Перейти к содержимому

আখের চারা উৎপাদন ও রোপা পদ্ধতিতে (STP) আখ চাষ কেন করবেন।

কৃষিজ

0:00 / 0:00

আখের চারা উৎপাদন ও রোপা পদ্ধতিতে (STP) আখ চাষ কেন করবেন।

15 866 просмотров · 3 года назад
কৃষিজ
33,1 тыс. подписчиков
15 866 просмотров · 3 года назад
সরাসরি মাঠে বীজখন্ড রোপণের পরিবর্তে চারা তৈরী করে ইক্ষু চাষ করাকে রোপা আখ চাষ বলে। রোপা পদ্ধতিতে ধানের মত বীজ তলায় চারা উৎপাদন করে সেই চারা মূল জমিতে নির্দিষ্ট দূরত্বে রোপণ করা হয়। সরাসরি বীজখণ্ড মাঠে রোপণের পরিবর্তে চারা উৎপাদন করে রোপণ করায় চারাগুলির মধ্যে সুনির্দিষ্ট ও সমান দূরত্ব বজায় রেখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মাড়াইযোগ্য ইক্ষু উৎপাদনের মাধ্যমে ইক্ষুর ফলন বৃদ্ধি নিশ্চিত করা রোপা পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য। সুবিধা : -- প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় মাত্র চার ভাগের এক ভাগ বীজের প্রয়োজন হয়। -- নির্দিষ্ট দূরত্বে চারা রোপণের ফলে জমিতে প্রয়োজনীয় গাছের সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়। -- বছরের যে কোন সময় ইক্ষু রোপণ করা যায়। -- উৎপাদনকাল কমিয়ে আনা সম্ভব। -- অল্প খরচে অধিক ফলন ও মুনাফা পাওয়া যায়। এ পদ্ধতিতে বীজতলা বা বেডে চারা উৎপাদন করা হয়। চারা উৎপাদনের জন্য বীজতলা তৈরী করে তার উপর আখের পাতা/ ধানের খড়/ কচুরী পানা বিছিয়েও বেড তৈরী করা যায়। বীজতলায় এক বা দুই চোখ বিশিষ্ট বীজ খন্ড পাশাপাশি স্থাপন করে চারা উৎপন্ন করা হয়। বেডে পর্যাপ্ত রস না থাকলে মাঝে মাঝে সেচ দিতে হয়। বেডে আখের চারা গজানোর পর কিছুদিন পর পর পাতা ছেঁটে চারা ছোট রাখা প্রয়োজন। সুস্থ রোগমূক্ত ও সবল চারা ৪০-৪৫ দিন বয়স বা চারা ৪-৫ পাতা বিশিষ্ট হলে মূল জমিতে রোপন উপযোগী হয়। মূল জমিতে রোপণ : জমি গভীর ভাবে চাষ ও মই দিয়ে নির্দিষ্ট দুরত্বে ১ মিটার পর পর লাঙ্গল/ ট্রেঞ্চার/ কোদাল দিয়ে নালা তৈরী করতে হবে। নালায় সব ধরনের সার দিয়ে নালার মাটিকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে সার মিশিয়ে দিতে হবে। ব্যাগ চারার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দুরত্বে ৪০-৫০ সে. মি. পর পর নালায় চারা রোপন করতে হবে। রোপনের পর চারার গোড়ার মাটি ভাল ভাবে চাপ দিয়ে শক্ত করে দিতে হবে যাতে চারাটি বাতাসে নড়ে বা সেচ দেওয়ার সময় উঠে না যায়। রোপনের পর পরই ১ টি অথবা প্রয়োজন বোধে ২ টি জীবনী সেচ প্রয়োগ করতে হবে।বেড অথবা যে কোন গাছ চারার ক্ষেত্রে নালায় সার মিশিয়ে কোদাল দিয়ে মাটি আলগা করে নালায় পানি দিয়ে রোপা ধানের মত আখের চারা নির্দিষ্ট দূরত্বে ৩০-৪৫ সে. মি. পর পর রোপন করতে হবে, এতে চারার মরে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে এবং জমিতে গ্যাপ কম হয়।