Перейти к содержимому

তবু তুমি আমার সুমাইয়া মনি পর্ব ১৩ সকালের আলো ফুটতেই শেখ ভিলা আবারও পূর্বের দিনের

গল্পঘর

0:00 / 0:00

তবু তুমি আমার সুমাইয়া মনি পর্ব ১৩ সকালের আলো ফুটতেই শেখ ভিলা আবারও পূর্বের দিনের

1 399 просмотров · 1 день назад
গল্পঘর
6,85 тыс. подписчиков
1 399 просмотров · 1 день назад
যথারীতি অফিসের জন্য বেরিয়ে গেল। যাওয়ার আগে কায়নাতের সঙ্গে তার আর কোনো কথা হলো না। কেবল দরজা পেরিয়ে যাওয়ার সময় একবার দুজনের চোখাচোখি হয়েছিল। তারপরই রোহান দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে চলে গেল। আজ সকালটা বেশ শান্ত। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো রিহানের আজ কিছুই হারায়নি। তার মোজা জোড়ায় জোড়ায় ঠিকঠাক আছে, মানিব্যাগও যথাস্থানে। ঘড়ি, চাবি, ফোন সবকিছুই নিজের জায়গায় রয়েছে। সকালে বের হওয়ার সময় রিহান কয়েকবার নিজের জিনিসপত্র মিলিয়ে দেখে তবেই নিশ্চিন্ত হয়েছে। কায়নাত দূর থেকে বিষয়টা দেখে মুচকি হেসেছিল। দুদিনের দুষ্টুমির পর আজ অন্তত ছেলেটার সবকিছু অক্ষত। কিছুক্ষণ পর কায়নাত হাতে একটি শপিং ব্যাগ নিয়ে রামিসার ঘরের দিকে এগিয়ে গেল। দরজায় হালকা টোকা দিতেই ভেতর থেকে রামিসার কণ্ঠ ভেসে এলো, “ভেতরে এসো।” কায়নাত ভেতরে ঢুকতেই রামিসা বিছানায় বসা অবস্থায় ফোনটা পাশে রেখে তার দিকে তাকাল। “কী হয়েছে ভাবি?” কায়নাত ব্যাগটা হাতে নিয়ে একটু ইতস্তত করে বলল, “তোমার কাছে একটু কাজ ছিল।” রামিসা ভ্রু কুঁচকে তাকাল। “কী লাগবে?” কায়নাত এবার ব্যাগটা বিছানার ওপর রাখল। ধীরে ধীরে তার ভেতর থেকে মোজা এবং শেষে কালো চামড়ার মানিব্যাগটা বের করে রামিসার সামনে রাখল। রামিসা কয়েক সেকেন্ড নিঃশব্দে তাকিয়ে রইল। তারপর বিস্ময়ে চোখ বড় করে বলল, “এগুলো…!” কায়নাত মাথা নিচু করে মৃদু হাসল। বলল, “হ্যাঁ।” “তুমি নিয়েছিলে?” “হ্যাঁ।” রামিসা যেন বিশ্বাসই করতে পারছিল না। ফের অবাক হয়ে বলল, “ভাবি! তুমি সত্যি সত্যিই এগুলো নিয়েছিলে?” কায়নাত এবারও হেসে উত্তর দিলো, “জাস্ট একটু জ্বালাতন করার জন্য। এর বেশি কিছু না।” রামিসা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে একে একে মোজা আর মানিব্যাগের দিকে তাকাল। এরপর জানতে চাইলো, “কিন্তু কেন?” কায়নাতের হাসিটা এবার কিছুটা ম্লান হলো। সে ধীরে বলল, “রিহান সেদিন যেভাবে আমার দিকে তাকাচ্ছিল মনে হচ্ছিল আমি যেন সত্যিই কোনো অপরাধ করে ফেলেছি। তাই ভাবলাম, যেহেতু সন্দেহ করছেই, একটু সত্যি সত্যি সন্দেহ করার কারণ দিই।” রামিসা মৃদু হেসে মাথা নাড়ল। “তুমিও না, মাথায় সবসময় এসব বুদ্ধি আসে কীভাবে?” কায়নাত উত্তর দেওয়ার আগেই দরজার কাছে সাহারা এসে দাঁড়ালেন। এগিয়ে এসে বলল, “কী নিয়ে এত কথা হচ্ছে?”