়ির চাচী তাকে নিজের সন্তানের মতো করে বড় করেছিলেন। মায়ার খাওয়া-পরা, পড়াশোনা—সবকিছুর দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। চাচীর একটাই স্বপ্ন ছিল, একদিন নিজের ছেলে রাজুর সঙ্গে মায়ার বিয়ে দেবেন। মায়া রাজুকে মনে মনে ভালোবাসত। কিন্তু রাজুর চোখে মায়ার কোনো মূল্য ছিল না। একদিন রাজু মাকে বলে, — মা, আমি মায়াকে বিয়ে করতে পারব না। আমি বড়লোকের মেয়ে বিয়ে করব। এতিম আর গরিব মেয়েকে বিয়ে করে আমার ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চাই না। মা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, — বাবা, টাকা-পয়সা দিয়ে সুখ কেনা যায় না। মায়া তোকে মন থেকে ভালোবাসে। রাজু রাগ করে বাড়ি ছেড়ে শহরে চলে যায়। রাজু চলে যাওয়ার পর মায়া চাচীর কাছে কাঁদতে কাঁদতে বলে, — চাচী, আমি এতিম বলেই হয়তো রাজু ভাই আমাকে বিয়ে করতে চায় না। একদিন সে শহর থেকে বড়লোকের মেয়ে নিয়ে আসবে। চাচী মায়াকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেন, — মা, তুই এতিম হতে পারিস, কিন্তু আমার কাছে তুই কখনোই পর নোস। অন্যদিকে শহরে গিয়ে রাজু একটি বড়লোক পরিবারের গাড়ির ড্রাইভারের চাকরি নেয়। কাজ করতে করতে সেই পরিবারের মেয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। একসময় রাজু সেই বড়লোকের মেয়েকে বিয়ে করে গ্রামে নিয়ে আসে। কিন্তু গ্রামে এসে শুরু হয় নতুন সমস্যা। শহরের বিলাসী জীবনে অভ্যস্ত মেয়েটি গ্রামের জীবন মেনে নিতে পারে না। গ্রামের পানি খেতে পারে না, সাধারণভাবে গোসল করতেও তার সমস্যা হয়। প্রতিদিন নানা অভিযোগ করতে থাকে। কিছুদিন পর সে বাবার কাছ থেকে গোপনে পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে আসে। কিন্তু সেই টাকাও কয়েক মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। অবশেষে সে রাজুকে বলে, — আমি বাবার কাছে ফিরে যাব। বাবাকে বুঝিয়ে আবার টাকা নিয়ে আসব। তারপর আমরা শহরে ভালোভাবে থাকব। রাজু বাধ্য হয়ে তার সঙ্গে শহরে যায় এবং সেখানে একটি বাসা ভাড়া নেয়। কিন্তু মেয়েটি বাবার বাড়িতে যাওয়ার পর আর ফিরে আসে না। দিন যায়। এক মাস, দুই মাস… ছয় মাস কেটে যায়। রাজু অসহায় হয়ে পড়ে। ফোন করলে ফোন বন্ধ। কোনো যোগাযোগ নেই। পরে জানা যায়, মেয়েটির বাবা মেয়েকে বাড়িতে আটকে রেখেছেন এবং তার মোবাইল নিয়ে নিয়েছেন। তাই এতদিন সে রাজুর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেনি। এদিকে গ্রামে রাজুর মা ছেলেকে বোঝাতে থাকেন, — বাবা, ছয় মাস হয়ে গেল। তোর বউয়ের কোনো খবর নেই। মনে হয় সে আর ফিরবে না। মায়াকে বিয়ে কর। মেয়েটা তোকে ছোটবেলা থেকে ভালোবাসে। রাজু প্রথমে রাজি হয় না। কিন্তু মায়ের অনুরোধ, মায়ার অসহায় অবস্থা এবং দীর্ঘদিন কোনো খবর না পাওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত সে বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। মায়া কাঁদতে কাঁদতে বলে, — চাচী, যদি ভাবি ফিরে আসে? তখন আমার কী হবে? চাচী চোখের পানি মুছে বলেন, — মা, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখ। অবশেষে রাজু ও মায়ার