আমলকি চাষ কতটা লাভজন। ফলসহ টবের একটা গাছ ৩৫ হাজার। আমলকির চাষ। আমলকির পুষ্টিগুন। আমলকির গুনাগুন।
krishi jibon
0:00 / 0:00
আমলকি চাষ কতটা লাভজন। ফলসহ টবের একটা গাছ ৩৫ হাজার। আমলকির চাষ। আমলকির পুষ্টিগুন। আমলকির গুনাগুন।
39 593 просмотра · 6 л. назад
krishi jibon
70 тыс. подписчиков
39 593 просмотра · 6 л. назад
আমলকি। ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল।এর ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।
চারার জন্য এই নার্সারীতে আপনারা যোগাযোগ করতে পারেন।
সবুজ বাংলা নার্সারী, আগারগাও মোড়, ঢাকা।
আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক জানান ‘জেলায় কম করে হলেও প্রতিটি বাড়িতে ২-৩টি করে আমলকি গাছ দেখা যায়। এখন অনেক পরিবার বাণিজ্যিকভাবে আমলকি চাষ করায় এ বছর আবাদ হয়েছে ৪৪ হেক্টর এবং উৎপাদন হয়েছে ৩৭৩ মেট্রিক টন। গত বছর থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে। যা হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৮.৪৭ মেট্রিক টন।’
আমলকির বীজ নভেম্বর-ফেব্রুয়ারী মাসে সংগ্রহ করতে হবে।
প্রতি কেজিতে ৪০০০-৪৫০০০টি পাওয়া যাবে।
বীজ সংগ্রহের সাথে সাথে বীজ মাটিতে বা সীড বেডে বপন করতে হয়। এ অবস্থায় ১৫ দিনে বীজ গজাতে শুরু করে, তবে অঙ্কুরোদগম হার মাত্র ৪০ ভাগ। এক্ষেত্রে বীজ ৮০ডিগ্রী সে. তাপে ৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে বপন করলে ১০ দিনে বীজ গজাতে শুরু করে এবং অঙ্কুরোদগমের হার হয় শতকরা ৮০ ভাগ পর্যন্ত।
বীজ এবং কলম দুই পদ্ধতিতে এ গাছের বংশ বিস্তার হয়ে থাকে। বাংলাদেশের প্রায় সব নার্সারীতেই আমলকীর চারা পাওয়া যায়। এ গাছ কেটে ফেললে আবার কাটা স্থান থেকে কুশি জন্মায় এবং ক্রমে তা পূর্ণাঙ্গ গাছে পরিণত হয়। আমলকী গাছ লাগানোর ৪/৫বছরের মধ্যে তা ফলবান হয়। তবে পরিপূর্ণভাবে ফলবান হতে ৭/৮ বছর লাগে।
চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে-
১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি
গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
২. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।
৩. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।
৪. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।
৫. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
৬. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৭. প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।
৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।
৯. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
১০. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।
#আমলকির_পুষ্ঠিগুন
#আমলকি_চাষ
চারার জন্য এই নার্সারীতে আপনারা যোগাযোগ করতে পারেন।
সবুজ বাংলা নার্সারী, আগারগাও মোড়, ঢাকা।
Agriculture sector is the lifeline of Bangladesh economy.The sector has remained
priority to the government to ensure a profitable, sustainable and
environment-friendly agricultural system and also crucial for long-term food security
for the people of Bangladesh. The reduction of cultivable land due to population
density agricuture is in some problems. For the sustained growth in agriculture, the government supports expanding technology, diversifying crops, extending production of non-seasonal crops along with
the seasonal ones. Innovating new variety of salinity tolerant seed and high yielding
variety of paddy and jute, providing subsidy and agricultural credit, ensuring uninterrupted
power supply for irrigation played an instrumental role in extending
developing the agro-based industries.
We are passionate to keep you update about Agricultural technology, agriculture farming, agriculture information, story of agricultural success, future of agriculture sector in Bangladesh.
This channels target is to educate, aware, motivate the people about Bangladeshi agricultural product, success and future.
Goat farming, poultry farm, fisheries, fruits cultivation like dragon, Malta, kashmiri kul, has changed the life of hundred thousands of young people in Bangladesh. We will give you their success story.
Our Channel Link: / @krishijibon
Our face book page:www.facebook.com/krishijibonbd/
Our website : http://www.krishijbon.com