বিয়ে হয়ে যায়। বাসর রাতে মায়া চোখের পানি ফেলতে ফেলতে রাজুকে বলে, — আমি গরিব, আমি এতিম। আমার আপন বলতে কেউ নেই। তুমি আমাকে কখনো ঠকিয়ো না। যদি তোমার আগের বউ ফিরে আসে, তখন কি তুমি আমাকে ছেড়ে দেবে? রাজু মায়াকে আশ্বস্ত করে বলে, — যে মানুষটা ছয় মাস আমাকে একটা ফোনও করেনি, সে আর ফিরে আসবে না। তুমি আমার স্ত্রী। তোমাকে আমি কখনো ছেড়ে দেব না। মায়া ধীরে ধীরে রাজুকে বিশ্বাস করে। কিন্তু পরদিন সকালেই ঘটে যায় সেই ঘটনা, যা কেউ কল্পনাও করেনি। রাজু ঘুম থেকে উঠে দেখে—শহরের সেই বউ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছে! রাজু হতভম্ব। মেয়েটি কান্না করে বলে, — রাজু, আমি তোমাকে ছেড়ে যাইনি। বাবা আমাকে এতদিন আটকে রেখেছিল। আমার মোবাইল নিয়ে নিয়েছিল। আমি কোনোভাবেই তোমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। তারপর মায়ার দিকে তাকিয়ে সে প্রশ্ন করে, — কিন্তু মায়া বিয়ের পোশাকে কেন? মায়া চোখের পানি মুছে নিচু গলায় বলে, — আপনি এতদিন ফিরে আসেননি। সবাই ভেবেছিল আপনি আর আসবেন না। আপনার স্বামীকে আমি ছিনিয়ে নিতে চাইনি। আমাকে বিয়ে করা হয়েছে মায়ের অনুরোধে। এখানে আমার কোনো দোষ নেই। পরিস্থিতি মুহূর্তেই বদলে যায়। রাজুর মা কান্নায় ভেঙে পড়েন। মায়া বুঝতে পারে, এই সংসারে তার জায়গা নেই। সে রাজু ও তার আগের স্ত্রী দুজনের হাত একসঙ্গে ধরে বলে, — তোমরা সুখে থেকো। আমার জন্য তোমাদের সংসার নষ্ট হোক, আমি সেটা চাই না। রাজু চিৎকার করে বলে, — মায়া, দাঁড়াও! তুমি কোথায় যাচ্ছ? কিন্তু মায়া আর পেছনে ফিরে তাকায় না। সে দৌড়ে দূরে চলে যায়। রাজু তার পেছনে ছুটতে থাকে। কিছুক্ষণ পর রাস্তার পাশে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনা ঘটে। মায়া আর বেঁচে নেই। রাজু ছুটে এসে মাটিতে বসে পড়ে। মায়ার নিথর দেহের পাশে বসে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে বলে, — মায়া… আমি তোকে এতিম ভেবেছিলাম, গরিব ভেবেছিলাম… অথচ তুই-ই ছিলি আমার সবচেয়ে আপন মানুষ। আমি তোকে বিশ্বাস করাতে পারিনি যে তুই আমার জীবনে কতটা মূল্যবান ছিলি। রাজুর মা ছেলের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, — বাবা, মানুষ হারানোর পর তার মূল্য বুঝিস না। মায়া তোকে ভালোবাসত। তুই শুধু তার ভালোবাসার মর্যাদা দিতে পারিসনি। শেষ দৃশ্যে রাজু মায়ার স্মৃতির সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদতে থাকে। স্ক্রিনে লেখা ভেসে ওঠে— “মানুষের মূল্য তার টাকা-পয়সায় নয়, তার ভালোবাসায়। কাউকে ছোট করার আগে মনে রাখবেন—একদিন সেই মানুষটিই হয়তো আপনার সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হয়ে দাঁড়াবে।” সমাপ্ত। #এতিমেরভালোবাসা #এতিমেরগল্প #এতিমমেয়েরগল্প #এতিমমেয়েরভালোবাসা #গরিবমেয়েরগল্প #গরিবমেয়েরভালোবাসা #অসহায়মেয়েরগল্প #ভালোবাসারগল্প #কষ্টেরগল্প #কান্নারগল্প #হৃদয়স্পর্শীগল্প #মর্মান্তিকগল্প #বাংলাগল্প #কষ্টেরনাটক #বাংলাড্রামা #এতিমেরভালোবাসা #BanglaNatok #BanglaDrama #EmotionalNatok #BanglaShortFilm #BanglaNatok2026 #ViralNatok #EmotionalStory #ViralBD24